ঢাকা, ২০১৯-০৪-২৬ ৮:৩৩:১৬, শুক্রবার

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ‘খোকা যখন ছোট্ট ছিলেন’ গ্রাফিক নভেল প্রকাশ

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ‘খোকা যখন ছোট্ট ছিলেন’ গ্রাফিক নভেল প্রকাশ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাবা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে ‘আমার পিতা শেখ মুজিব’ শিরোনামে স্মৃতিচারণামূলক বই লিখেছেন। এবার এই বই অবলম্বনে রাকীব রাজ্জাক ও আবদুল্লাহ মামুনের চিত্রাঙ্কণে প্রকাশিত হয়েছে গ্রাফিক নভেল ‘খোকা যখন ছোট্ট ছিলেন’। একই সঙ্গে গ্রাফিক নভেলটি অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে গ্রাফিক চলচ্চিত্রও। সাজ্জাদ আহমেদের চিত্রনাট্যে এটি পরিচালনা করেছেন সুদীপ্ত সাহা। সুদীপ্ত সাহা ও সাজ্জাদ আহমেদ রচিত বইটি সম্পাদনা করেছেন জুনায়েদ হালিম ও দুরন্ত বিপ্লব। এটি প্রকাশ করেছে সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন হাসুমণির পাঠশালা। শনিবার জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী প্রদর্শনালয়ে বইটির মোড়ক উন্মোচন ও চলচ্চিত্রটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী হয়। উদ্বোধন করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এ অনুষ্ঠানে চিত্রশিল্পী জাকির হোসেন পুলকের আঁকা ‘খোকা যখন ছোট্ট ছিলেন’ শিরোনামে বঙ্গবন্ধুর শিশু-কিশোর জীবনের ২০টি সিরিজ চিত্রকর্ম প্রদর্শন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন আপসহীন নেতা। জনগণের মুক্তির লক্ষ্যে আজীবন অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করেছেন। বঙ্গবন্ধুর জীবন, আদর্শ আমাদের তার গভীর জীবনবোধ, রাজনৈতিক দর্শন এবং দেশ ও জনগণের প্রতি অপরিসীম ভালোবাসার কথাই মনে করিয়ে দেয় প্রতিনিয়ত।’ তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা জাতির জীবনে সব সময় আসে না। আমরা ধন্য যে, বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা পেয়েছিলাম। বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুণগুলো শিশুদের কোমল মনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বইটির মোড়ক উন্মোচন ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবনভিত্তিক ধারাবাহিক চিত্রকর্মের উদ্বোধন করা হয়। সেই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ওপরে বয়নকৃত সূচিশিল্পও প্রদর্শিত হচ্ছে। এ প্রদর্শনী আজ রোববার পর্যন্ত চলবে। এসএ/  
মুজিববর্ষ পালনে কর্মসূচি নেবে উপকমিটিগুলো

মুজিববর্ষ পালনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটিগুলোকে নিজেদের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উপকমিটিগুলো উৎসবমুখর ও যথাযোগ্য গুরুত্বের সঙ্গে মুজিববর্ষ পালনে কর্মসূচি পরিকল্পনা ঠিক করে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে জমা দেবে। কেন্দ্র তা চূড়ান্ত করবে। শনিবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। সভার একাধিক সূত্র এমনটা জানিয়েছে। ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সকাল ১১টায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভার সূত্রগুলো জানায়, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুসারে তৃণমূলের সংগঠনের মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটির সম্মেলন দ্রুত শেষ করার বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়। আগামী ঈদুল ফিতরের পর সম্মেলনের কাজ শুরু হবে। তবে এর আগেই আট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা দ্রুততার সঙ্গে সংগঠন গোছানোর কাজ শুরু করবেন। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহ্মুদ স্বপন বলেন, ‘কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুসারে আমরা তৃণমূলে সংগঠন গোছানোর কাজে গুরুত্ব দিচ্ছি। আগামী ২৯ এপ্রিল সকাল ১১টায় খুলনা বিভাগের সব জেলা ও মহানগরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হবে। এখানে খুলনা বিভাগে সংগঠন গোছানোর বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা ঠিক হবে।’ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী বলেন, মুজিববর্ষ পালনে আওয়ামী লীগের উপকমিটিগুলো নিজেদের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে কেন্দ্রে জমা দেবে।   এসএ/  

উদযাপন উপকমিটিতে মাশরাফি-সাকিব

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। প্রতি বছর ১৭ মার্চ বর্ণাঢ্য আয়োজনে তার জন্মদিন উদযাপন করা হয়। এই মহান নেতার জন্মশতবার্ষিকী সামনে রেখে বহুমুখী উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। যা বাস্তবায়নে কাজ করছে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি। একই সঙ্গে জন্মশতবার্ষিকী সামনে রেখে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। ইতিমধ্যে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ সুষ্ঠুভাবে উদযাপনে আটটি উপকমিটি করা হয়েছে। এর একটি হলো- ক্রীড়া ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় গঠন করেছে ২৭ সদস্যবিশিষ্ট সেই কমিটি। এতে রাখা হয়েছে দেশের দুই সেরা ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা ও সাকিব আল হাসানকে। এ ছাড়া সেটিতে দেশের বরেণ্য ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের কর্তাব্যক্তিরা রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেলের নেতৃত্বে প্রথমবারের মতো বৈঠক করেছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজক উপকমিটিও। বৈঠক শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। দেশব্যাপী ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় উৎসবমুখর পরিবেশে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। আমাদের বিশ্বাস, সবার চেষ্টা ও আন্তরিকতায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী দেশের ক্রীড়াঙ্গনে তৈরি করবে নতুন ইতিহাস। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের সব কিছু দেখভাল করবে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি। এর আগে তার জন্মশতবর্ষ সুষ্ঠুভাবে উদযাপনে আটটি বিষয়ভিত্তিক উপকমিটি গঠন করে এটি। উপকমিটিগুলো হলো- সেমিনার, ওয়ার্কশপ ও আলোচনাসভা আয়োজন; আন্তর্জাতিক কর্মসূচি ও যোগাযোগ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনী আয়োজন, প্রকাশনা ও সাহিত্য, আন্তর্জাতিক প্রকাশনা ও অনুবাদ, ক্রীড়া ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজন, মিডিয়া, প্রচার ও ডকুমেন্টেশন এবং চলচ্চিত্র ও তথ্যচিত্র। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ২০২০ সালকে ‘মুজিব বর্ষ’ হিসেবে উদযাপনের ঘোষণা আগেই দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসএ/  

জাতীয় সংসদ ‘মুজিববর্ষ’ উদযাপন করবে

২০২১ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করা হবে। এ  উপলক্ষে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ সময়কালকে ‘মুজিববর্ষ’ ঘোষণা দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ও মুজিববর্ষ উদযাপন করবে। এ ‍উপলক্ষে  উদযাপনের বিভিন্ন প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতীয় সংসদ। এর অংশ হিসেবে আগামী ২৩ এপ্রিল বেলা ১১টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ সচিবালয়ের কেবিন কক্ষে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। এ সভায় একাদশ সংসদের সংসদীয় কমিটির সব সভাপতি ও বিভিন্ন দফতরের প্রধানদের উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে। ওই সভা থেকে মুজিববর্ষ উদযাপনে সংসদ সচিবালয়ের করণীয় ঠিক করা হবে। জাতীয় সংসদ সচিবালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, জাতীয় সংসদ যথাযোগ্য মর্যাদায় মুজিববর্ষ উদযাপনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখতে চায়। এমএইচ/

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে ৮ উপকমিটি

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ সুষ্ঠুভাবে উদযাপনে আটটি বিষয়ভিত্তিক উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রথম সভায় এসব কমিটি করা হয়। তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এটি জানানো হয়েছে। সেমিনার, ওয়ার্কশপ ও আলোচনা সভা আয়োজন; আন্তর্জাতিক কর্মসূচি ও যোগাযোগ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনী আয়োজন, প্রকাশনা ও সাহিত্য, আন্তর্জাতিক প্রকাশনা ও অনুবাদ, ক্রীড়া ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজন, মিডিয়া, প্রচার ও ডকুমেন্টেশন এবং চলচ্চিত্র ও তথ্যচিত্র শিরোনামে উপ-কমিটিগুলো করা হয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপনে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীকে সভাপতি করে ১০২ সদস্যের একটি জাতীয় কমিটি এবং জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে সভাপতি করে ৬১ সদস্যের একটি বাস্তবায়ন কমিটি করে সরকার। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২০ মার্চ জাতীয় কমিটি ও বাস্তবায়ন কমিটির যৌথসভা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির কার্যালয় স্থাপন করে সেখানে কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। ‘২০২০ সালের ১৭ মার্চ হতে ২০২১ সাল পর্যন্ত বছরব্যাপী জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করতে সভায় বিস্তারিত আলোচনার পর বিষয়ভিত্তিক উপকমিটি গঠন করা হয়।’ উপ-কমিটিগুলোকে দ্রুততম সময়ে তাদের স্ব স্ব বিষয়ে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে সেগুলো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় বাজেট নির্ধারণের অনুরোধ করা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্ম নেন শেখ মুজিবুর রহমান। কালক্রমে তার হাত ধরেই ১৯৭১ সালে বিশ্ব মানচিত্রে নতুন দেশ হিসেবে স্থান করে নেয় বাংলাদেশ। আসছে ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মের শত বছর পূর্ণ হবে। আর ঠিক পরের বছর ২৬ মার্চ বাংলাদেশ উদযাপন করবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদযাপনে ২০২০ ও ২০২১ সালকে ‘মুজিব বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতবছর এক অনুষ্ঠানে বলেন, এ আয়োজনে সকল বয়স ও শ্রেণিপেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করা হবে। শিশু, তরুণ, যুবক- সকলের জন্য আলাদা কর্মসূচি থাকবে। আয়োজনের বিস্তৃতি থাকবে দেশের সকল ওয়ার্ড পর্যন্ত। জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সোমবার বাস্তবায়ন কমিটির প্রথম সভা সঞ্চালনা করেন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও সাবেক মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহ্‌মুদ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহ্‌রিয়ার আলম, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, মো. জাকির হোসেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) ট্রাস্টি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সভায় উপস্থিত ছিলেন। সংসদ সদস্য অসীম কুমার উকিল, র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী ও অ্যারোমা দত্ত; তথ্য সচিব আবদুল মালেক, ধর্ম সচিব মো. আনিছুর রহমান, সচিব, জনপ্রশাসন সচিব ফয়েজ আহম্মদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান, সংস্কৃতি সচিব মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুন নাহার, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লে. জে. মো. মাহফুজুর রহমান, মহাপুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীও ছিলেন এই সভায়। চলচ্চিত্র শিল্পী সারাহ বেগম কবরী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটর নজরুল ইসলাম খান, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক এস এম হারুন অর রশীদ, জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. রিয়াজ আহম্মদ, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক নারায়ণ চন্দ্র শীল এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক অধ্যাপক জীনাত ইমতিয়াজ আলীও সভায় অংশ নেন। বীরপ্রতীক কাজী সাজ্জাদ আলী জহির, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাশুরা হোসেন, সাংবাদিক আবেদ খান, নাট্যশিল্পী সারা যাকের, শিল্পী রফিকুন নবী, কবি মুহম্মদ নুরুল হুদা, মাছরাঙা টেলিভিশনের চেয়ারম্যান অঞ্জন চৌধুরী, লেখক-সাংবাদিক ইমদাদুল হক মিলন, চ্যানেল আই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, সাংবাদিক স্বদেশ রায়, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ, সাংবাদিক মোজাম্মেল হক বাবু, বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ,বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, সিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালক সাব্বির বিন শামস প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন। এসএ/  

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন কমিটির সভা সোমবার

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রথম সভা আজ সোমবার বিকালে রাজধানীর মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটটে ৩টার সময় অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপনে ১০২ সদস্যের একটি জাতীয় কমিটি এবং ৬১ সদস্যের একটি বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠিত জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় কমিটিতে বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা ছাড়াও স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা আছেন সদস্য হিসেবে। আওয়ামী লীগের গত সরকারের দশজন মন্ত্রী, বর্তমান সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী, ঢাকার দুই মেয়র, তিন বাহিনীর প্রধান, পুলিশ মহাপরিদর্শক, কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, দুজন সাবেক গভর্নর, বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধি এবং বেশ কয়েকজন শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীকে রাখা হয়েছে এই কমিটিতে। সাবেক মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরীকে এ কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনিই জাতীয় অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়কের ভূমিকায় থাকবেন। কয়েকজন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিব এবং সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানরা ছাড়াও শিক্ষক, স্থপতি, কবি, লেখক, প্রকাশক, সাংবাদিক, গায়ক, অভিনেতা, ক্রীড়াবিদ ও সাংস্কৃতিক কর্মীকে এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদযাপনে প্রয়োজনীয় নীতি পরিকল্পনা ও কর্মসূচি অনুমোদনের পাশাপাশি বাস্তবায়ন কমিটিকে পরামর্শ ও দিক নির্দেশনা দেবে জাতীয় কমিটি। আর বাস্তবায়ন কমিটি সার্বিক পরিকল্পনা ও বাজেট প্রণয়ন এবং জাতীয় কমিটির অনুমোদন নিয়ে তা বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকবে। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্ম নেন শেখ মুজিবুর রহমান। কালক্রমে তার হাত ধরেই ১৯৭১ সালে বিশ্ব মানচিত্রে নতুন দেশ হিসেবে স্থান করে নেয় বাংলাদেশ। ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মের শত বছর পূর্ণ হবে। আর ঠিক পরের বছর ২৬ মার্চ বাংলাদেশ উদযাপন করবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদযাপনে ২০২০ ও ২০২১ সালকে ‘মুজিব বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতবছর এক অনুষ্ঠানে বলেন, এ আয়োজনে সকল বয়স ও শ্রেণিপেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করা হবে। শিশু,তরুণ,যুবক- সবার জন্য আলাদা কর্মসূচি থাকবে। টিআর/

আজ শুরু শিশু একাডেমির বইমেলা

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ছয় দিনব্যাপী বই মেলা। রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে বিকেল ৫টায় এ মেলার উদ্বোধন করবেন জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান।  ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন, শিশুর জীবন করো রঙিন’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এ বইমেলার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি। বইমেলা ২৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং ছুটির দিন সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুন নাহার। স্বাগত বক্তব্য দেবেন বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিলন কান্তি নাথ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। মেলামঞ্চে প্রতিদিন থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, লেখক-পাঠক কথোপকথন, সিসিমপুরের বিশেষ শো এবং আমন্ত্রিত ছড়াকারদের ছড়াপাঠ। এসএ/  

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করেই শিশুরা বেড়ে উঠবে : শিক্ষা উপ-মন্ত্রী

জাতির পিতা তাঁর অবিসংবাদিত নেতৃত্বের মাধ্যমে জেল-জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতন, কারাবরণ সহ্য করেই আমাদের শিশুদের জন্য এক স্বপ্নময় স্বাধীন-স্বার্বভৌম বাংলাদেশ উপহার দিয়ে গেছেন। তাই দেশ ও বিদেশে সকল বাঙালি শিশুরা জাতির পিতার আদর্শ বুকে ধারণ করেই বেড়ে উঠবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন শিক্ষা উপ-মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। গত (১৭ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস সম্পর্কিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকার শিশুরা যেভাবে নেলসন ম্যান্ডেলাকে জানবে, ভারতের শিশুরা যেভাবে মহাত্মা গান্ধীকে জানবে, ঠিক তেমনিভাবেই বাংলাদেশের শিশুরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জানবে। গত রোববার (১৭ মার্চ) নিউইয়র্কের একটি রেস্তোরায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা উপ-মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবনের উপর আলোকপাত করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শামসুদ্দিন আজাদ। এসময় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া করা হয়। কেআই/  

বঙ্গবন্ধু মানুষের প্রাণের স্পন্দন বুঝতেন

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু বলেছেন,‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একজন অবিসংবাদিত নেতা। তাঁর সঙ্গে অন্য কারো তুলনা চলে না। তিনি রাজনীতির কবি ছিলেন। তৃণমূলের মানুষের প্রাণের স্পন্দন বুঝতেন। তিনি বলেন, তিনি অসহায়, নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি শোষিত মানুষের প্রকৃত বন্ধু হয়ে উঠেছিলেন। এজন্য তিনি ইতিহাসে অম্লান হয়ে থাকবেন।    মঙ্গলবার বিকালে প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের আয়োজনে ‘মানবিক বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ সব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত প্রগতির চাকা পেছনের দিকে নিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ সরকার  ১৯৯৬ সালে ক্ষমতা আসার পর দেশে স্বর্ণযুগ নিয়ে এসেছিল। কিন্তু ২০০১ সালে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের কারণে ক্ষমতা হারায় দলটি। কিন্তু আবার ২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে দিকে নিয়ে গেছেন। সেই সাথে প্রগতির চাকা সামনের দিকে নিয়ে গেছেন। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মাতৃকালীন ভাতা দিচ্ছে। তাছাড়া ২০২০ সালের মধ্যে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেবে। গ্রামের হত দরিদ্র মানুষের ১০ টাকা কেজি দরে চাল দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী কাউকে আশ্রয়হীন রাখবেন না। যার দুই শতক জমি আছে তাদেরকে সরকারের পক্ষে ১ লক্ষ টাকা দিয়ে আবাসন ব্যবস্থা করে দেওয়া হচ্ছে। আওয়ামী লীগ আরও দশ বছর ক্ষমতায় থাকলে দেশ সমৃদ্ধি পথে এগিয়ে যাবে। যার ফলে আমরা এশিয়ার বুকে শ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারব। এছাড়া কৃষি অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমীন, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ফয়সাল আহসানউল্লাহ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সেমিনারে বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের আহবায়ক অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানের সভাপতিত্বে কলামিস্ট অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাস স্বাগত বক্তব্য এবং রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। কেআই/

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকা’র চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস পালন করেছে চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকা’। এই উপলক্ষে (১৭ মার্চ) রোববার সকাল ৯টা থেকে রাজধানীর ৩২ তোপখানা রোডের চট্টগ্রাম ভবনে শিশু কিশোরদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। এতে প্রায় দুই শতাধিক প্রতিযোগী ও তাদের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে পুরো ভবন মুখরিত হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠান হল সাজানো হয়েছে রঙ-বেরঙয়ের বেলুন দিয়ে। ছবি এঁকে শিশুরা পেয়েছে পুরস্কার। অংশগ্রহণকারী সকল প্রতিযোগিকেই দেওয়া হয়েছে বিশেষ পুরস্কার, নানান উপহার এবং বেঙ্গল বিস্কুটের সৌজন্যে বেঙ্গল বিস্কুট। সাবেক নির্বাচন কমিশনার ও চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকা’র সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল মোবারকের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদের ছাপচিত্র বিভাগের অধ্যাপক শিল্পী আবুল বারক্ আলভী এবং প্রধান বিচারক হিসেবে চট্টগ্রাম চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা-অধ্যক্ষ ও টইটম্বুরের উপদেষ্টা শিল্পী সবিহ্-উল আলম উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সমিতির মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার সদস্য-সচিব এডভোকেট আনিচ উল মাওয়া (আরজু) এবং জীবন সদস্য ও বিশিষ্ট আর্টিস্ট কল্লোল বড়ুয়া। প্রধান অতিথিকে ক্রেস্ট প্রদান ও প্রধান বিচারককে ফুল দিয়ে বরণ করেন সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল মোবারক এবং অন্যান্য বিচারকবৃন্দকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান সমিতির সহসভাপতি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আহবায়ক নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল মাবুদ। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল মাবুদ বলেন, ‘জাতীয় শিশু দিবসে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা সকল শিশু-কিশোরদের উন্মুক্ত ও তাদের মেধা বিকাশের একটি প্লাটফরম। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর জন্ম দিনের কেক কাটা হয় এবং আজকে যাদের জন্মদিন তাদেরও জন্মদিনের উৎসব পালন করা হয়। আজকে যাঁরা এই চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে আয়োজনকে সুন্দর ও সার্থক করে তুলেছে এবং যাঁরা এর আয়োজনে সহযোগিতা করেছেন তাঁদের, অভিভাবক ও জীবন সদস্যসহ উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।’ শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন প্রতিযোগিতার আহবায়ক ও নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু একটি মহান আদর্শের নাম। তাঁর জন্ম না হলে বাংলাদেশ সৃষ্টি হতো না। আমরা স্বাধীনতা পেতাম না। তাঁর জন্মদিনে এই প্রতিযোগিতা আয়োজনে গর্ববোধ করি। প্রধান বিচারক বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী সবিহ্ উল আলম বলেন- ‘শিশুরা হচ্ছে ফুলের মত, ছবি আঁকার মাধ্যমে শিশুরা তাদের মনের বিকাশ ও সৃজনশীলতা ফুটিয়ে তোলে। তিনি উপমা দেন যে, কোনো বস্তু প্রারম্ভিক সময়ে আঘাত পেলে পরবর্তী সময়ে তা ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে এক জায়গায় স্থির হয়,অকেজো হয়ে যায়; তেমনি শিশুর মনকে যদি আঘাত করা হয় বা বিকশিত হতে না দেয়া হয় তাহলে একটা সময় পর তার আর কিছুই হবে না। আমি মনে করি, চিত্রাঙ্কনই শিশুকে বিকশিত ও সৃজনশীল করে তুলবে।’ প্রধান অতিথি শিল্পী আবুল বারক্ আলভী তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন,‘প্রিয় শিশু-কিশোর সোনামণিারা, আজ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে তোমরা তাঁর মতো বড় হও।`  সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল মোবারক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় উপস্থিত শিশু-কিশোর ও অভিাভবকদের উদ্দেশে বলেন, ‘চিত্রাঙ্কন এমন একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য যার মাধ্যমে আপনি পৃথিবীর বুকে অমরত্ব লাভ করতে পারবেন। এই পৃথিবীতে এমন কিছু কিছু লোক আছে যাঁরা শ্রেষ্ঠত্ব ও অমরত্ব লাভ করেছেন। যেমন- লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি বিখ্যাত চিত্রকর। তেমনি কণ্ঠশিল্পী হয়েও পৃথিবীতে অমর যায়। তাই চিত্রাঙ্কন কোনো ফালতু জিনিস নয়। এটিও বড় হওয়ার একটি সোপান।” তিনি আজকের অনুষ্ঠানে কষ্ট স্বীকার করে আসার জন্য সকলে প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সভাপতি আবু আলম চৌধুরী, রেজাউল হক চৌধুরী মুশতাক, মো. আবদুল করিম, উপদেষ্টা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান ড. দীপক কান্তি চৌধুরী, হাসপাতাল কমিটির সদস্য-সচিব মো. মহিউল ইসলাম মহিম, নির্বাহী পরিষদের সহ-সভাপতি জয়নুল আবেদিন জামাল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. সাইফুদ্দিন আহমদ (বাবুল), শফিকুর রহমান শফিক, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফরিদুল আলম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এম. ওয়াহিদ উল্লাহ, স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. মামুনুর রশীদ রাসেল, নির্বাহী সদস্য মো. শাহাদাত হোসেন চৌধুরী (হিরো), মোহাম্মদ মনসুর আলী চৌধুরী, মো. কামাল হোসেন তালুকদার, আহমদ মমতাজ, মোস্তফা ইকবাল চৌধুরী (মুকুল), মো. গিয়াস উদ্দীন চৌধুরী প্রমুখ। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দসহ সমিতির উল্লেখযোগ্য জীবন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। কেআই/

শিল্পকলায় বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত

‘জাতির পতাকা হাতে স্পন্দিত বুকে মনে হয় আমরাই মুজিব’ শ্লোগানকে সামনে রেখে পালিত হয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয়েছে। রোববার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে দেশব্যাপী গবেষণা ভিত্তিক শিল্পযাত্রা ‘শিল্পের আলোয় বঙ্গবন্ধু’র জন্মশতবর্ষ শীর্ষক দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রায় দুই’শ শিশুর অংশগ্রহণে সকাল ১১টায় একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা প্লাজায় শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার মধ্যদিয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান শুরু হয়। এর আগে সকাল ৯টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে একাডেমির সচিব ড.কাজী আসাদু্জ্জামান এর নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান একাডেমির সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। বিকাল ৩টা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দিনব্যপী আয়োজনে ছিলো শিশুদের জন্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, শিশুদের আনন্দযোজ্ঞ, পিপলস্ লিলট থিয়েটারের পরিবেশনায় নাটক মুজিব মানে মুক্তি, শতবর্ষের শিল্পযাত্রা ক্যানভাসে শিশুদের ছবি আঁকা, শিশুদের সম্মেলক ও একক গান, গল্পে গল্পে বঙ্গবন্ধু, শিশুদের জন্য বড়দের সংগীত ও নৃত্যানুষ্ঠান, অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে রচিত সকল গ্রন্থ সংগ্রহ ও একাডেমির গ্রন্থাগারে বঙ্গবন্ধু কর্ণার উদ্বোধন করা হয়। শিশুতোষ চলচ্চিত্র প্রদর্শনী-দিনব্যাপী আয়োজনে ছিলো চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। শিশুতোষ চলচ্চিত্র ও বঙ্গবন্ধুর উপর নির্মিত ছয়টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়। বিকাল ৪টায় একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে প্রদর্শনী শুরু হয়। শিশুতোষ চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে জামসেদুর রহমান সজীব এর ‘বাড়ি ফেরা’, রহমান লেলিন এর ‘মন ফড়িং’, তারেক আজিজ নিশক এর ‘সমান্তরাল যাত্রা’, মো. তাওকীর ইসলাম এর আয়না, লুসি তৃপ্তি গোমেজ এর ‘ডাকঘর’, এবং আবদুল্লাহ আল হারুন এর বঙ্গবন্ধুর উপর নির্মিত চলচ্চিত্র ‘আমাদের বঙ্গবন্ধু’। প্রদর্শনী শেষ হয় সাড়ে ছয়টায়। একাডেমির গ্রন্থাগারে বঙ্গবন্ধু কর্ণার উদ্বোধন করেন একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। ১৭ মার্চ বিকেল ৩ টায় একাডেমির গ্রন্থাগারে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে রচিত গ্রন্থের সংগ্রহ নিয়ে বঙ্গবন্ধু কর্ণার-এর উদ্বোধন করেন। বঙ্গবন্ধুর সাধারণ জীবনযাপনের কথা স্বরণ করে বলেন মহাপরিচালক বলেন, ‘যার কারণে পৃথিবীর ভৃখণ্ডে নিজস্ব ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি নিয়ে আমরা মাথা তুলে দাড়িয়েছি। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৯৯ বছর আগে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাকে নিয়ে প্রায় ১২’শ গ্রন্থ রচিত হয়েছে। সবগুলো সংগ্রহের কাজ চলছে। এর মধ্যে তিনশত বই এর সংগ্রহ নিয়ে আমরা শুরু করলাম বঙ্গবন্ধু কর্ণার।’ তিনি উপস্থিত শিশুকিশোরদেরকে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে রচিত বই পড়ার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য,আমাদের ইতিহাস ঐতিহ্য ও শিল্প-সংস্কৃতির বিষয় ভিত্তিক বইয়ের সংগ্রহ নিয়ে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির গ্রন্থাগার প্রতিদিন ৯টা থেকে ৫টা পর্য্যন্ত জনসাধারণের খোলা থাকে। সাংস্কৃতিক পরিবেশনা-জাতীয় চিত্রশালা প্লাজায় বিকাল ৩টা থেকে শুরু হয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। শিশুদের উদ্দেশ্যে উৎসাহমূলক বক্তব্য রাখেন মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। এরপর পিপলস লিটল থিয়েটারের নাটক ‘মুজিব মানে মুক্তি’ পরিবেশিত হয়। সম্মেলক গান পরিবেশন করে মাস্টার মাইন্ড স্কুল, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ এর রমনা শাখা, বীরশ্রেষ্ঠ নুর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ, আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল, মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল, উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, হলিক্রস কলেজ, ম্যপললীফ ইন্টা. স্কুল, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সংগীত দলের শিক্ষার্থীবৃন্দ। নৃত্য পরিবেশন করে দীব্য নৃত্যকলা কেন্দ্র ও একাডেমির নৃত্যদল। একাডেমির শিশু অ্যাক্রোবেটিক দলের পরিবেশনায় অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। একক গান পরিবেশন করে শিশুশিল্পী সুরাইয়া আক্তার সুবর্ণা, রাইয়ান বিনতে হাবিব, ওয়াজিউর রহমান, সৃজনী সরকার জিতু ও গুনগুন। কেআই/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি