ঢাকা, ২০১৯-০৬-২৬ ৮:৩৫:৩৫, বুধবার

ঈদ আয়োজনে একুশের পর্দায় আজকের অনুষ্ঠান

ঈদ আয়োজনে একুশের পর্দায় আজকের অনুষ্ঠান

ঈদ মানেই আনন্দ। ঈদ মানেই বিনোদন। ঈদ মানেই টিভি চ্যানেলে নতুন নতুন চমক। সেই ধারাবাহিকতায় দেশের প্রথম বেসরকারি টিভি চ্যানেল একুশে টেলিভিশন এবারের ঈদ আয়োজনে নিয়ে এসেছে দারুণ দারুণ চমক। আজ ঈদের সপ্তম দিনে একুশে টেলিভিশনে যেসব অনুষ্ঠান রয়েছে- সকাল ৯টা ৩০মি. বাংলা ছায়াছবি ‘ঢাকার কিং’। দুপুর ২টা ৩০মি. ‘একুশের ঈদের ঢোল’। সন্ধ্যা ৬টা ২০মি. ‘সেলিব্রেটি কুকিং শো’। রাত ৭টা ২০মি. ধারাবাহিক নাটক ‘নো অজুহাত’। রাত ৮টায় নাটক ‘শবনম’। রাত ৯টা ২০মি. ধারাবাহিক নাটক ‘মি. রোমিও’। ১০টায় ধারাবাহিক নাটক ‘কোট পরা ভদ্রলোক’। রাত ১১টা ৩০মি. ‘ফোন লাইভ স্টুডিও কনসার্ট’। এসএ/
‘মানি হানি’র ট্রেলার প্রকাশ (ভিডিও)

হইচইয়ের নতুন ওয়েব ধারাবাহিক ‘মানি হানি’র ট্রেলার প্রকাশ করা হয়েছে। ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়া ‘ঢাকা মেট্রো’র পর বাংলাদেশে এটা তাদের দ্বিতীয় অরিজিনাল সিরিজ। শহুরে এক তরুণের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে ঘিরে তার জীবনে উদ্ভূত নানা সমস্যা জর্জরিতে কাহিনিকে চিত্ররূপ দিতে এবার এ ওয়েব ধারাবাহিক নির্মাণে যুক্ত হয়েছেন নির্মাতা তানিম নূর ও কৃষ্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়। নির্মাতাদের বক্তব্য- সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত হওয়ার কারণে সহজেই এ ধারাবাহিক দর্শকদের মোহাবিষ্ট করে রাখবে। কেননা, পাঁচ বছর আগে এ ঘটনারই স্বাক্ষী হয়েছিলো ঢাকা।’ ৩২ বছর বয়সী ডিভোর্সি শাহরিয়ার কবির, কাজ করেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে। তার জীবন জুয়া, পার্টি, নারী ও মদে পূর্ণ। প্রিয়ংবদ শাহরিয়ার কথা বলে সহজেই যেকোনো নারীকে প্রেমে ফেলে দিতে পারে। জীবনে তার সবকিছুই ঠিকভাবে চলছিলো যতোক্ষণ না পর্যন্ত শেয়ার বাজারে বিশাল এক বিপর্যয় নেমে আসে এবং উলটে যায় তার জীবন-পাশার ঘুঁটি। আর এখান থেকেই এ ওয়েব ধারাবাহিকের গল্পের শুরু।  দেড় মিনিটের ট্রেলারে জমাট সংলাপের মাধ্যমে উঠে আসে ব্যাংক ডাকাতি ও তার পরের ঘটনা। গল্প বলার ধরণ ও সিনেম্যাটোগ্রাফিতে ওয়েব সিরিজটিতে দারুণ চমক রয়েছে। ওয়েব ধারাবাহিকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন- শ্যামল মাওলা, মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, লুৎফর রহমান জর্জ, সুমন আনোয়ার, নিশাত প্রিয়ম এবং নাজিবা বাশার। ট্রেলার : এসএ/

ঈদ ইত্যাদিতে বিদেশি পর্বে চমক

প্রতিবছরের মত এবারও ঈদে হানিফ সংকেত আসছেন জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’ নিয়ে। অন্যান্য বিষয়ের মত এবারও বিদেশিদের নিয়ে তৈরি করা হয়েছে ‘ইত্যাদির বিদেশি পর্ব’। এবারের পর্বে অংশগ্রহণ করেছেন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের প্রায় ৫০ জন নাগরিক। এদের মধ্যে অর্ধেক নৃত্যে এবং বাকিরা অভিনয়ে অংশ নেন। এ বিষয়ে হানিফ সংকেত বলেন, ‘মাত্র কয়েকদিনের পরিচয়ে বিদেশিদের সাথে যে আত্মিক বন্ধন গড়ে ওঠে, তা কখনোই ভোলার নয়।’ বিদেশিদের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে হানিফ সংকেত বলেন, ‘এরা অপেশাদার। তবে অনেক পেশাদার শিল্পীরও এদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। বিশেষ করে ওদের সময়জ্ঞান, নিষ্ঠা, একাগ্রতা, কষ্ট করা, সহিষ্ণুতা, আন্তরিকতা দেখে আমি মুগ্ধ। যেহেতু দর্শকরা এই পর্বটি অনেক পছন্দ করেন, তাই আমরাও অনেক যত্ন নিয়ে এই পর্বটি করার চেষ্টা করি। আশা করি প্রতিবারের মতো এবারও এই পর্বটি দর্শকদের অনেক আনন্দ দেবে।’ স্পেনের নাগরিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রোসা বোরাজো বলেন, ‘ইত্যাদির মহড়া ও শুটিং শেষ হলে খুব মিস করি। হানিফ সংকেতের ধৈর্যের প্রশংসা করি। ইউনিভার্সিটিতে ক্লাস নিতে গিয়ে যখন কোনও কারণে অধৈর্য হয়ে পড়ি, তখন হানিফ সংকেতের কথা মনে পড়ে।’ ডাচ নাগরিক লেইসবেথ বলেন, ‘আমি অনেকের কাছে ইত্যাদির গল্প শুনেছি। এখন শুটিংয়ে এসে বুঝলাম এখানে না এলে আমি অনেক কিছু মিস করতাম। বেশি ভালো লাগে আমাদের পর্বটিতে একটা সামাজিক বক্তব্য থাকে।’ ব্রিটিশ নাগরিক ক্রেইগ বলেন, ‘ইত্যাদি টিম খুবই ভালো, অর্গানাইজড। আমি ইত্যাদিকে ভালোবাসি। এই নিয়ে চারবার অংশ নিলাম। হানিফ সংকেতের সাথে কাজ করলে বোঝা যায়, যে মানুষটি কোনও দিন অভিনয় করেনি, তাকেও তার পক্ষে শিল্পী বানানো সম্ভব। তার প্রমাণ আমরা।’ আমেরিকান নাগরিক স্যাম বলেন, ‘অনুষ্ঠানটি প্রচারের পরদিন রাস্তায় বেরুলে অনেকেই আমাকে চিনতে পারেন। চিৎকার করে বলেন, হেই ইত্যাদি! আমি খুব এনজয় করি।’ উল্লেখ্য, প্রতিবারের মতো এবারও ‘ইত্যাদি’ একযোগে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচার হবে। ঈদের পরদিন রাত ১০টা ২০ মিনিটে এটি দেখা যাবে। অনুষ্ঠানটি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন। এসএ/

মাকে নিয়ে বিখ্যাত কিছু সিনেমা

মা। একটি বর্ণের একটি শব্দ। কিন্তু এই এক বর্ণের শব্দের মর্মতা বিশাল। গভীরতাও অনেক। পৃথিবীর সকল আবেগ, অনুভূতি, মমতা যেন এই একটি শব্দের মধ্যেই নিহিত আছে। কালে কালে মাকে নিয়ে রচিত হয়েছে অসংখ্য গান, কবিতা, গল্প, উপন্যাস ও চলচ্চিত্র। মাকে নিয়ে যত আবেগ তা ফুটিয়ে তুলতে চলচ্চিত্র সবচেয়ে বড় মাধ্যম। বিভিন্ন সময়ে মাকে নিয়ে দেশে দেশে বিভিন্ন ঘরানার চলচ্চিত্র তৈরি হয়েছে। তার তালিকা অবশ্য দীর্ঘ। তবে এর মধ্য থেকে মাকে নিয়ে নির্মিত কিছু বিখ্যাত সিনেমা নিয়ে আজকের এ প্রতিবেদন- মাদার এ সিনেমাটিকে ‘হারানো চলচ্চিত্র’ হিসেবে ধরা হয়। আমেরিকান নির্বাক স্বল্পদৈর্ঘ্য নাট্য চলচ্চিত্র এটি। যা প্রযোজনা করেছে থানহাউসার কোম্পানি। আবেগপ্রধান এ চলচ্চিত্রে উইল এ্যালেন নামের একটি ছেলে তার সৎ বাবার ভয়ানক অত্যাচারের কারণে ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়। আর তার মা একটি মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখে ছেলের ফিরে আসার প্রতীক্ষায়। কুড়ি বছর পর উইল বাড়ি ফিরে আসে একজন প্রখ্যাত উকিল হয়ে। কিন্তু সে তার বাবা-মাকে আর খুঁজে পায় না। পরবর্তীতে উইল একজন মহিলার হয়ে মামলা লড়ে, যার বিপক্ষে ছিল একটি খরিদ্দার প্রতিষ্ঠান। সেই মহিলাকে উইল মা হিসেবে চিনতে পারে এবং এভাবে তাদের পুনর্মিলন হয়। চলচ্চিত্রটির মূল অভিনয়ে ছিলেন আনা রোসমন্ড, ফ্রাঙ্ক এইচ ক্রেন ও ক্যারি এল. হ্যাসিং। এটি ১৯১০ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মুক্তি পায়। টু উইমেন যুদ্ধের করাল গ্রাসে হারিয়ে যাওয়া এক মা-মেয়ের করুণ গল্প নিয়ে ইতালিয় নির্মাতা ভিত্তোরিও ডি সিকা নির্মাণ করেছিলেন ‘টু উইমেন’। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতায় কুঁকড়ে যাওয়া মানবতার করুণ গাঁথা এ সিনেমায় তুলে এনেছিলেন তিনি। আলবার্তো মোরাভিয়ার লেখা ‘টু উইমেন’ উপন্যাস থেকে নেওয়া গল্প এটি। একদিকে প্রাণ হারাবার ভয়, আর অন্যদিকে শত্রুশিবিরের লালসা থেকে নিজের মেয়েকে বাঁচাতে মায়ের সংগ্রাম- এর সবকিছুই উঠে এসেছে ‘টু উইমেন’ সিনেমায়। কিংবদন্তী অভিনেত্রী সোফিয়া লোরেন এই সিনেমায় মা সেসিরার ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। এই চরিত্রে তার দুর্দান্ত অভিনয় তাকে এনে দিয়েছিল অস্কারসহ মোট ২২টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার। মামা রোমা সিনেমাটি ১৯৬২ সালে মুক্তি পায়। ইতালির এই সিনেমাটি সাবেক যৌনকর্মী ও তার ১৬ বছর বয়সী ছেলের কষ্টের জীবন নিয়ে গড়ে উঠে। সংসার চালাতে গিয়ে মাকে যৌনকমী হতে হয়। তারপরেও ছেলেকে সে মানুষের মত মানূষ করে। যৌনকর্মী ও মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন অ্যানা মাগনানি। টার্মস অফ এনডিয়ারমেন্ট মা-মেয়ের ত্রিশ বছরের গল্প নিয়ে ১৯৮৩ সালে মুক্তি পায় ‘টার্মস অফ এনডিয়ারমেন্ট’। যে সিনেমার গল্পে  দেখা যায়- বাবাহীন এমাকে আগলে রেখে অরোরা খুঁজে ফেরে সত্যিকারের ভালোবাসা। এদিকে এমাও বড় হয়ে জড়িয়ে পড়ে জটিল এক সম্পর্কে, নিজেও অর্জন করে মাতৃত্বের স্বাদ। তাদের চারপাশের পরিস্থিতি পরিবর্তন হতে শুরু করলেও একান্ত গুরুত্বপূর্ণ মূহুর্তে এই মা-মেয়ে দুজনেই এগিয়ে আসে একে অপরের সাহায্যে। জুনো জ্যাসন রেইটম্যানের পরিচালনায় এ চলচ্চিত্রের প্রধান চরিত্র জুনো নামের এক কিশোরী। দুর্ঘটনাবশত গর্ভবতী হয়ে যাওয়ার পর মা হওয়ার প্রবল ইচ্ছা, সামাজিক ও পারিবারিক জটিলতা এবং অনাগত সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার দোলাচলে এগিয়ে চলা জুনোর গল্প নিয়ে নির্মিত হয় এ চলচ্চিত্র। ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়ার পর সিনেমাটি বক্স অফিসে ঝড় তোলে। মূলত যুক্তরাষ্ট্রে অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় গর্ভবতী হওয়ার সমস্যাগুলোই উঠে এসেছে সিনেমাতে। কেন্দ্রীয় চরিত্র করেন এলেন পেজ। দ্য ব্লাইন্ড সাইড মার্কিন ফুটবল তারকা মাইকেল ওহার আর তার ‘মা’ লেই অ্যান টুওহির গল্প নিয়েই তৈরি সিনেমা ‘দ্য ব্লাইনইড সাইড’। রক্ত সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও দিশেহারা কৃষ্ণাঙ্গ এক কিশোরকে নিজের ছেলের মত আগলে রাখা এক শ্বেতাঙ্গ নারীর এই গল্প বিখ্যাত সিনেমার তালিকায় রয়েছে।  ২০০৯ সালে জন লি হ্যানক নির্মিত এই সিনেমাটিতে লেই অ্যান এর ভূমিকায় অভিনয় স্যান্ড্রা বুলক। যা তাকে এনে দিয়েছিল সেরা অভিনেত্রীর অস্কার। হাজার চৌরাসি কা মা নকশালবাড়ি আন্দোলনে ছেলে হারানো এক মায়ের মর্মস্পর্শী গল্প নিয়ে নির্মিত ‘হাজার চৌরাসি কা মা’। মহাশ্বেতা দেবীর ‘হাজার চুরাশির মা’ উপন্যাস অবলম্বনে এটি নির্মিত। সেই গল্প থেকেই ভারতে ১৯৯৮ সালে নির্মিত হয় ‘হাজার চৌরাসি কা মা’। প্রায় ১৮ বছর পর সেলুলয়েডের জগতে ফিরে শোকাহত সেই মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন জয়া বচ্চন। উত্তর ফাল্গুনী নির্মাতা অসিত রায়ের সিনেমা ‘উত্তর ফাল্গুনি’। শ্রেণি বৈষম্য এবং সংগ্রামের এক করুণ চালচ্চিত্র এটি। এই সিনেমাতে অভিনয় করেছিলেন মহিানায়িকা সুচিত্রা সেন। দ্বৈত চরিত্রে ওই সিনেমায় তিনি ছিলেন একজন মা, আবার একই সঙ্গে সেই মায়ের সন্তান্ও। ঢালিউডে ‘মা’কে নিয়ে নির্মিত সাড়া জাগানো চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে শিবলী সাদিক পরিচালিত ‘মায়ের অধিকার’, দেলোয়ার হোসেন দুলালের ‘বড় মা’, কাজী হায়াতের ‘আম্মাজান’, আওকাত হোসেনের ‘মায়ের দাবি’, দীলিপ বিশ্বাসের ‘মায়ের মর্যাদা’, মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের ‘মা আমার চোখের মনি’, মনতাজুর রহমান আকবরের ‘আমার মা’ ও ‘মায়ের চোখ’, জাকির হোসেনের ‘মা আমার স্বর্গ’, শেখ নজরুল ইসলামের ‘মা বড় না বউ বড়’, দীলিপ বিশ্বাসের ‘মায়ের মর্যাদা’, চাষী নজরুল ইসলামের ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ ইত্যাদি। এসএ/  

টানা ১২৬ ঘণ্টা নেচে গিনেস বুকে এই তরুণী (ভিডিও)

একটানা ১২৬ ঘণ্টা নেচে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম তুলে নিলেন নেপালের এক তরুণী। ‘লংগেস্ট ডান্সিং ম্যারাথন বাই অ্যান ইন্ডিভিজুয়াল’ বিভাগে ওই বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন তিনি। এত দিন এই রেকর্ড ছিল ভারতের দখলে। শনিবারের পর থেকে তা হল নেপালের। রেকর্ড করা ওই তরুণী পূর্ব নেপালের ধানকুটা জেলারক বাসিন্দা। ১৮ বছরের ওই তরুণীর নাম বন্দনা। এই রেকর্ডে গড়ার পরই বন্দনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। নেপালের কাঠমান্ডুতে সম্প্রতি আয়োজন করা হয়েছিল এই অনুষ্ঠানের। সেখানে প্রচুর মানুষ এসেছিলেন বন্দনার বিশ্বরেকর্ড গড়ার সাক্ষী হতে। এর আগে এই রেকর্ড ছিল কলামন্ডলম হেমলতার দখলে। ২০১১তে তিনি টানা ১২৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিট নেচে বিশ্বরেকর্ড করেছিলেন। ভিডিও তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার এমএইচ/

১৫ বছরে ‘সিসিমপুর’

শিশুদের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘সিসিমপুর’ ১৪ পেরিয়ে ১৫ বছরে পা রাখল। হালুম, টুকটুকি, ইকরি ও শিকু চরিত্রগুলো খুদে দর্শকের মন জয় করার মধ্য দিয়ে এই দীর্ঘপথ অতিক্রম করেছে। অনুষ্ঠান সংশ্নিষ্টরা জানান, চৌদ্দ বছর ধরে শিশুতোষ এই অনুষ্ঠানটি নির্মিত হচ্ছে ৩ থেকে ৮ বছর বয়সী শিশুর প্রারম্ভ্ভিক শিক্ষার চাহিদা পূরণের জন্য। সিসিমপুরের মূলমন্ত্র হলো- পৃথিবীটা দেখছি, প্রতিদিন শিখছি। আর তাই তো ১৫ পেরিয়ে ২০, ৫০, ১০০ বছর... একদিন সূর্যের সমান প্রাচীন হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে চলেছে সিসিমপুর। বাংলাদেশের প্রতিটি শিশুর প্রাক-শৈশবকে পূর্ণাঙ্গ ও বিকশিত করবে ‘সিসিমপুর’। এখন চলছে সিসিমপুরের একাদশ সিজন। সারাদেশের প্রায় এক কোটি দর্শক অনুষ্ঠানটি উপভোগ করছেন। বিটিভি ছাড়াও চ্যানেল আই, দেশ টিভি ও চ্যানেল নাইনে এটি প্রচার হয়েছে। এখন চলছে বিটিভি ও আরটিভিতে।এসএ/  

লন্ডনে বেঙ্গলি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের শেষ দিন আজ

পূর্ব লন্ডনের রিচমিক্স সেন্টারে পর্দা উঠেছে ‘বেঙ্গলি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’র। এটি তাদের চতুর্থতম আয়োজন। অতিথিদের লালগালিচায় অভ্যর্থনা জানানোর মধ্য দিয়ে গত বৃহস্পতিবার শুরু হয় এ উৎসব। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন সংস্কৃতিপ্রেমীদের পাশাপাশি বিভিন্ন অঙ্গনের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। ফেস্টিভ্যালের প্রতিষ্ঠাতা মুনসুর আলী বলেন, ‘বাঙালি অভিবাসীদের অভিজ্ঞতা, সংগ্রাম এবং তাদের বক্তব্য যুক্তরাজ্যের বৃহত্তম পরিসরে তুলে ধরার লক্ষ্যে এ ফেস্টিভ্যাল যাত্রা শুরু করে। সাধারণত বাংলাদেশ কিংবা কলকাতার বাংলা চলচ্চিত্র নির্মাতারা যুক্তরাজ্যের দর্শকদের কাছে তাদের কাজগুলো উপস্থাপনের সুযোগ পান না। লন্ডন বেঙ্গলি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল তাদের জন্য পল্গ্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।’ তিন দিনব্যাপী এই বাংলা চলচ্চিত্র উৎসবের শুরুতে প্রদর্শিত হয় প্রাণ বাঁচাতে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মানবেতর জীবনের গল্প নিয়ে তৈরি প্রামাণ্যচিত্র ‘ব্লোসম ফ্রম অ্যাশ’। এই প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে আলোচিত এই প্রামাণ্যচিত্রের অভিষেক ঘটল। এ উৎসবের উদ্বোধনী প্রদর্শনীতে যোগ দিতে বাংলাদেশ থেকে ছুটে আসেন ‘ব্লোসম ফ্রম অ্যাশ’-এর লেখক ও পরিচালক নোমান রোবিন। প্রায় দেড় ঘণ্টার এ প্রামাণ্যচিত্রে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বর্তমান দুঃসহ জীবনের বাস্তবতা তুলে ধরা হয়। সেইসঙ্গে শত শত বছর ধরে বর্তমান মিয়ানমারসহ ভারতবর্ষে ক্ষমতার পালাবদল এবং রাখাইন অঞ্চলে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বসতি গড়ে ওঠার ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে এই প্রামাণ্যচিত্রে। এতে প্রাসঙ্গিক তথ্য-উপাত্ত আর নিখুঁত পরিবেশনার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকটের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট উঠে এসেছে সবিস্তারে। আজ শনিবার পর্যন্ত চলবে এবারের উৎসব। ফেস্টিভ্যালের দ্বিতীয় দিন গতকাল শুক্রবার প্রদর্শিত হয় ‘দ্য হি উইদাউট হিম’। একই দিন প্রদর্শিত হবে ‘রেইনবো জেলি’। শেষ দিন শনিবার প্রদর্শিত হবে কলকাতার দেয়ালি মুখার্জি পরিচালিতে আলোচিত শর্টফিল্ম ‘তিন মুহূর্ত’। উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে পরিচালক দেয়ালি মুখার্জি উপস্থিত থাকবেন এবং অনুষ্ঠিত হবে প্রশ্নোত্তর পর্ব। সবক’টি প্রদর্শনী পূর্ব লন্ডনের রিচমিক্স সিনেমা হলে অনুষ্ঠিত হবে। লন্ডন বেঙ্গলি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল আয়োজনের সমন্বয়ক হিসেবে আছেন দিলরুবা ইয়াসমিন রুহী। এসএ/  

‘তর্জনী’র প্রথম ঝলক

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত হচ্ছে সিনেমা ‘তর্জনী’। এটি নির্মাণ করবেন সোহেল রানা বয়াতী। চলতি বছরের ১ মে এর শুটিং শুরু হতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রকাশ পেয়েছে সিনেমাটির ফার্স্ট কনসেপ্ট পোস্টার বা প্রথম ধারণাগত পোস্টার। ‘তর্জনী’ চলচ্চিত্রের গল্প লিখেছেন যৌথভাবে নির্মাতা সোহেল রানা বয়াতী ও শাহাদাত রাসেল। এটি প্রযোজনা করছে শিমুল খান মোশন পিকচার্স। সিনেমাটির প্রযোজক শিমুল খান বলেন, ‘আমার মা ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ভক্ত। মাকে দেখেই ছোটবেলা থেকে জাতির পিতার প্রতি আমার গভীর সম্মান জন্মায় এবং তাকে নিয়ে কিছু করার ইচ্ছে জাগে। সে সুযোগ এবার পেলাম।’ ‘তর্জনী’ নিয়ে শিমুল খান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণে অনুপ্রাণিত হয়ে সিনেমাটি নির্মিত হবে। তবে এখানে বঙ্গবন্ধুর বা ৭ই মার্চের ভাষণ সরাসরি দেখানো হবে না। সিনেমায় ১৯৭১, ১৯৭৫ ও ২০১৭ সালের তিনটি গল্প এগিয়ে যাবে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত। যার মূল চরিত্রে থাকবে ১০ বছরের একটি শিশু। খুব শিগগিরই সিনেমাটির অভিনয়শিল্পীদের নাম ঘোষণা করব।’ ঢাকা ও ঢাকার বাইরে পৃথক তিনটি জেলায় তিন লটে শুটিং চলবে ‘তর্জনী’র। ২০২০ সালের ৭ই মার্চ দেশে এবং বিদেশে একযোগে সিনেমাটি মুক্তি দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সংশ্লিষ্টদের। এ বিষয়ে তরুণ নির্মাতা সোহেল রানা বয়াতী বলেন, ‘এটি আমার নতুন কাজ। আমরা সকলেই জানি যে, বঙ্গবন্ধু ও তার বলিষ্ট নেতৃত্ব এদেশের মুক্তিকামী মানুষকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছিল। আর ৭ মার্চের ভাষণ ছিল এ জাতীর মুক্তির দিশা। যখনই সেই কণ্ঠ শুনি মনের মধ্যে কেমন যেনো একটা অনুভুতি কাজ করে। তাই অনেকদিন থেকে এই মহান নেতাকে নিয়ে কাজ করার ইচ্ছে ছিল। এবার সুযোগ এসেছে। সাহস নিয়ে কাজটি করতে চাই।’ এসএ/  

টিভিতে আজকের অনুষ্ঠান

বিনোদন প্রেমিদের জন্য আজ দেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল বেশ কিছু নাটক ও অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য কিছু তুলে ধরা হলো- আরটিভিতে ‘অর্ধেক সত্য’ আরটিভিতে প্রচার চলছে ধারাবাহিক নাটক ‘অর্ধেক সত্য’। অঞ্জন আইচ পরিচালিত এ ধারাবাহিকটি প্রচার হচ্ছে প্রতি রবি, সোম ও মঙ্গলবার রাত ১০টায়। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম, নাদিয়া আহমেদ, ইন্তেখাব দিনার, আবুল হায়াত, শতাব্দী ওয়াদুদ, জুঁই করিম, রিমি করিম, রুনা খান, ফারুক আহমেদ, মারজুক রাসেল, রাশেদ মামুন অপু, আ.খ.ম. হাসান, তারিক স্বপন, রোমানা স্বর্ণা, সুজাত শিমুল, সাবেরী আলম, আশিষ খন্দকার, নিশা, টুটুল চৌধুরী। এটিএন বাংলায় ‘নানা রঙের মানুষ’এটিএন বাংলায় আজ রাত ৮টায় প্রচার হবে ধারাবাহিক নাটক ‘নানা রঙের মানুষ’। ধারাবাহিকটি রচনা করেছে আহসান আলমগীর। পরিচালনা করেছেন মজিবুল হক খোকন। এতে অভিনয় করেছেন নাদিয়া, নিলয়, শ্যামল মাওলা, অর্ষা, সম্রাট, তানভীর, তানিয়া সুলতানা স্নেহা, শবনম পারভীনসহ আরো অনেকে। চ্যানেল আইতে ‘আমার যত গান’চ্যানেল আইতে আজ বিকাল ৩টা ৫ মিনিটে প্রচার হবে লাইভ অনুষ্ঠান ‘আমার যত গান’। এ পর্ব সাজানো হয়েছে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীদের অংশগ্রহণে। অনুষ্ঠানটি চ্যানেল আই স্টুডিও থেকে সরাসরি সমপ্রচার করা হবে। শিল্পীরা দুই ঘণ্টাব্যাপী এ অনুষ্ঠানে পরিবেশন করবেন তাদের জনপ্রিয় গানগুলো থেকে কিছু গান। গানের পাশাপাশি তারা সেই সময়কার স্মৃতিচারণ করবেন, বলবেন তাদের শৈশব-কৈশর থেকে, জানাবেন বর্তমানের কর্ম ব্যবস্থার কথাও। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করছেন অনন্যা রুমা। এনটিভিতে ‘মায়া মসনদ’এনটিভিতে আজ রাত ৮টা ২০ মিনিটে প্রচার হবে রূপকথার গল্প নিয়ে ভার্চুয়াল ফ্যান্টাসি নির্ভর ধারাবাহিক ‘মায়া মসনদ’। নাটকটি প্রতি সপ্তাহের রবি, সোম ও মঙ্গলবার প্রচার হচ্ছে। অরিন্দম গুহর গল্প ও চিত্রনাট্য রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন এস এম সালাউদ্দীন। পর্ব পরিচালনা করেছেন আতিকুর রহমান বেলাল এবং দৃশ্য পরিচালনায় আছেন মাকসুদুল ইমু। অভিনয় করেছেন সোহেল রানা, সাবেরী আলম, শতাব্দী ওয়াদুদ, গোলাম ফরিদা ছন্দা, আবিদ রেহান, শশী, নিলয় আলমগীর, নমিরা মৌ, মৌসুমী নাগ, মোমেনা চৌধুরী, ইলোরা গহর, শম্পা রেজা, শিল্পী সরকার অপু প্রমুখ। বাংলাভিশনে ‘খেলোয়াড়’ বাংলাভিশনে প্রচার হচ্ছে ধারাবাহিক নাটক ‘খেলোয়াড়’। মাসুদ সেজানের রচনা ও পরিচালনায় নাটকটি প্রচার হয় প্রতি সপ্তাহে রবি ও সোমবার রাত ৯টা ৫ মিনিটে। এতে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, বাঁধন, মৌটুসী বিশ্বাস, ডা. এজাজ, শামীমা নাজনীন, আবদুল্লাহ্‌ রানা, নাবিলা ইসলাম, সাজ্জাদ রেজা, মুকুল সিরাজ, নীলা ইসলাম, আহসান কবীর, মুসাফির বাচ্চু, সহীদ উন নবী, জাহাঙ্গীর আলম, সোহাগ আনসারী, সাথী মাহমুদ, মাসারুক টিটু, রওনক পুষ্পা, খুশবু প্রমুখ। মাছরাঙা টেলিভিশনে ‘হারকিউলিস’ জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘হারকিউলিস’-এর স্মৃতি ভুলে যাওয়ার কথা নয় দর্শকদের। দীর্ঘদিন বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত বাংলায় ডাবিং করা এই মার্কিন সিরিজে বুঁদ হয়েছিলেন বহু মানুষ। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে দারুণ আকৃষ্ট করেছিল ‘হারকিউলিস’। এ প্রজন্মের অনেক দর্শকেরই দেখার সুযোগ হয়নি অ্যাডভেঞ্চারভিত্তিক চমৎকার এই সিরিজটি। নতুন প্রজন্মের দর্শকদের দেখার সুযোগ করে দিতে এবং পুরনো দর্শকদের স্মৃতিকে আবার নতুন করে জাগাতে মাছরাঙা টেলিভিশন প্রচার করতে যাচ্ছে ‘হারকিউলিস’। সিরিজটি প্রচার হচ্ছে মাছরাঙায়। প্রতি রবি থেকে বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় প্রচার হয় এই সিরিজ।   এসএ/  

স্বাধীনতা দিবসে ইটিভিতে ‘প্রজন্মে স্বাধীনতা’

মহান স্বাধীনতা দিবসে একুশে টেলিভিশনে প্রচার হবে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘প্রজন্মে স্বাধীনতা’। অনুষ্ঠানে থাকছেন শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। তার সঙ্গে বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভাবনা নিয়ে আলাপচারিতা এবং প্রশ্নত্তোর পর্বে অংশ নিবেন নতুন প্রজন্মের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। মীম নোশিন নওয়াল খানের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। অনুষ্ঠানে ড. জাফর ইকবাল মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে আলোচনা এবং স্মৃতিচারণ করবেন এবং নতুন প্রজন্মের প্রতি নানান দিক-নিদের্শনা প্রদান করবেন। অংশগ্রহনকৃত শিক্ষার্থীরা জাফর ইকবালকে দেশ, মুক্তিযুদ্ধ এবং তার ব্যক্তিগত বিভিন্ন বিষয়ে জানার জন্য প্রশ্ন করবেন এবং তিনি উত্তর দিবেন। সিফাত তন্ময়ের প্রযোজনায় ‘প্রজন্মে স্বাধীনতা’ প্রচার হবে ২৬ শে মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়। এসএ/    

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সঙ্গীত উৎসব’ আজ শুরু

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হচ্ছে ‘সঙ্গীত উৎসব ২০১৯’। দু’দিনের এই তারকাবহুল উৎসব শুরু হবে আজ থেকে। এ আয়োজনে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন- সুবীর নন্দী, রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, তপন চৌধুরী, ফেরদৌস আরাসহ বরেণ্য শিল্পীরা। আয়োজকরা জানান, এ নিয়ে তৃতীয়বার উৎসব করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গীত বিভাগ। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদে সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে এ উৎসব। দেশবরেণ্য শিল্পীদের পাশাপাশি উৎসবে থাকছে ভারত ও জার্মানি থেকে আসা নৃত্যগোষ্ঠী এবং শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের শিল্পীদের পরিবেশনা। অনুষ্ঠানের আয়োজক সঙ্গীত বিভা‌গের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক অনিমা রায় বলেন, সবাইকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এবং উৎসবের পৃষ্ঠপোষকতায় যারা রয়েছেন তারাও সম্মতি জানিয়েছেন। যেহেতু এটি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সেহেতু আমরা চেষ্টা করেছি পুরনো ঢাকার এই অঞ্চলটিকে সাংস্কৃতিক বলয়ে একটি মিলনমেলা করবার। তিনি আরও বলেন, যাদের গান আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়, পথ দেখায় সেই সকল শিল্পীদের আমরা সমবেত করার চেষ্টা করেছি। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলে মেয়েরা ও শিক্ষকরা গাইবে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মঞ্জুর ইসলাম সেমিনারে প্রবন্ধ পাঠ করবেন। এছাড়া আরও থাকছে সঙ্গীত বিষয়ক আলোচনা, মঞ্চে চলবে গান। এ ছাড়া আজ সন্ধ্যা ৭টায় রবীন্দ্রনাথের নৃত্যনাট্য ‘চিত্রাঙ্গদা’ পরিবেশন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।পরিবেশন কর‌বে সঙ্গীত বিভাগ। এ‌তে সঙ্গীত পরিচালনা কর‌বেন বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক  অনিমা রায় এবং নৃত্য পরিচালনা করবেন ওয়ার্দা রিহাব।  এসএ/  

১৯ এপ্রিল অভিনয় শিল্পী সংঘের নির্বাচন

আগামী ১৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে অভিনয় শিল্পী সংঘের নির্বাচন। সংগঠনটির বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব নাসিম খবরটি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘তফসিল অনুযায়ী নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ এপ্রিল। সবকিছু ঠিক থাকলে ওই দিনই রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’ আসন্ন নির্বাচনে শিল্পীদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন ২১ জন শিল্পী। তাদের নিয়ে গঠিত হবে শিল্পী সংঘের নতুন কমিটি। এবার নির্বাচন পরিচালনার জন্য তিনজন নির্বাচন কমিশনার ও তিনজন আপিল বিভাগে থাকবেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সৈয়দ হাসান ইমাম। এবার শিল্পী সংঘের ভোটার সাড়ে আটশ’র মতো। এসএ/

ইত্যাদি এবার কুয়াকাটায়

আগুনমুখা, পায়রা ও লোহাদিয়া নদী বিধৌত পটুয়াখালী জেলার নৈসর্গিক লীলাভূমি সাগরকন্যা কুয়াকাটা। ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে কুয়াকাটা সৈকত দেশের অন্যতম নৈসর্গিক স্থান। ভৌগলিক অবস্থানের কারণে এ সৈকত থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের দৃশ্য উপভোগ করা যায়। এবার সেখানেই ধারণ করা হয়েছে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’। বেশ কিছুদিন ধরে ইতিহাস, ঐতিহ্য, সভ্যতা, সংস্কৃতি, পর্যটনশিল্প সমৃদ্ধ ও প্রাচীন নিদর্শন সমৃদ্ধ দেশের বিভিন্ন স্থানে ইত্যাদির নিয়মিত পর্বগুলো ধারণ করা হচ্ছে। সে ধারাবাহিকতায় এবারের পর্ব ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের যখন যে স্থানে ইত্যাদি ধারণ করা হয় সেই স্থানটির বৈশিষ্ট্যকে কেন্দ্র করেই সেট নির্মাণ করা হয়। এর ফলে দর্শক যেমন ওই স্থানটি সম্পর্কে জানতে পারেন, তেমনি নিত্য-নতুন লোকেশনের কারণে প্রতিবারই সেট নির্মাণেও আসে বৈচিত্র্য। এবার পেছনে সমুদ্র রেখে দু’পাশে অর্ধশতাধিক মাছ ধরার নৌকা রেখে বানানো হয়েছে সেট। কুয়াকাটার ঐতিহ্যের সঙ্গে সাদৃশ্য রেখে নির্মাণ করা আলোকিত মঞ্চে ধারণ করা হয় এবারের ইত্যাদি। দিনে-রাতে অনুষ্ঠান ধারণের যে প্রচলন ইত্যাদি শুরু করেছিল তার ধারাবাহিকতা দেখা যাবে এবারের পর্বেও। সব সময় রাতের আলোকিত মঞ্চে ইত্যাদি ধারণ করা হলেও কুয়াকাটার এ প্রাকৃতিক রূপ, সাগরের ফেনিল জলের ঢেউ রাতের বেলায় দেখানো সম্ভব নয় বলে সুন্দরবন, রাঙ্গামাটি ও কক্সবাজারের মতো এখানেও গোধূলি লগ্নে ইত্যাদির ধারণ শুরু হয়। আমন্ত্রিত দর্শক ছাড়াও অসংখ্য মানুষ আশপাশের গাছ ও রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ইত্যাদি উপভোগ করেছেন বলে জানিয়েছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফাগুন অডিও ভিশন। ইত্যাদির এ পর্ব একযোগে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচারিত হবে ২৯ মার্চ রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর। বরাবরের মতো এবারও অনুষ্ঠানটি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন। এসএ/  

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি