ঢাকা, ২০১৯-০৬-২০ ২০:০১:৪৭, বৃহস্পতিবার

বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ জাপানি ভাষায় প্রকাশ

বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ জাপানি ভাষায় প্রকাশ

এবার জাপানি ভাষায় প্রকাশ পেয়েছে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অগ্নিঝরা ভাষণ। ঐতিহাসিক সেই ভাষণের জাপানি অনুবাদ প্রকাশ করেছে জাপানের টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। ভাষণটি ইংরেজি ছাড়া অন্য যে-কোনো বিদেশি ভাষা হিসেবে জাপানিতেই প্রথম অনুবাদ করা হলো। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২৯ মে জাপান সফরের সময় জাপানের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে একটি গোলটেবিল সভা করেন। সেই সভায় প্রধানমন্ত্রী জাপানি ভাষায় অনুবাদকৃত ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণের পুস্তিকা উন্মুক্ত করেন এবং জাপানি ব্যবসায়ীসহ উপস্থিত সকলের মধ্যে বিতরণ করেন। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতার প্রমাণ ৭ই মার্চের ভাষণ, যার মাধ্যমে তিনি স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন, সেই ভাষণের মর্মার্থ জাপানিদের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে পুস্তিকাটি জাপানের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে বিতরণ করা হবে। উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ ও গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ প্রথম বিদেশি ভাষা হিসেবে জাপানি ভাষায় অনুবাদ করে প্রচার করা হয়েছে। ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে গ্রাফিক নভেল মুজিবের জাপানি অনুবাদ উন্মুক্ত করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ রেহানা এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের স্ত্রী মিজ আকি আবে। নভেলটি জাপানের বিভিন্ন স্কুলে পাঠ করে শোনানো হয় এবং বিতরণ করা হয়। এসএ/  
মুজিব বর্ষেই মুক্তি পাবে জাতির পিতার জীবনী

মুজিব বর্ষেই মুক্তি পাবে জাতির পিতার জীবনী নিয়ে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। এরই মধ্যে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তিও হয়ে গেছে। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করবেন উপমহাদেশের বিখ্যাত পরিচালক শ্যাম বেনেগাল। বঙ্গবন্ধুর চরিত্রসহ অন্য চরিত্রে কারা থাকছেন তা ঠিক না হলেও শ্যুটিং স্পট নির্ধারণের কাজ চলছে। গোপালগঞ্জের পাটগতি ইউনিয়নের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্ম। ডাক নাম খোকা। ভালো নাম শেখ মুজিবুর রহমান। বাবা শেখ লুৎফর রহমান ও মা সায়েরা খাতুনের চার মেয়ে ও দুই ছেলের সংসারে তিনি তৃতীয়। মধুমতি পাড়ে দৌড়াদৌড়ি আর খেলাধুলায় কেটেছে শৈশব। প্রাথমিক শিক্ষা গিমেডাঙা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পরে গোপালগঞ্জ পাবলিক স্কুলে ভর্তি হন। গোপালগঞ্জ মিশনারি স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন। ১৯৪২ সালে ভর্তি হন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত, ইসলামিয়া কলেজে। জড়িয়ে পড়েন সক্রিয় রাজনীতিতে। দেশ বিভাগের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তিন হন ১৯৪৮ সালে। ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠা করেন পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারীদের আন্দোলনে যোগ দিয়ে বহিস্কার হন শেখ মুজিব। ৪৯ সালের ২৩ জুন গঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি। পরে আওয়ামী লীগের সভাপতি হন শেখ মুজিবুর রহমান। পাকিস্তানি শোষন বঞ্চনা থেকে বাঙালির মুক্তির জন্য ৬৬ তে ছয় দফা দেন। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুকে ফাঁসি দেয়ার ষড়যন্ত্র রুখে দেয় ছাত্র-জনতা। বঙালির ঠিকানা হয়ে উঠে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর। সেখান থেকেই আসে আন্দোলন সংগ্রামের সব নির্দেশনা। ঐতিহাসিক ৭ই মার্চে রেসকোর্স ময়দানে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন বঙ্গবন্ধু। নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি ছিনিয়ে আনে স্বাধীনতার লাল সূর্য। জাতিরপিতার জীবনী নিয়েই বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হচ্ছে চলচ্চিত্র। কাজ শুরু হবে আর কিছু দিনের মধ্যেই। সিনেমার নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল। চিত্রনাট্য লিখবেন অতুল তিওয়ারি ও শামা জায়েদি। তারা দু’জনই বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত ধানমন্ডি ৩২ নম্বর, রোজগার্ডেন, রেসকোর্স ময়দান, ঢাকা ক্যান্টনমেন্টসহ দেশের নানা স্থান ঘুরছেন। এ বিষয়ে কথা বলেন, চলচ্চিত্রটি নির্মাণ পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক উপদেষ্টা ডক্টর গওহর রিজভী। এরইমধ্যে দুইদেশের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে জানান তিনি। চলচ্চিত্রটি নতুন প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানাবে বলে জানালেন ড. রিজভী। চলচ্চিত্রটির বেশিরভাগ চরিত্রে অভিনয় করবেন বাংলাদেশি শিল্পীরা। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে : এসএ/    

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ বাংলাদেশে

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১২তম আসর গত বছরের সেপ্টেম্বরে হয়েছিল ঢাকায়। আর সেই হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বকাপখ্যাত টুর্নামেন্টের পরবর্তী আসর হওয়ার কথা ভারতে। কিন্তু আগামী বছর আবার সাফ আয়োজন করতে চাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এ টুর্নামেন্টটি টানা দ্বিতীয়বারের মতো করতে চাচ্ছে বাফুফে। সদস্য দেশগুলোর মৌখিক সমর্থনও পাওয়া গেছে। তাই সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছর সাফের ১৩তম আসর বসতে যাচ্ছে বাংলাদেশে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২০ সালকে ‘মুজিব বর্ষ’ হিসেবে উদযাপনের ঘোষণা দিয়েছেন। তাই বছরব্যাপী নানা আয়োজনে পালিত হবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। আর এ আয়োজনের একটা বড় অংশ জুড়েই থাকবে খেলাধুলা। ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক নানা টুর্নামেন্ট হবে ওই বছর। আগামী বছর ১৭ মার্চ থেকে পরের বছর ১৭ মার্চ পর্যন্ত উদযাপিত হবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী। সূত্র জানিয়েছে, বঙ্গবন্ধু সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ, দুটি ইউরোপের দল নিয়ে প্রীতি ম্যাচের পাশাপাশি ঘরোয়াভাবেও বঙ্গবন্ধুর নামে টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা আছে বাফুফের। এর মধ্যে ৮ টি বিভাগীয় দল নিয়ে ঢাকা ও সিলেটে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে নামে আরও একটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের বিষয়টিও পরিকল্পনায় রেখেছে বাফুফে। প্রসঙ্গত, এর আগে ২০০৩, ২০০৯ ও ২০১৮ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বকাপ ফুটবল’ খ্যাত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আসর। একে//

‘বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে যোগ দেবে ভয়েস অব আমেরিকা’

২০২০ সালের ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’র জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বিশ্বব্যাপী প্রচার কার্যক্রমে যোগ দেবে জনপ্রিয় বেতার মাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকা। আজ দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য সচিব আবদুল মালেকের সঙ্গে বাংলাদেশ সফররত ভয়েস অব আমেরিকার আঞ্চলিক বিপণন পরিচালক ড. জয়েস গোহ এবং দক্ষিণ এশিয়া বাণিজ্য প্রসার প্রতিনিধি মনোজ রায় এর বৈঠকে এ বিষয়ে ঐকমত্য হয়। ১৯৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশ্ব গণমাধ্যম সংস্থাটি গত ৬১ বছর ধরে বাংলায় অনুষ্ঠান প্রচার করে বাংলা ভাষাভাষীদের কাছে যে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে, তার প্রশংসা করে তথ্যসচিব বলেন, ‘আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্বব্যাপী প্রচার কার্যক্রমে বিবিসি, এনএইচকে ও অন্যান্য বৈশ্বিক গণমাধ্যমের পাশাপাশি ভয়েস অব আমেরিকার সহযোগিতাও কামনা করি। ভয়েস অব আমেরিকার প্রতিনিধিরা এবিষয়ে তাদের সংস্থার পূর্ণ সহযোগিতার নিশ্চয়তা দেন। সচিব আবদুল মালেক উত্থাপিত প্রস্তাব অনুযায়ী ড. জয়েস গোহ এবং মনোজ রায় জানান, ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সনের ১৭ মার্চ পর্যন্ত ‘মুজিব বর্ষ’ ঘোষিত এক বছর নিয়মিতভাবে বঙ্গবন্ধুর ওপর বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রচারের ব্যবস্থা নেবে ভয়েস অব আমেরিকা। তথ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য ও জনসংযোগ অফিসার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এসএইচ/

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী

আগামী ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী বাংলা ও বাঙালির ইতিহাসে আলাদা রকম মহিমাময় এক মাহেন্দ্রক্ষণ। বছরব্যাপী স্বতঃস্ফূর্ত এবং প্রাণবন্ত আয়োজনে এই উৎসব উদ্যাপিত হবে। এ জন্য আমরা সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। এ বছর আমাদের জীবন অভিজ্ঞতার অসাধারণ অংশ হয়ে থাকবে। সরকার এরই মধ্যে এ লক্ষ্যে দুটি কমিটি গঠন করেছে, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন জাতীয় কমিটি’ এবং ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’। এই দুই কমিটিতে রাষ্ট্র ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্টজন, যেমন—স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষাবিদ, শিল্প-সংস্কৃতি-ক্রীড়া ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এবং ধর্মীয় নেতারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন জাতীয় কমিটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপনের কর্মসূচি সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করছে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি। এ কমিটি জাতীয় কমিটির সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনার আলোকে সার্বিক কার্যক্রম গ্রহণ করবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বাস্তবায়ন কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করছে। এরই মধ্যে এসংক্রান্ত আটটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিগুলো বিবিধ পরিকল্পনা ও কর্মসূচি গ্রহণের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে। সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুই কমিটির প্রথম যৌথ সভা করেছেন। এ সভায় উপস্থিত সদস্যরা দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা করেছেন, বছরব্যাপী উৎসব আয়োজন বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়েছেন এবং অভিমত ব্যক্ত করেছেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই জন্মশতবার্ষিকী একটি বিশেষ সময়কালের অর্জন ও গৌরবের সঙ্গে যুক্ত। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর সুগভীর তাৎপর্যের সঙ্গে এ সময় যোগ হবে উন্নয়ন ও অগ্রগতির কয়েকটি মাইলফলক। বঙ্গবন্ধু একটি সমৃদ্ধ সোনার বাংলার স্বপ্নযাত্রা শুরু করেছিলেন। তাঁর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সেই স্বপ্নযাত্রা গতি পেয়েছে। আজ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের নানা বৈশ্বিক সূচকে বাংলাদেশ বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে আছে। দেশে যে কয়টি মাইলফলক এ সময় অতিক্রান্ত হবে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী, ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং মধ্যম আয়ের বাংলাদেশ। এসবই বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ও প্রত্যয়ের ধারাবাহিকতার দৃষ্টান্ত। এ বিষয়গুলো নিয়ে বহু লেখা হয়েছে। আমি সংক্ষিপ্ত পরিসরে বিস্তারিত উল্লেখের দিকে যাচ্ছি না। জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন ও সরকারি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের এই মেলবন্ধনের ইতিহাস সম্ভবত অন্য কোনো দেশে খুঁজে পাওয়া যাবে না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০১৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে বলা হয়েছে, ‘মহান স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ পূর্তির দ্বারপ্রান্তে উপনীত আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালনকালে সুখী-সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে রূপকল্প ২০২১ সফলভাবে সম্পন্ন করা জাতির কাছে আমাদের অঙ্গীকার।’ জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদ্‌যাপন এ দুটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সঙ্গে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যয়কে যুক্ত করা হয়েছে, যা এ উৎসব আয়োজনকে সুদূরপ্রসারী তাৎপর্যে অভিষিক্ত করবে। জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন পৃথিবীতে নতুন ঘটনা নয়। এর আগেও অনেক বিখ্যাতজনের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন সম্পর্কে আমরা জানি। বর্তমানে ভারতে মহাত্মা গান্ধীর ১৫০তম জন্মশতবার্ষিকীর উদ্‌যাপন চলছে। মহাত্মা গান্ধী জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর। এ উপলক্ষে ভারতেও বিভিন্ন কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং উদ্যাপিত হচ্ছে। এর আগে শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীর জন্মশতবার্ষিকীও উদ্‌যাপন করা হয়েছে। তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৯১৭ সালের ১৯ নভেম্বর। দক্ষিণ আফ্রিকার নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মশতবার্ষিকী কিছুদিন আগে উদ্যাপিত হলো। নিকট অতীতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশত জন্মবার্ষিকী ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে উদ্‌যাপন করা হয়েছে। জনগণ ইতিহাসের চালিকাশক্তি। কিন্তু ব্যক্তির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিজ গুণে, সক্ষমতায়, সাহস ও মেধার অসাধারণ দীপ্তিতে এবং আন্দোলন-সংগ্রামের দীর্ঘ ও কষ্টকর পথ পেরিয়ে কোনো কোনো ব্যক্তি আবির্ভূত হন জাতির কণ্ঠস্বর হিসেবে। জনতার অভিপ্রায়, আকাঙ্ক্ষা ও স্বপ্ন ধারণ করে জাতিকে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ও মুক্তির নতুন দিগন্তের সন্ধান দেন তাঁরা। পৃথিবীর ইতিহাসে আমরা এ রকম অনেক মহামানব সম্পর্কে জানি। বঙ্গবন্ধু তাঁর সাহস, অনমনীয় দৃঢ়তা ও অসাধারণ বাগ্মিতার অভূতপূর্ব সমন্বয়ে বাঙালির শ্রেষ্ঠতম নেতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। জেল, জুলুম, অত্যাচার কিছুই তাঁকে বাঙালির মুক্তির স্বপ্নযাত্রা থেকে বিরত রাখতে পারেনি। সম্প্রতি জেলখানা থেকে প্রকাশিত একটি গ্রন্থে দেখা যায়, তিন হাজার ৫৩ দিন তিনি জেলখানায় অতিবাহিত করেছেন। সেই যে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ ভাষা আন্দোলনকালে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন, এর পর থেকে জেলখানাই হয়ে উঠেছিল তাঁর নিত্য আবাসস্থল। ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ ও ‘কারাগারের রোজনামচা’ এ দুটি অসাধারণ গ্রন্থে এবং সম্প্রতি প্রকাশিত তাঁর ‘Secret Documents of Intelligence Branch on Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman’ গ্রন্থে আমরা এসব দিনের অনেক খুঁটিনাটি সম্পর্কে জানতে পারি। বঙ্গবন্ধু সাধারণ মানুষ থেকে অসাধারণ উচ্চতায় আসীন হয়েছেন। রূপান্তরিত হয়েছেন ব্যক্তি থেকে সমষ্টিতে। তাঁর ৭ই মার্চের ভাষণ আজ ইউনেসকোর মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত। এ ভাষণ বাঙালির ইতিহাসের বাঁকবদলের ভাষণ। কারণ এর আগে বাঙালিকে কেউ এভাবে ঐক্যবদ্ধ করতে পারেনি, কেউ এভাবে স্বাধীনতার ডাক দেয়নি। তাঁর ডাকেই বাঙালি ঝাঁপিয়ে পড়েছিল দেশমাতৃকার শৃঙ্খলমোচনে। এ ভাষণ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ যুদ্ধাবস্থার ভাষণ। একদিকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর রক্তচক্ষু ও তাদের ট্যাংক-কামান প্রস্তুত, অন্যদিকে নিরস্ত্র বাঙালির হৃদয়ে স্বাধীনতার আগুন জ্বালিয়ে দিচ্ছেন অকুতোভয় এক মহানায়ক। ৭ই মার্চের অগ্নিগর্ভ ভাষণে তিনি আবির্ভূত হয়েছেন জাতির একমাত্র প্রতীক হিসেবে। সেদিন তিনি শুধু ব্যক্তি নন, শুধু নেতা নন, বাঙালি জাতিসত্তার হাজার বছরের অতিক্রান্ত ইতিহাসকে ধারণ করে নিজেই রূপান্তরিত হয়েছেন জনতার কণ্ঠস্বরে। প্রথম সার্বভৌম বাঙালি হিসেবে জনতার শক্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার উদাহরণও তিনি সৃষ্টি করেছেন। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে ধ্বংসস্তূপ থেকে পৌরাণিক ফিনিক্স পাখির মতো তাঁর নেতৃত্বে জেগে উঠেছিল নতুন দেশ। আরাধ্য সোনার বাংলা গঠনের লক্ষ্যে দ্বিতীয় বিপ্লবের স্বপ্নযাত্রা শুরু করেছিলেন তিনি। ঘাতকের বুলেটে তাঁর মহাপ্রয়াণ ঘটেছে। কিন্তু আমাদের জীবনাচরণে, প্রাত্যহিকতায় চিরকালীন বাতিঘরের মতো তিনি সমুজ্জ্বল। নতুন প্রজন্মের কাছে তিনি প্রতি মুহূর্তে আবির্ভূত হচ্ছেন প্রেরণার দীপশিখা হিসেবে। আজ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের যে অভিযাত্রা, সেখানে তিনিই সাহস ও আলোকবর্তিকা। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী তাই বাঙালির কাছে নিছক জন্মদিন নয়, বাঙালির কাছে মুক্তিদাতার প্রতি সম্মান জানানোর বিরল সুযোগের দিন। সেই সঙ্গে যে জাতিকে তিনি সৃষ্টি করেছেন, তার অবয়ব দিয়েছেন এবং বিশ্বসত্তার গর্বিত অংশে রূপায়িত করেছেন, তাঁর প্রতি সেই জাতির সম্মিলিত কৃতজ্ঞতা প্রকাশেরও সময় এটি। জীবদ্দশায় তিনি শোষিতের নেতা হিসেবে সারা বিশ্বে পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন। ফিদেল কাস্ত্রোর মতো বিশ্বনায়কের চোখেও তিনি ছিলেন হিমালয়। বিশ্ব মিডিয়ায় তিনি ছিলেন ‘রাজনীতির কবি’ হিসেবে নন্দিত। বঙ্গবন্ধু যুগপৎ জাতির নেতা এবং বিশ্বনেতা। এই জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপনের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের মানুষ ও বিশ্বের মুক্তিকামী, স্বাধীনতাকামী মানুষ বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানাবে, ভালোবাসা জানাবে। আমরা আশা করি, এ আয়োজন একদিকে হবে গৌরবের নিরিখে ইতিহাসের উত্তরাধিকার এবং অন্যদিকে স্মৃতিময় ও উৎসবমুখর। আমাদের প্রত্যাশা, তরুণ প্রজন্ম ব্যাপক হারে এ আয়োজনে সম্পৃক্ত হবে। তাঁর জীবনেতিহাস থেকে পাঠ নিয়ে আগামী দিনের বাংলাদেশের কুশীলব হিসেবে তারা আবির্ভূত হবে। বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের সূচনা করেছিলেন এই দেশে। আজ পৃথিবী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিস্ময়কর অগ্রগতিতে চতুর্থ বিপ্লবের দ্বারপ্রান্তে উপনীত। উদ্ভাবনা ও অগ্রগতির এই বিস্ময়কর যাত্রার সঙ্গে আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের পাঠ বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ ও উন্নত দেশে পরিণত করতে সহায়ক হবে। বঙ্গবন্ধু আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য। তিনি আমাদের অতীত, বর্তমান ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। বাংলাদেশ সেই উজ্জ্বলতার আলোকসম্পাতে আলোকিত হবে—বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন আয়োজনের প্রাক্কালে এই আমাদের প্রত্যাশা। লেখক : কবি, সাবেক মুখ্য সচিব ও সদস্যসচিব, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন জাতীয় কমিটি এসএ/

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ‘খোকা যখন ছোট্ট ছিলেন’ গ্রাফিক নভেল প্রকাশ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাবা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে ‘আমার পিতা শেখ মুজিব’ শিরোনামে স্মৃতিচারণামূলক বই লিখেছেন। এবার এই বই অবলম্বনে রাকীব রাজ্জাক ও আবদুল্লাহ মামুনের চিত্রাঙ্কণে প্রকাশিত হয়েছে গ্রাফিক নভেল ‘খোকা যখন ছোট্ট ছিলেন’। একই সঙ্গে গ্রাফিক নভেলটি অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে গ্রাফিক চলচ্চিত্রও। সাজ্জাদ আহমেদের চিত্রনাট্যে এটি পরিচালনা করেছেন সুদীপ্ত সাহা। সুদীপ্ত সাহা ও সাজ্জাদ আহমেদ রচিত বইটি সম্পাদনা করেছেন জুনায়েদ হালিম ও দুরন্ত বিপ্লব। এটি প্রকাশ করেছে সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন হাসুমণির পাঠশালা। শনিবার জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী প্রদর্শনালয়ে বইটির মোড়ক উন্মোচন ও চলচ্চিত্রটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী হয়। উদ্বোধন করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এ অনুষ্ঠানে চিত্রশিল্পী জাকির হোসেন পুলকের আঁকা ‘খোকা যখন ছোট্ট ছিলেন’ শিরোনামে বঙ্গবন্ধুর শিশু-কিশোর জীবনের ২০টি সিরিজ চিত্রকর্ম প্রদর্শন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন আপসহীন নেতা। জনগণের মুক্তির লক্ষ্যে আজীবন অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করেছেন। বঙ্গবন্ধুর জীবন, আদর্শ আমাদের তার গভীর জীবনবোধ, রাজনৈতিক দর্শন এবং দেশ ও জনগণের প্রতি অপরিসীম ভালোবাসার কথাই মনে করিয়ে দেয় প্রতিনিয়ত।’ তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা জাতির জীবনে সব সময় আসে না। আমরা ধন্য যে, বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা পেয়েছিলাম। বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুণগুলো শিশুদের কোমল মনে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বইটির মোড়ক উন্মোচন ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবনভিত্তিক ধারাবাহিক চিত্রকর্মের উদ্বোধন করা হয়। সেই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ওপরে বয়নকৃত সূচিশিল্পও প্রদর্শিত হচ্ছে। এ প্রদর্শনী আজ রোববার পর্যন্ত চলবে। এসএ/  

মুজিববর্ষ পালনে কর্মসূচি নেবে উপকমিটিগুলো

মুজিববর্ষ পালনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটিগুলোকে নিজেদের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উপকমিটিগুলো উৎসবমুখর ও যথাযোগ্য গুরুত্বের সঙ্গে মুজিববর্ষ পালনে কর্মসূচি পরিকল্পনা ঠিক করে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে জমা দেবে। কেন্দ্র তা চূড়ান্ত করবে। শনিবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। সভার একাধিক সূত্র এমনটা জানিয়েছে। ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সকাল ১১টায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভার সূত্রগুলো জানায়, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুসারে তৃণমূলের সংগঠনের মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটির সম্মেলন দ্রুত শেষ করার বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়। আগামী ঈদুল ফিতরের পর সম্মেলনের কাজ শুরু হবে। তবে এর আগেই আট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা দ্রুততার সঙ্গে সংগঠন গোছানোর কাজ শুরু করবেন। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহ্মুদ স্বপন বলেন, ‘কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুসারে আমরা তৃণমূলে সংগঠন গোছানোর কাজে গুরুত্ব দিচ্ছি। আগামী ২৯ এপ্রিল সকাল ১১টায় খুলনা বিভাগের সব জেলা ও মহানগরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হবে। এখানে খুলনা বিভাগে সংগঠন গোছানোর বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা ঠিক হবে।’ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী বলেন, মুজিববর্ষ পালনে আওয়ামী লীগের উপকমিটিগুলো নিজেদের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে কেন্দ্রে জমা দেবে।   এসএ/  

উদযাপন উপকমিটিতে মাশরাফি-সাকিব

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। প্রতি বছর ১৭ মার্চ বর্ণাঢ্য আয়োজনে তার জন্মদিন উদযাপন করা হয়। এই মহান নেতার জন্মশতবার্ষিকী সামনে রেখে বহুমুখী উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। যা বাস্তবায়নে কাজ করছে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি। একই সঙ্গে জন্মশতবার্ষিকী সামনে রেখে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। ইতিমধ্যে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ সুষ্ঠুভাবে উদযাপনে আটটি উপকমিটি করা হয়েছে। এর একটি হলো- ক্রীড়া ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় গঠন করেছে ২৭ সদস্যবিশিষ্ট সেই কমিটি। এতে রাখা হয়েছে দেশের দুই সেরা ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা ও সাকিব আল হাসানকে। এ ছাড়া সেটিতে দেশের বরেণ্য ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের কর্তাব্যক্তিরা রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেলের নেতৃত্বে প্রথমবারের মতো বৈঠক করেছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজক উপকমিটিও। বৈঠক শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। দেশব্যাপী ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় উৎসবমুখর পরিবেশে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। আমাদের বিশ্বাস, সবার চেষ্টা ও আন্তরিকতায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী দেশের ক্রীড়াঙ্গনে তৈরি করবে নতুন ইতিহাস। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের সব কিছু দেখভাল করবে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি। এর আগে তার জন্মশতবর্ষ সুষ্ঠুভাবে উদযাপনে আটটি বিষয়ভিত্তিক উপকমিটি গঠন করে এটি। উপকমিটিগুলো হলো- সেমিনার, ওয়ার্কশপ ও আলোচনাসভা আয়োজন; আন্তর্জাতিক কর্মসূচি ও যোগাযোগ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনী আয়োজন, প্রকাশনা ও সাহিত্য, আন্তর্জাতিক প্রকাশনা ও অনুবাদ, ক্রীড়া ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজন, মিডিয়া, প্রচার ও ডকুমেন্টেশন এবং চলচ্চিত্র ও তথ্যচিত্র। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ২০২০ সালকে ‘মুজিব বর্ষ’ হিসেবে উদযাপনের ঘোষণা আগেই দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসএ/  

জাতীয় সংসদ ‘মুজিববর্ষ’ উদযাপন করবে

২০২১ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করা হবে। এ  উপলক্ষে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ সময়কালকে ‘মুজিববর্ষ’ ঘোষণা দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ও মুজিববর্ষ উদযাপন করবে। এ ‍উপলক্ষে  উদযাপনের বিভিন্ন প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতীয় সংসদ। এর অংশ হিসেবে আগামী ২৩ এপ্রিল বেলা ১১টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ সচিবালয়ের কেবিন কক্ষে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। এ সভায় একাদশ সংসদের সংসদীয় কমিটির সব সভাপতি ও বিভিন্ন দফতরের প্রধানদের উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে। ওই সভা থেকে মুজিববর্ষ উদযাপনে সংসদ সচিবালয়ের করণীয় ঠিক করা হবে। জাতীয় সংসদ সচিবালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, জাতীয় সংসদ যথাযোগ্য মর্যাদায় মুজিববর্ষ উদযাপনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখতে চায়। এমএইচ/

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে ৮ উপকমিটি

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ সুষ্ঠুভাবে উদযাপনে আটটি বিষয়ভিত্তিক উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রথম সভায় এসব কমিটি করা হয়। তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এটি জানানো হয়েছে। সেমিনার, ওয়ার্কশপ ও আলোচনা সভা আয়োজন; আন্তর্জাতিক কর্মসূচি ও যোগাযোগ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনী আয়োজন, প্রকাশনা ও সাহিত্য, আন্তর্জাতিক প্রকাশনা ও অনুবাদ, ক্রীড়া ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজন, মিডিয়া, প্রচার ও ডকুমেন্টেশন এবং চলচ্চিত্র ও তথ্যচিত্র শিরোনামে উপ-কমিটিগুলো করা হয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপনে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীকে সভাপতি করে ১০২ সদস্যের একটি জাতীয় কমিটি এবং জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে সভাপতি করে ৬১ সদস্যের একটি বাস্তবায়ন কমিটি করে সরকার। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২০ মার্চ জাতীয় কমিটি ও বাস্তবায়ন কমিটির যৌথসভা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির কার্যালয় স্থাপন করে সেখানে কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। ‘২০২০ সালের ১৭ মার্চ হতে ২০২১ সাল পর্যন্ত বছরব্যাপী জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করতে সভায় বিস্তারিত আলোচনার পর বিষয়ভিত্তিক উপকমিটি গঠন করা হয়।’ উপ-কমিটিগুলোকে দ্রুততম সময়ে তাদের স্ব স্ব বিষয়ে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে সেগুলো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় বাজেট নির্ধারণের অনুরোধ করা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্ম নেন শেখ মুজিবুর রহমান। কালক্রমে তার হাত ধরেই ১৯৭১ সালে বিশ্ব মানচিত্রে নতুন দেশ হিসেবে স্থান করে নেয় বাংলাদেশ। আসছে ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মের শত বছর পূর্ণ হবে। আর ঠিক পরের বছর ২৬ মার্চ বাংলাদেশ উদযাপন করবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদযাপনে ২০২০ ও ২০২১ সালকে ‘মুজিব বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতবছর এক অনুষ্ঠানে বলেন, এ আয়োজনে সকল বয়স ও শ্রেণিপেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করা হবে। শিশু, তরুণ, যুবক- সকলের জন্য আলাদা কর্মসূচি থাকবে। আয়োজনের বিস্তৃতি থাকবে দেশের সকল ওয়ার্ড পর্যন্ত। জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সোমবার বাস্তবায়ন কমিটির প্রথম সভা সঞ্চালনা করেন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও সাবেক মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহ্‌মুদ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহ্‌রিয়ার আলম, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, মো. জাকির হোসেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) ট্রাস্টি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সভায় উপস্থিত ছিলেন। সংসদ সদস্য অসীম কুমার উকিল, র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী ও অ্যারোমা দত্ত; তথ্য সচিব আবদুল মালেক, ধর্ম সচিব মো. আনিছুর রহমান, সচিব, জনপ্রশাসন সচিব ফয়েজ আহম্মদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান, সংস্কৃতি সচিব মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুন নাহার, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লে. জে. মো. মাহফুজুর রহমান, মহাপুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীও ছিলেন এই সভায়। চলচ্চিত্র শিল্পী সারাহ বেগম কবরী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটর নজরুল ইসলাম খান, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক এস এম হারুন অর রশীদ, জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. রিয়াজ আহম্মদ, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক নারায়ণ চন্দ্র শীল এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক অধ্যাপক জীনাত ইমতিয়াজ আলীও সভায় অংশ নেন। বীরপ্রতীক কাজী সাজ্জাদ আলী জহির, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাশুরা হোসেন, সাংবাদিক আবেদ খান, নাট্যশিল্পী সারা যাকের, শিল্পী রফিকুন নবী, কবি মুহম্মদ নুরুল হুদা, মাছরাঙা টেলিভিশনের চেয়ারম্যান অঞ্জন চৌধুরী, লেখক-সাংবাদিক ইমদাদুল হক মিলন, চ্যানেল আই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, সাংবাদিক স্বদেশ রায়, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ, সাংবাদিক মোজাম্মেল হক বাবু, বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ,বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, সিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালক সাব্বির বিন শামস প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন। এসএ/  

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন কমিটির সভা সোমবার

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রথম সভা আজ সোমবার বিকালে রাজধানীর মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটটে ৩টার সময় অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপনে ১০২ সদস্যের একটি জাতীয় কমিটি এবং ৬১ সদস্যের একটি বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠিত জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় কমিটিতে বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা ছাড়াও স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা আছেন সদস্য হিসেবে। আওয়ামী লীগের গত সরকারের দশজন মন্ত্রী, বর্তমান সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী, ঢাকার দুই মেয়র, তিন বাহিনীর প্রধান, পুলিশ মহাপরিদর্শক, কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, দুজন সাবেক গভর্নর, বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধি এবং বেশ কয়েকজন শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীকে রাখা হয়েছে এই কমিটিতে। সাবেক মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরীকে এ কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনিই জাতীয় অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়কের ভূমিকায় থাকবেন। কয়েকজন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিব এবং সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানরা ছাড়াও শিক্ষক, স্থপতি, কবি, লেখক, প্রকাশক, সাংবাদিক, গায়ক, অভিনেতা, ক্রীড়াবিদ ও সাংস্কৃতিক কর্মীকে এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদযাপনে প্রয়োজনীয় নীতি পরিকল্পনা ও কর্মসূচি অনুমোদনের পাশাপাশি বাস্তবায়ন কমিটিকে পরামর্শ ও দিক নির্দেশনা দেবে জাতীয় কমিটি। আর বাস্তবায়ন কমিটি সার্বিক পরিকল্পনা ও বাজেট প্রণয়ন এবং জাতীয় কমিটির অনুমোদন নিয়ে তা বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকবে। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্ম নেন শেখ মুজিবুর রহমান। কালক্রমে তার হাত ধরেই ১৯৭১ সালে বিশ্ব মানচিত্রে নতুন দেশ হিসেবে স্থান করে নেয় বাংলাদেশ। ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মের শত বছর পূর্ণ হবে। আর ঠিক পরের বছর ২৬ মার্চ বাংলাদেশ উদযাপন করবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদযাপনে ২০২০ ও ২০২১ সালকে ‘মুজিব বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতবছর এক অনুষ্ঠানে বলেন, এ আয়োজনে সকল বয়স ও শ্রেণিপেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করা হবে। শিশু,তরুণ,যুবক- সবার জন্য আলাদা কর্মসূচি থাকবে। টিআর/

আজ শুরু শিশু একাডেমির বইমেলা

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ছয় দিনব্যাপী বই মেলা। রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে বিকেল ৫টায় এ মেলার উদ্বোধন করবেন জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান।  ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন, শিশুর জীবন করো রঙিন’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এ বইমেলার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি। বইমেলা ২৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং ছুটির দিন সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুন নাহার। স্বাগত বক্তব্য দেবেন বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিলন কান্তি নাথ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। মেলামঞ্চে প্রতিদিন থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, লেখক-পাঠক কথোপকথন, সিসিমপুরের বিশেষ শো এবং আমন্ত্রিত ছড়াকারদের ছড়াপাঠ। এসএ/  

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি