ঢাকা, ২০১৯-০৪-২৬ ৮:১৪:২২, শুক্রবার

একুশের জন্মদিনে সম্প্রীতি বাংলাদেশ’র শুভেচ্ছা

একুশের জন্মদিনে সম্প্রীতি বাংলাদেশ’র শুভেচ্ছা

বেসরকারি খাতে দেশের প্রথম টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টেলিভিশনের বিশ বছরে পদার্পণ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির জন্মদিনে গত রোববার সকালে সম্প্রীতি বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানাতে আসেন সভাপতি পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় ও সেক্রেটারি প্রফেসর ডাক্তার মামুন আল মাহাতাব (স্বপ্নিল)। প্রতিষ্ঠানটির জন্মদিন উপলক্ষে ১২টা এক মিনিটে একুশে টেলিভিশনের কার্যালয়ে কেক কাটা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ উপস্থিত থেকে জন্মদিনের কেক কাটেন। এসময় একুশে টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেজর জেনারেল একেএম মোহাম্মাদ আলী শিকদার (অব.)  পরিচালক কে এম শহিদুল্লাহ, পরিচালক সাকিব আজিজ চৌধুরীসহ একুশে টেলিভিশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা।
আজ পহেলা বৈশাখ, ১৪২৬ সন

আজ রোববার পহেলা বৈশাখ, চৈত্রসংক্রান্তির মাধ্যমে আজ ১৪২৫ সনকে বিদায় জানিয়ে বাংলা বর্ষপঞ্জিতে কাল যুক্ত হবে নতুন বছর ১৪২৬। জীর্ণ-পুরাতনকে পেছনে ফেলে সম্ভাবনার নতুন বছরে প্রবেশ করবে বাঙালি জাতি। আজ পহেলা বৈশাখে বর্ণিল উৎসবে মেতে উঠেছে দেশ। রাজধানীসহ দেশ জুড়ে থাকছে বর্ষবরণের নানা আয়োজন। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে দেশবাসীসহ বাঙালিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। কৃষিকাজ ও খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য বাংলা সন গণনার শুরু মোঘল সমরাট আকবরের সময়ে। হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌর সনের ওপর ভিত্তি করে প্রবর্তিত হয় নতুন এই বাংলা সন। ১৫৫৬ সালে কার্যকর হওয়া বাংলা সন প্রথমদিকে পরিচিত ছিল ফসলি সন নামে, পরে তা পরিচিত হয় বঙ্গাব্দ নামে। কৃষিভিত্তিক গ্রামীণ সমাজের সঙ্গে বাংলাবর্ষের ইতিহাস জড়িয়ে থাকলেও এর সঙ্গে রাজনৈতিক ইতিহাসেরও সংযোগ ঘটেছে। পাকিস্তান শাসনামলে বাঙালি জাতীয়তাবাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয় বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের। আর ষাটের দশকের শেষে তা বিশেষ মাত্রা পায় রমনা বটমূলে ছায়ানটের আয়োজনের মাধ্যমে। দেশ স্বাধীনের পর বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীকে পরিণত হয় বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। উৎসবের পাশাপাশি স্বৈরাচার-অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদও এসেছে পহেলা বৈশাখের আয়োজনে। ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে বের হয় প্রথম মঙ্গল শোভাযাত্রা। যা ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর ইউনেস্কো এ শোভাযাত্রাকে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মর্যাদা দেয়। বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে নববর্ষ উদযাপন পরিণত হয়েছে বাংলাদেশের সার্বজনীন উৎসবে। পহেলা বৈশাখের ভোরে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর আয়োজনে মেতে ওঠে সারাদেশ। কাল বর্ষবরণের এ উৎসব আমেজে মুখরিত থাকবে বাংলার চারদিক। গ্রীষ্মের খরতাপ উপেক্ষা করে বাঙালি মিলিত হবে তার সর্বজনীন এই অসাম্প্রদায়িক উৎসবে। দেশের পথে-ঘাটে, মাঠে-মেলায়, অনুষ্ঠানে থাকবে কোটি মানুষের প্রাণের চাঞ্চল্য, আর উৎসব মুখরতার বিহ্বলতা।পহেলা বৈশাখ বাঙালি সংস্কৃতির প্রধান উৎসব উল্লেখ করে অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান বলেন, বাংলা নববর্ষে মহামিলনের আনন্দ উৎসব থেকেই বাঙালি ধর্মান্ধ অপশক্তির কূট ষড়যন্ত্রের জাল ভেদ করবার আর কুসংস্কার ও কুপমন্ডুকতার বিরুদ্ধে লড়াই করবার অনুপ্রেরণা পায় এবং জাতি হয় ঐক্যবদ্ধ। তিনি বলেন, নতুন বছর মানেই এক নতুন সম্ভাবনা, নতুন আশায় পথ চলা। বুকভরা তেমনি প্রত্যাশা নিয়ে নতুন উদ্যমে ও চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতি কাল আরো সোচ্চার হবে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি মৌলবাদ ও জঙ্গি নিধনের দাবিতে।নববর্ষ উপলক্ষে কাল সরকারি ছুটির দিন। জাতীয় সংবাদপত্রগুলো বাংলা নববর্ষের বিশেষ দিক তুলে ধরে ক্রোড়পত্র বের করবে। সরকারি ও বেসরকারি টিভি চ্যানেলে নববর্ষকে ঘিরে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালা প্রচার করা হবে। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে শিল্পকলা একাডেমি, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, বাংলা একাডেমি, গণগ্রন্থাগার অধিদফতর, আরকাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদফর, জাতীয় জাদুঘর, কবি নজরুল ইনস্টিটিউট, কপিরাইট অফিস, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র ও বিসিক নববর্ষ মেলা, আলোচনাসভা, প্রদর্শনী, কুইজ, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাসহ নানা অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে। বাংলা নববষের দিন সব কারাগার, হাসপাতাল ও শিশু পরিবারে (এতিমখানা) উন্নতমানের ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবার পরিবেশন করা হবে। শিশু পরিবারের শিশুদের নিয়ে ও কারাবন্দিদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং কয়েদিদের তৈরি বিভিন্ন দ্রব্যাদি প্রদর্শনীর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সব জাদুঘর ও প্রত্নস্থান সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা এবং শিশু-কিশোর, ছাত্র-ছাত্রী, প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক শিশুদের বিনা টিকিটে প্রবেশ করতে পারবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনসমূহ এ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে। অভিজাত হোটেল ও ক্লাব বিশেষ অনুষ্ঠানমালা ও ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবারের আয়োজন করবে। বর্ষ আবাহনে মূল অনুষ্ঠান: বর্ষবরণে রাজধানী জুড়ে বিভিন্ন সংগঠনের নানা আয়োজন থাকবে। প্রতিবছরের মত দিনের প্রথম প্রভাতেই রমনার বটমূলের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ‘ছায়ানট’ ভোরের সূর্যের আলো দেখার সঙ্গে সঙ্গেই সরোদবাদন দিয়ে শুরু করবে বর্ষবরণের মূল অনুষ্ঠান। বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ ১৪২৬ উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, ইনস্টিটিউট এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বর্ণাঢ্য কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। পহেলা বৈশাখ সকাল ৯টায় চারুকলা অনুষদ থেকে বের করা হবে মঙ্গল শোভাযাত্রা। বাংলা একাডেমি সকালে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। দিবসটি উপলক্ষে বইমেলাসহ বৈশাখী মেলার আয়োজন করেছে একাডেমি চত্বরে। জাতীয় প্রেসক্লাব বর্ষবরণে তাদের সদস্য ও পরিবারবর্গের জন্য সকাল থেকেই খৈ, মুড়ি-মুড়কি, বাতাসা ও বাঙালি খাবারের আয়োজন রেখেছে। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিও অনুরূপ আয়োজন রেখেছে তাদের সদস্য ও পরিবারের সদস্যদের জন্য। সূত্র-বাসস আরকে//

আরো সমৃদ্ধ ও উজ্জল হোক একুশের পথ চলা

আজ ২০ বছরে পা রেখেছে দেশের প্রথম বেসরকারি স্যাটেলাইন চ্যানেল একুশে টেলিভিশন। একইসঙ্গে পহেলা বৈশাখ- নতুন বাংলা বর্ষ ১৪২৫। নতুন বছরে, নতুন সাজে, নতুন বিষয়বস্তু নিয়ে, নতুন উপস্থাপনা কৌশলে বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রেখে দৃঢ় পদে এগিয়ে যাবে একুশে টেলিভিশন- এমনটাই প্রত্যাশা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, শুধু বাংলাদেশে নয় অন্যান্য দেশেও যাত্রা সুন্দর হোক সমৃদ্ধ হোক আরো উজ্জল হোক একুশের পথ চলা। আজ বেলা ১২টায় একুশের নিজস্ব ভবন ভবন জাহাঙ্গীর টাওয়ারে একুশে পরিবারের সঙ্গে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর ঘরোয়া আয়োজনে এসব কথা বলেন তিনি। এসময় তিনি একুশে পরিবারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, একুশে পরিবারের সাথে একসাথে আসলে পেলে আনন্দবোধ করি। তিনি আরো বলেন, আমি বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাতে চায়। কারণ তার হাত ধরে বাংলাদেশে প্রথম বেসরকারি টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয়। তার মাধ্যমেই একুশে টিভির যাত্রা শুরু হয়। তিনি আরো জানান, সবদিন থেকে একুশে টেলিভিশন আমাদের অত্যন্ত আপজন। একুশের দৃষ্টিভক্তি অত্যন্ত স্বচ্ছ। যখন একুশে বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। তখন আমরা একুশের স্বপক্ষে অনেক লেখালেখি করেছি। কিছু দিন পর সুসংবাদ শুনতে পেলেন। আবার একুশে যাত্রা শুরু কররো। আমি আশা করবো শুধু বাংলাদেশে নয় অন্যান্য দেশেও যাত্রা সুন্দর হোক সমৃদ্ধ হোক আরো উজ্জল হোক। এসময় একুশে পরিবারকে ফুলের জানান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন, ধর্মমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ, মাহমুদ চৌধুরী,একুশে টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেজর জেনারেল একেএম মোহাম্মাদ আলী শিকদার (অব.) শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, পদ্মা ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ এহসান খসরু, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিপ্লব বড়ুয়া, বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) মো হামিদ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন মাহবুবুল আলম হানিফ সংবাদ সংস্থার বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হেপাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল প্রমুখ। উল্লেখ্য, আজ ১৪ এপ্রিল। প্রতিষ্ঠার ১৯ বছর পূর্ণ করে ২০ বছরে পদার্পণ করবে বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টেলিভিশন। একুশের জন্মদিন উপলক্ষে দিনভর চলছে নানা আয়োজন। থাকছে পুতুল নাট্য, সরাসরি সঙ্গীতানুষ্ঠান, বাংলা চলচ্চিত্র `ঢাকার কিং`, একুশের ধারাবাহিক ইতিহাস তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠান `একুশের সাতকাহন`। দেবাশীষ বিশ্বাসের উপস্থাপনায় `একুশের সাতকাহন` অনুষ্ঠানটিতে অতিথি হিসেবে স্মৃতিচারণ করেছেন আবুল হায়াত, শম্পা রেজা, সামিয়া রহমান এবং সামসুদ্দিন হায়দার ডালিম। এ ছাড়া একুশের নেপথ্যজনদের নিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে বিশেষ অনুষ্ঠান `নেপথ্যের সুজন`। প্রীতি দত্তের রচনা এবং পরিচালনায় প্রচার হবে বিশেষ নাটক `ডাক নামে ডেকো না কেউ। নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন অপূর্ব, এসএন জনি, মিথিলা এবং আইরিন আফরোজ। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চ্যানেলের পক্ষ থেকে দেশজুড়ে থাকবে নানা আয়োজন। বিভাগীয় শহর, জেলা এবং উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকাভিত্তিক প্রতিনিধি এবং দর্শক ফোরামের সদস্যরা আলাদা আলাদাভাবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছে।   টিআর/    

রাজশাহীতে একুশের জন্মদিনের কেক কাটলো সুবিধা বঞ্চিত শিশুরা

১৯ বছর পেরিয়ে ২০ বছরে পদার্পন করেছে বেসরকারি টিলিভিশন চ্যানেল একুশে টেলিভিশন। এ উপলক্ষে সামাজিক সংগঠন আমরা নতুন প্রজন্মের আয়োজনে রাজশাহীতে সুবিধা বঞ্চিত শিশুরা একুশের জন্মদিনের কেক কাটে। রোববার বেলা ১১টার দিকে নগরের হড়গ্রাম কোর্ট স্টেশন মোড়ে আমরা নতুন প্রজন্মের কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের একুশের জন্মদিনের কেক ও মিষ্টি খাওয়ানো হয়। রাজশাহীর এই সামাজিক সংগঠন আমরা নতুন প্রজন্ম গত চার বছর ধরে সমাজের সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের নিয়ে একুশে টেলিভিশনের জন্মদিনের কেক কাটার আয়োজন করে আসছে। অনুষ্ঠানে একুশে টেলিভিশনের রাজশাহী বিভাগীয় প্রতিনিধি বদরুল হাসান লিটন ও স্টাফ ক্যামেরাম্যান হাসান আল মবীনসহ আমরা নতুন প্রজন্মের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে একুশের জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে বদরুল হাসান লিটন। এ সময় তিনি বলেন, ‘‘এ টেলিভিশনটি শুরু থেকে সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করছে। আগামীতেও এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।’’ উল্লেখ্য, ২০০০ সালের ১৪ এপ্রিল, বাংলার চিরায়ত উৎসবের দিন নববর্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু বেসরকারি খাতে প্রথম টেরিস্ট্রেরিয়াল টেলিভিশন একুশে টেলিভিশন। তবে ২০০২ সালে তৎকালিন বিএনপি-জামায়াত সরকার এ টেলিভিশনের সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। ২০০৭ সালের ২৮ মার্চ আবারো টেলিভিশনটি চালু হলেও টেরিস্ট্রেরিয়াল সুবিধা আর দেওয়া হয়নি। এসএইচ/

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় যাত্রা অব্যাহত থাকবে : সাইফুল আলম

একুশে টেলিভিশনের বিশতম পদার্পণ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বাণী দিয়েছেন একুশে টেলিভিশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম। শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ পথচলায় নানা চড়াই উৎরাই পার হয়ে দর্শকদের মাঝে দৃঢ় অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারন করেই আমাদের এ যাত্রা অব্যাহত থাকবে।’ মোহাম্মদ সাইফুল আলম বলেন, ‘বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশ এবং সৃজনশীল ও বৈচিত্রময় অনুষ্ঠান প্রচারের মধ্যে দিয়ে একুশে টেলিভিশন আজ সুস্থ ধারার বিনোদনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। চলমান এই সাথল্যের পিছনে রয়েছে একুশে পরিবারের প্রতিটি সদস্যের নিষ্ঠা, নিরলস প্রচেষ্টা, সক্রিয় অংশগ্রহন এবং সংশ্লিষ্ট মহলের সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা।’ তিনি আরও বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারন করে দেশ-মাটি-মানুষের মুখপত্র রূপে আমাদের এ যাত্রা অব্যাহত থাকবে। আমাদের এই চলমান যাত্রার অংশীদার হিসাবে সম্মানিত দর্শকবৃন্দ, শিল্পী, কলাকুশলী, বিজ্ঞাপনদাতা, ক্যাবল অপারেটরসহ সকল শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। আপনাদের সঙ্গে নিয়ে আমরা একুশেকে দেশীয় সংস্কৃতির বাহন হিসাবে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে চাই। সর্বোপরি আমি একুশে টিভির সাফল্য কামনা করছি।’ এসএ/  

গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখছে ইটিভি : তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, ‘বাংলা নববর্ষে একুশে টেলিভিশন বিশ বছরে পদার্পণ করছে জেনে আমি আনন্দিত। এই শুভ দিনে প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তা, সাংবাদিক, কলাকুশলী, কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।’ একুশে টেলিভিশনের বিশতম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে দেয়া এক শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরের যে প্রত্যয়ে এগিয়ে চলেছেন, একুশে টেলিভিশন এ অভিযাত্রার সঙ্গী।’ হাছান মাহমুদ বলেন, ‘জন্মলগ্ন থেকেই একুশে টেলিভিশন মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছে। দায়িত্বশীলতা- পেশাদারিত্ব বজায় রেখে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন ও সুস্থ ধারার বিনোদনের পাশাপাশি অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার অঙ্গীকার থেকে কখনও বিচ্যুত হয়নি প্রতিষ্ঠানটি। জাতির ক্রান্তিলগ্নে সততার সঙ্গে একুশে টেলিভিশন ভূমিকা রেখেছে। গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায়ও সামনের সারি থেকে অবদান রেখেছে।’ মন্ত্রী বলেন, ‘আগামি দিনেও দেশ ও জাতির সমৃদ্ধির পথে ভূমিকা রাখবে একুশে টেলিভিশন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই শুভ দিনে এ আমার আশা। আমি একুশে টেলিভিশনের অগ্রযাত্রা ও সাফল্য কামনা করছি।’ এসএ/  

সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চায় গণমাধ্যমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ : স্পিকার

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন বলেছেন, ‘সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চায় গণমাধ্যমের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জন্মলগ্ন থেকেই একুশে টিভি জাতীয় সংসদের বিভিন্ন কার্যক্রম গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরছে। ভবিষ্যতেও একুশে টেলিভিশন এই ধারাবহিকতা ধরে রাখবে বলে আমি প্রত্যাশা করি।’ একুশে টেলিভিশনের বিশতম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে দেয়া এক শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্পিকার বলেন, ‘তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে টেলিভিশন শুধু বিনোদনের মাধ্যমই নয় বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ অনুষ্ঠান পরিবেশনের মাধ্যমে দেশের মানুষের উন্নত মনন গঠনে অবদান রাখতে পারে। এছাড়াও সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ দমনে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে আমি মনে করি।’ একুশে টিভিতে কর্মরত সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, একুশে টেলিভিশনের ২০তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে আমি প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ, সাংবাদিক, কলাকুশলী ও কর্মকর্তা-কর্মচারিসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। তিনি বলেন, ‘শিক্ষা, ক্রীড়া, সাহিত্য-সংস্কৃতি ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানাদি প্রচারের পাশাপাশি বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে জনমত গঠনে টেলিভিশনের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। তবে জনগনের মাঝে গ্রহনযোগ্যতা সৃষ্টিতে গণমাধ্যমগুলোকে বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে খবরের পিছনের প্রকৃত সত্যকে জনসম্মুখে তুলে ধরতে হবে।’ ড. শিরীন শারমিন আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘একুশে টেলিভিশন বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারের মাধ্যমে বাঙালির সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমৃদ্ধ রেখে সুখী সমৃদ্ধ উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে আরো কার্যকর ভূমিকা রাখবে। আমি একুশে টেলিভিশনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।’ এসএ/  

গণমাধ্যম পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করছে : শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা ২০০৯ সাল থেকে গণমাধ্যম ও তথ্য প্রযুক্তির বিকাশে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছি। সাংবাদিকদের কল্যাণে আমরা ‘সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট আইন-২০১৪’ প্রণয়ন করেছি। এরই মধ্যে গঠন করা হয়েছে নবম ওয়েজবোর্ড। আমাদের এসব পদক্ষেপের ফলে দেশের গণমাধ্যম এখন পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করছে।’ একুশে টেলিভিশনের ২০তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে দেয়া এক শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার সবসময়ই দেশে গণমাধ্যমের বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। ১৯৯৬-২০০১ সাল মেয়াদে আমরাই প্রথম দেশে বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল চালুর অনুমোদন দেই। আমরাই সরকারি খাতে টেলিভিশন, এফএম রেডিও এবং কমিউনিটি রেডিও চ্যানেলের অনুমোদন দিয়েছি। যার ফলে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে তথ্য প্রাপ্তির সকল সুবিধা।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশ। স্বল্পোন্নত দেশে থেকে আমরা এখন উন্নয়নশীল দেশের কাতারে। আমরাই এ দেশেকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে সক্ষম হবো। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে গণমাধ্যমকেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। এ লক্ষে জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে টেলিভিশন শুধু বিনোদনের মাধ্যমই নয় বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও অনুষ্ঠান পরিবেশনের মাধ্যমে দেশের মানুষের উন্নত মনন গঠনে অবদান রাখতে পারে। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ মোকাবেলাসহ মাদকের বিস্তার রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে আমি মনে করি।’ একুশে টেলিভিশনের ২০তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে চ্যানেলটির পরিচালনা পর্ষদ, সাংবাদিক, কলাকুশলী ও কর্মকর্তা-কর্মচারিসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একুশে টেলিভিশন বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও রুচিশীল অনুষ্ঠান প্রচারের মাধ্যমে আবহমান বাঙ্গালি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদমুক্ত সুখী সমৃদ্ধ উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মানে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সর্বোপরি আমি একুশে টিভির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করছি।’ এসএ/    

সরকার অবাধ গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী : রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার অবাধ তথ্যপ্রবাহ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। গণমাধ্যম যাতে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে সেলক্ষ্যে সরকার সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি গণমাধ্যমের মালিক, সংবাদকর্মীসহ সকলের দায়িত্বশীল ভূমিকা একান্ত অপরিহার্য।’ একুশে টেলিভিশনের বিশতম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে এক শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘টেলিভিশন বিশ্বব্যাপী একটি জনপ্রিয় গণমাধ্যম। শিক্ষা, ক্রীড়া, সাহিত্য-সংস্কৃতি ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানাদি প্রচারের পাশাপাশি বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইর্সুতে জনমত গঠনে টেলিভিশনের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। তবে জনগনের মাঝে গ্রহনযোগ্যতা সৃষ্টিতে গণমাধ্যমগুলোকে বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে খবরের পিছনের প্রকৃত সত্যকে জনসম্মুখে তুলে ধরতে হবে। গণমাধ্যমসমূহ দেশ ও জনগনের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্বশীলতার সাথে সম্প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করবে।’ একুশে টেলিভিশনের পরিচালনা পর্ষদ, সাংবাদিক, কলাকুশলী ও কর্মকর্তা-কর্মচারিসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একুশে টেলিভিশন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সংবাদ পরিবেশন ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান প্রচারে বস্তুনিষ্ঠতা ও নান্দনিকতার পরিচয় দিয়ে আসছে। আমি আশা করি, একুশে টেলিভিশন মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে লালন করে বিনোদন, উন্নয়ন সহায়ক অনুষ্ঠানমালা প্রচারসহ বাঙালির হাজার বছরের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্যকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে প্রচেষ্ঠা চালাবে। আমি একুশে টেলিভিশনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।’ এসএ/  

বৈশাখ, দেবে কি সাত রঙের একটি ফুল?

বৈশাখ বাঙালির জীবনে শুধু ক্যালেন্ডারের পৃষ্ঠায় চিহ্নিত একটি দিন মাত্র নয়। পথ চলার সহায়কশক্তি। এ শক্তিকে অবদমন করার চেষ্টা করেছিল পাকিস্তান সরকার। পহেলা বৈশাখ উদযাপন নিষিদ্ধ করেছিল। সরকারি ছুটি বাতিল করেছিল। বাঙালির অমিত শক্তির সামনে সেই অবদমন ধোপে টেকেনি। বাঙালির স্বাধীনতা অর্জন তার অমিত শক্তির বিশেষ দিক। এদিক বাঙালির সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যে আন্তর্জাতিক বিশ্বের সীমান্ত অতিক্রম করেছে। বৃহত্তর সামাজিক পাটাতনের পরিসর বাড়িয়েছে। সৃষ্টি করেছে উদ্যম ও ব্যাপ্তিতে জাতিসত্তার বলয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রবাসী বাঙালিদের দ্বারা আয়োজিত বৈশাখী উৎসব আজ নিজেদের পরিচয়ে উজ্জ্বল উদ্ধার। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন, ‘মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা। অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা।’ বৈশাখ, তোমার চেয়ে আর কে বেশি জানে যে এ দুটো পঙ্ক্তি একজন কবির শুধু ঋতুবন্দনা নয়, কবি জীবনের কল্যাণে প্রকৃতির কাছে প্রার্থনা করেছেন। বছর ধরে জমে ওঠা গ্লানি ও জীর্ণতাকে দূর করে ধরণীকে শুচি করার কথা বলেছেন। সারা বছরের আবর্জনা দূর হয়ে যাওয়ার মন্ত্র উচ্চারণ করেছেন। এ মন্ত্র ধূলিমলিন জরাগ্রস্ত পৃথিবীর চেতনা, যে বোধ জীবনের অবমাননা ঘটায়, তাদের দূর করে জীবনের দার্শনিক সুন্দরকে প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন কবিগুরু। এ সত্য মঙ্গলের সাধনার গভীর বোধটি বাংলা নববর্ষে সব বাঙালির ভেতরে থাকুক- এ আহ্বান ধ্বনিত হয় এই দিনকে কেন্দ্র করে। হে বৈশাখ, আমরা তোমার দিনের শুরুর যাত্রাকে স্বাগত জানাই। তুমি আমাদের জীবনে নববর্ষের সূচনা কর। সেজন্য আমরা সমবেত কণ্ঠে বলতে চাই, নববর্ষ একটি নতুন, অন্যরকম সূর্যোদয় উদ্ভাসিত করো বাংলাদেশের মানুষের জীবনে। আমরা নতুন আলোয় দেশটাকে দেখতে চাই। এখনও অনেক জঞ্জালে ভরে আছে এ দেশের মানুষের জীবন। আমরা নতুন সূর্যোদয়ের দিকে তাকিয়ে বলতে চাই, এসো হে বৈশাখ, এসো এসো। আমরা তোমাকে চাই বৈশাখ। তোমার রুদ্র বৈশাখী জরাজীর্ণ পাতা উড়িয়ে নেয়ার অমিত শক্তি, শান্ত-স্নিগ্ধ তারাভরা আকাশ, বৃষ্টির অপরূপ ছোঁয়া। দহন ও স্বস্তির সমন্বয়ে আমরা ভরে তুলতে চাই জীবনের বিশাল ক্যানভাস। তোমার কাছে প্রার্র্থনা বৈশাখ, রঙধনুর সাত রঙ দিয়ে একটি ফুল বানিয়ে দাও আমাদের। আমরা এই দেশের জন্য জীবনদানকারী লাখো শহীদের স্মরণে ভরে দেই স্মৃতিসৌধ, দেশজুড়ে গড়ে ওঠা স্মৃতিস্তম্ভ ও গণকবরগুলো। আমরা শহীদের পবিত্র আত্মাকে বলতে চাই, আমাদের হৃদয়ের সবক’টি জানালা তাদের জন্য খোলা আছে। ফুলের রঙে ভরে উঠুক দিগন্তরেখা পর্যন্ত টানা স্বদেশের সীমানা। সৌরভে ভরে উঠুক প্রতিটি মানুষের হৃদয় এবং প্রায় ষোল কোটি মানুষ কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণে রাখুক শহীদদের। এ স্মরণ যেন কোনোদিনের বেড়াজালে বন্দি না থাকে। বৈশাখ, দেবে কি সাত রঙের একটি ফুল? বৈশাখ, তোমার কাছে একটি গাড়ি চাই। মুক্তিযুদ্ধের সময়ের লাল-সবুজ-হলুদ রঙের পতাকাটি দিয়ে সাজানো গাড়ি। যুদ্ধের সময়ে যেসব বীর নারী পাকিস্তানি সেনাদের হাতে নির্যাতিত হয়ে স্বাধীনতার মতো মহান গৌরবকে সত্য করে তুলেছিলেন আমাদের জীবনে, তাদের আমরা দিনের আলোয় স্নাত করতে চাই। তাদের আমরা দেশের প্রতিটি জনপদে নিয়ে যেতে চাই। রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে দিনমজুর মানুষটিও বলুক, আপনাদের কোনো লজ্জা নেই। সব লজ্জা পুরো জাতির, যারা আপনাদের যোগ্য মর্যাদা দেয়নি। আপনারা তাদের ক্ষমা করুন। বৈশাখ, তাদের কাছে আমাদের অকৃতজ্ঞতার দায় শোধ করার চেতনাকে রুদ্র তাপে প্রজ্বলিত করে দাও। শুধু মুক্তিযোদ্ধা ঘোষণার মধ্য দিয়ে তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন যেন শেষ হয়ে না যায়। তাদের ধৈর্য, সাহস, তাদের ত্যাগ, স্বাধীনতার জন্য তাদের জীবন-মরণের স্বপ্ন যেন এ দেশের প্রজন্মের সামনে আলোর প্রদীপ হয়ে জ্বলে। প্রিয় বৈশাখের কাছে প্রার্থনা, বৈশাখ, আমাদের স্বর্ণশস্যপ্রসবিনী পলি মাটি মাখানো নলখাগড়ার কলম দাও। আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম শস্যদানার অক্ষরে লিখে রাখি। ইতিহাসের পৃষ্ঠায় নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বল করুক সেই নাম। ইতিহাসবিকৃতির চক্রান্ত যেন সে নাম ছুঁতে না পারে। স্বাধীনতাবিরোধী চক্র মুছে দিতে চায় ইতিহাসের জ্বলজ্বলে পৃষ্ঠা। ইতিহাসের খেরো খাতায় নিজেদের তুলে ধরার চেষ্টা করে। বৈশাখ, ‘তাপস নিঃশ্বাস বায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে’। বৈশাখ, বাঙালিকে একাত্তরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ করে দাও। বাঙালি যেন বলতে পারে, হৃদয় আমার, ওই বুঝি তোর বৈশাখী ঝড় আসে। বৈশাখী ঝড় অনৈক্যের জায়গাটিকে উৎখাত করে ঐক্যের জায়গাটি সমান করে দিক। মানুষ হিসেবে বাঙালির শুভবুদ্ধি একাত্তরের চেতনার মতো দীপ্ত হয়ে উঠুক। স্বদেশ যেন বাঙালির চেতনার সবটুকু জায়গায় অমলিন থাকে, যেন সে বোধে কোনো ফুটো তৈরি না হয়। যেন ব্ল্যাক হোলের মতো সে ফুটো স্বদেশকে গ্রাস না করে। বৈশাখ, বড় মিনতি তোমার কাছে। তুমিই তো পার বলতে, ‘মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা।’ জাতির জীবনে জমে যাওয়া আবর্জনা দূর করতে বাঙালিকে রুখে দাঁড়ানোর জন্য তুমি বিপুল শক্তি দাও। কেন তোমার কাছে প্রার্থনা, বৈশাখ? বর্তমান সময়ে জীবনের যাত্রাপথে নারী-শিশু নির্যাতনের ধৃষ্টতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারছি না বলে কি? যে সুষম জীবনব্যবস্থা আমাদের সঠিক ঠিকানায় পৌঁছে দিলে আমরা প্রকৃত মানুষের জনগোষ্ঠী হতে পারতাম বলে কি? বৈশাখ, বড় গভীর প্রার্থনা তোমার কাছে। আমাদের একটি স্রোতস্বিনী দাও। তার স্বচ্ছতোয়া জলধারা ধুয়ে দিক আমাদের পাপ, ভাসিয়ে নিয়ে যাক মানবিক বোধের জঞ্জাল। মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিক বেঁচে থাকার অন্যতম বোধ। সেই স্রোতস্বিনী আমাদের বলবে, ছুঁয়ে দেখো আমার জল। তোমাকে দেবে অমৃতের স্পর্শ। তুমি মানববোধের সবটুকু নিজের মধ্যে ধারণ করে অমৃতের আস্বাদ পাবে। বৈশাখ, তুমি কি এমন একটি বোধের চেতনায় বদলে দিতে পার ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের এই ভূখণ্ডকে? জঙ্গিবাদের মতো অপশক্তিকে নির্মূল করে দাও। বৈশাখ, হে মৌন তাপস, বড় দুঃসময়ের মুখোমুখি এই ভূখণ্ডের মানুষ। আমাদের ভেতরে ধর্মীয় সম্প্রীতি থাকুক। অসাম্প্রদায়িক চেতনায় সিক্ত হয়ে আমাদের প্রার্থনা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে থাকুক, বৈশাখ, হে মৌন তাপস। তাপসের সাধনার নিমগ্ন থাকুক আমাদের সমাজ বিবর্তন। তোমার কাছে প্রার্থনা, বৈশাখ, যারা গরিবের আমানতের খেয়ানত করে, তাদের কঠোর শাস্তি দাও, যেন তারা টাকার আকার ভুলে যায়। কত প্রকারের নোট হয়, তা-ও ভুলে যায়। তাদের লোভের জিবটাকে ছোট করে দাও, বৈশাখ। তাদের লোভের হাতের আকার ক্ষুদ্র করে দাও, যেন তাদের লোভ ছুঁতে না পারে চালের মূল্য, ডালের মূল্য। যেন ধরতে না পারে মাছ-ফলমূল-শাকসবিজ-মুরগি-হাঁস। তাদের ক্ষুদ্রকায় মানুষ করে বুঝতে দাও যে কীভাবে জীবনের ফুল ফোটাতে পরিশ্রম করতে হয়। অন্যের অধিকারে থাবা দিয়ে অন্যায়ভাবে ভোগদখল জীবনের ধর্ম নয়। অন্যের খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা রাষ্ট্রের সুশাসন নয়। বৈশাখ, কিছু মানুষের দুর্নীতির হাতে বিপুল জনগোষ্ঠীকে জিম্মি করে দিয়ো না। আমরা বলতে চাই, ‘নিষ্ঠুর, তুমি তাকিয়ে ছিলে মৃত্যুক্ষুধার মতো। তোমার রক্ত নয়ন মেলে/ভীষণ তোমার প্রলয়সাধন প্রাণের বাঁধন যত/যেন হানবে অবহেলে।’ দুর্নীতির জাঁতাকল থেকে মুক্ত থাকুক গণমানুষের জীবন। তারা যেন অধিকারের জায়গা থেকে বঞ্চিত না হয়। তোমার কাছে প্রার্থনা, বৈশাখ, আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যেন দেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠে পরিণত হয়, যেন মনুষ্যত্ব বিকাশের অনুশীলনের প্রতিষ্ঠান হয়। আমাদের আগামী প্রজন্ম যেন তোমার নতুন বছরকে নির্মাণ করার জন্য প্রতিজ্ঞাদীপ্ত হয়। বৈশাখী মেলা থেকে আম-আঁটির ভেঁপু কিনে আমাদের সন্তানরা নিজেদের হৃদয় খুলে শিক্ষা নির্যাসে আলোকিত মানুষ হোক। বৈশাখ উদযাপনের ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ ইউনেস্কো কর্তৃক Intangible Heritage হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। এ গৌরবের জায়গা পরবর্তী প্রজন্ম যেন ধরে রাখতে পারে এ প্রার্থনা তোমার কাছে। তোমার কাছে প্রার্থনা, বৈশাখ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর লোকজনকে দেশের মূলধারা জনগোষ্ঠীর কাতারে নিয়ে এসো। তাদের বঞ্চনার অবসান ঘটাও। তাদের বেদনাকে নিজের বেদনায় পরিণত করে বলো, অগ্নিস্নানে শুচি হোক বাংলাদেশ। আমরা সব জনগোষ্ঠীর মানুষ এক হয়ে ফসল উৎপাদন করি, বনভূমি রক্ষা করি, নদী রক্ষা করি, সৃষ্টির যা কিছু মহৎ সুন্দর তাকে আহ্বান করে মানুষ ও জীববৈচিত্র্যের সমন্বয়ে প্রিয় স্বদেশের ভূখণ্ডকে সুন্দর করি। আবার সেই আহ্বান, এসো, এসো হে বৈশাখ। তোমার নতুন প্রাণের উজ্জীবিত শক্তিতে আমরা পাহাড়প্রমাণ সমস্যাকে দূর করব। তুমি যদি নতুন বছর নিয়ে আসতে পার, তাহলে আমরাও বছরের রূপবৈচিত্র্যকে ভিন্ন করতে পারব। আমাদের আশাবাদী সংগীতে বাজবে নবপ্রাণের গান। আমরা বলব, বৈশাখ, হে মৌন তাপস... হঠাৎ তোমার কণ্ঠে এ যে আমার ভাষা উঠল বেজে, দিল তরুণ শ্যামলরূপে করুণ সুধা ঢেলে। সমাজজুড়ে মূল্যবোধের অবক্ষয় গ্রাস করেছে নানা দিক। উৎসবের আনন্দ খর্ব করছে অপশক্তি। নিগৃহীত করছে নারীদের। নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা উৎসবের সময়কে বেঁধে দিয়ে সাংস্কৃতিক চেতনা বিকাশকে খণ্ডিত করছে। এ আমাদের কাম্য নয়। আমাদের প্রার্থনায় আশার বাদ্য বাজাও, বৈশাখ। আমাদের অমিত শক্তিকে অভিনন্দিত করো। সেলিনা হোসেন : কথাসাহিত্যিক এসএ/  

একুশে টেলিভিশনের জন্মদিন উদযাপন

বেসরকারি খাতে দেশের প্রথম টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টেলিভিশন পা রাখলো ২০ বছরে। এই উপলক্ষে ১২টা এক মিনিটে একুশে টেলিভিশনের কার্যালয়ে কেক কাটা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ উপস্থিত থেকে জন্মদিনের কেক কাটেন। এ সময় একুশে টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেজর জেনারেল একেএম মোহাম্মাদ আলী শিকদার (অব.), একুশে টেলিভিশনের পরিচালক কে এম শহিদুল্লাহ, পরিচালক সাকিব আজিজ চৌধুরী,কোম্পানি সেক্রেটারি আতিকুর রহমান, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক আমিন হেলালি, কবি আসাদ চৌধুরী, বিশিষ্ট নাট্য নির্মাতা মুস্তাফা সরওয়ার ফারুকী, সঙ্গীত শিল্পী দিনাত জাহান মুন্নি, একুশের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান মোহছেনা রহমান, ভারপ্রাপ্ত সিএনই রঞ্জন সেন, মার্কেটিং বিভাগের প্রধান সিরাজুম মুনিরা ডালিয়া, প্ল্যানিং এডিটর দেবাশীষ রায়, ডিসিএফও সাত্বিক আহমেদ, হেড অব ইনপুট ড. অখিল পোদ্দার, প্রশাসন ও নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান মেজর (অব.) নাসিম হোসেন, সম্প্রচার বিভাগের ডিজিএম সুজন দেবনাথসহ একুশে পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।   অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সর্বপ্রথম একুশে টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন দেওয়ার মাধ্যমে দেশে অবাধ তথ্য প্রবাহের দ্বার উন্মোচন করেন। যার ধারাবাহিকতায় দেশে এখন ৩৩টি চ্যানেল অনইয়ারে। একুশে টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেজর জেনারেল একেএম মোহাম্মাদ আলী শিকদার (অব.) বলেন, একুশে টেলিভিশনে গ্রামগঞ্জের মানুষের আকাঙ্ক্ষা এবং প্রত্যাশা যেন ফুটে ওঠে। আমরা মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করতে চাই। মানুষের অধিকারের সঙ্গে থাকতে চাই। মানুষের জীবনের কথা নিয়ে অনুষ্ঠান তৈরিতে প্রথম পথিকৃৎ কিন্তু একুশে টেলিভিশন। শুরুর লগ্নেই একুশে সৃষ্টি করেছিল ইতিহাস। তবে, চলার পথ মসৃন হয়নি। সব সংকট পায়ে দলে একুশে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে বারবার। ২০ বছরে পা রাখার এই দিনে একুশেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধী দলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদসহ বিশিষ্টজনেরা। ২০০০ সালের ১৪ এপ্রিল, বাংলার চিরায়ত উৎসবের দিন নববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু বেসরকারি খাতে প্রথম টেরিস্ট্রেরিয়াল টেলিভিশন একুশে টেলিভিশন। প্রতিষ্ঠার পর ২৮ মাস একুশে টেলিভিশন বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ, বৈচিত্র্যময় অনুষ্ঠানের সৌন্দর্য্য ছড়িয়ে জয় করে কোটি দর্শকের মন। কিন্তু সাড়া জাগানো এই চ্যানেলটি ২০০২ সালে আইনি জটিলতার অজুহাতে তৎকালীন সরকার বন্ধ করে দেয়। একুশে শিকার হয় প্রতিহিংসার রাজনীতির। একুশে টেলিভিশন বন্ধের পর বছরের পর রাজপথে ছিল সে সময়ের একুশের সাংবাদিক, কর্মী, কলাকুশলীরা, সঙ্গে ছিলেন শুভানুধ্যায়ীরা। ২০০৫ সালে আদালত একুশে টেলিভিশন সম্প্রচারের বৈধতা দিলেও সরকার যতটা দ্রুত বন্ধ করেছিল, খুলে দিতে সেই দ্রুত দেখা যায়নি। ২০০৭ সালে আবারও সম্প্রচারের আসার পর থেকে নানা ঘাত-প্রতিঘাত পার করে পা রাখলো ২০ বছরে। একুশের জন্মদিনে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ তার বাণীতে কামনা করেছেন একুশের সাফল্য। গণমানুষের উন্নয়নে ভূমিকার রাখারও আহবান জানিয়েছেন। একুশে টেলিভিশনের মালিকপক্ষও চান, ২০ বছরে পা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সংবাদ ও অনুষ্ঠান দিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষের পাশে দাঁড়াবে চ্যানেলটি। প্রতিষ্ঠাকালীন একমাত্র টেরিস্ট্রিয়াল চ্যানেল বর্তমানে স্যাটেলাইটে দেখেন দর্শকরা। একুশে টেলিভিশনের , দক্ষ কর্মী ও উন্নত প্রযুক্তির সমাবেশেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। সংবাদ-বিনোদনে দেশের কোটি দর্শকের স্বপ্নপুরণের চ্যানেল হয়ে উঠবে একুশে টেলিভিশন- এমন প্রত্যাশা সবার।    

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি