ঢাকা, ২০১৯-০৬-২০ ১৯:৩৪:১৬, বৃহস্পতিবার

‘মারলে এখানে বিচার হবে অন্যখানে’ মমতার হুংকার (ভিডিও)

‘মারলে এখানে বিচার হবে অন্যখানে’ মমতার হুংকার (ভিডিও)

আবারও জয় শ্রীরাম  স্লোগান শুনে মেজাজ হারালেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনার ভাটপাড়ায় যাওয়ার পথে মমতাকে শুনিয়ে বেশ কয়েকজন ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি দিলে তিনি মেজাজ হারিয়ে ফেলেন। পরে ভাটপাড়ায় গিয়ে তিনি হুংকার দিয়ে বলেন, ‘মারলে এখানে বিচার হবে অন্য খানে।’   জানা গেছে, উত্তর চব্বিশ পরগনায় ভাটপাড়ায় যাওয়ার পথে তার গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে বেশ কয়েকজন জয় ‘শ্রী রাম ধ্বনি’ দিতে থাকে। তাই তিনি মেজাজ হারিয়ে গাড়ি থেকে নেমে আসেন। ভিড়ের দিকে এগিয়ে যান। বলতে থাকেন, ‘আমি এদের চিনি। আমি জানি এরা কারা? আমি এদেরকে চ্যালেঞ্জ করছি। আমি যদি এখানে এদের মারি তাহলে কী হবে?  মিঠুন চক্রবর্তীর সংলাপটা মনে আছে তো। আমি  সেটা  বলতে পারি। সেখানে মৃতদেহের কথা বলা আছে। আমি ওই ধরনের শব্দ ব্যবহার করি না। কিন্তু আমি বলব আমি আপনাদের এখানে মারবো এবং অন্য কোথাও বিচার হবে।` দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক অশান্তি চলছে। সাত দফা ভোট পর্বেও একাধিকবার অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। মৃত্যুও হয়েছে। ভোট পর্ব শেষ হওয়ার পরও রাজনৈতিক সন্ত্রাস চলছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়। এরই মধ্যে আরও একবার জয় শ্রী রাম ধ্বনি শুনে মেজাজ হারালেন মমতা। এদিকে রাজ্যের রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনায় তৃণমূলকে ‘অকারণে অভিযুক্ত করায়` প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে এড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার এই নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনায় সরব হলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মেদিনীপুরের সদ্য নির্বাচিত সাংসদ মনে করেন,  মমতা তৃণমূলের হাতে খুন হওয়া বিজেপি কর্মীদের পরিবারের সঙ্গে চোখে চোখ রাখতে পারবেন না। সেই সাহস তার নেই তাই মমতা শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যাননি। দিলিপের কথায়, ‘তৃণমূল কর্মীদের হাতে খুন হওয়া বিজেপি কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের চোখে চোখ রাখার সাহস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেই। সংবাদমাধ্যমে প্রশ্নের উত্তর দিতেও ভয় পান মমতা। সেই কারণেই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলেন না। ভিডিও তথ্যসূত্র: এনডিটিভি ও নিউজ ১৮ এমএইচ/
বাংলা পেল ২ প্রতিমন্ত্রী, রাজ্য বিজেপিতে ক্ষোভ

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে দ্বিতীয় মেয়াদে নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভায় ৫৮ জন শপথ গ্রহণ করেছেন। এরমধ্যে বাংলা পেয়েছে মাত্র দু’জন প্রতিমন্ত্রী। এ নিয়ে রাজ্য বিজেপির ভেতরে চলছে তুমুল ক্ষোভ।    প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গ থেকে ১৮টি আসন পেয়েছে বিজেপি। এ আসনগুলোই বিজেপিকে ৩০০ পার করিয়েছে। ধারণা করা হয়েছিল এবার বাংলা থেকে ৫ থেকে ৬  জনকে মন্ত্রী বানাবেন মোদি। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় ও রায়গঞ্জের সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী। আশা করা হচ্ছিল, এবার অন্তত একটা পূর্ণমন্ত্রী পাবে পশ্চিমবঙ্গ। অনেকেই ভেবেছিলেন, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ হয়তো পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পাবেন। পূর্ণমন্ত্রী না হোক, অন্তত স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীও দেওয়া যেত। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের এমন সিদ্ধান্ত দৃশ্যতই হতাশ রাজ্য বিজেপি। একেই বাংলায় দীর্ঘদিন ধরে বিজেপি ‘বড়বাজারের পার্টি’ হিসেবে খ্যাত ছিল। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে সেই দুর্নাম খানিকটা হলেও ঘুচেছে। গেরুয়া রাজনীতির উত্থানের সাক্ষী থেকেছে গোটা বাংলা। রাজ্যে প্রথমবার ৪০ শতাংশ ভোট পেয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। কিন্তু শপথগ্রহণে মাত্র দুজন মন্ত্রী পাওয়ার পর আবারও বাঙালির প্রতি বঞ্চনার অভিযোগ উঠেছে। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের মধ্যেও ক্ষোভ, অন্তত একটা পূর্ণমন্ত্রীর পদ দেওয়াই যেত। তাতে ২০২১ সালের আগে বিজেপির অবস্থান বাংলায় আরও পোক্ত হতো। তবে এখনই ভেঙে পড়তে নারাজ রাজ্য নেতাদের একাংশ। প্রথম মোদি সরকারের নজির টেনে নেতারা যুক্তি দিচ্ছেন, ২০১৪ সালে শপথ নিয়েছিলেন ৪৫ জন মন্ত্রী। পরে সেই সংখ্যা ৭৫ ছাড়িয়ে যায়। এবার ৫৭ জন শপথ নিয়েছেন। এই সংখ্যাটাও বাড়বে। এদিন পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ২৪ জন। স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হলেন ৯ জন। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেছেন ২৪ জন সাংসদ। তথ্যসূত্র: জি নিউজ এমএইচ/

আরও ৯২০ মিলিয়ন ডলার তহবিল চাইল জাতিসংঘ

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা নয় লাখের অধিক রোহিঙ্গা এবং ৩ লাখ ৩০ হাজারের অধিক স্থানীয় বাংলাদেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। ঝুঁকিতে থাকা এ সমস্ত লোকজনের চাহিদা পূরণে জাতিসংঘের সাহায্য সংস্থা ও এনজিও অংশীদারগুলো ৯২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার তহবিল সংগ্রহের আবেদন জানিয়েছে। শুক্রবার জাতিসংঘ সংস্থা ও সহযোগী এনজিওগুলো যৌথভাবে তৃতীয়বারের মতো রোহিঙ্গাদের জন্য যৌথ সহায়তা পরিকল্পনা ২০১৯ ঘোষণা করেছে। নতুন পরিকল্পনায় জাতিসংঘ সংস্থাগুলোসহ মোট ১৩২টি সংস্থা কাজ করবে। জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) শুক্রবার জেনেভা থেকে এ বিষয়ে একটি যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) জানায়, এ বছরের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিলের অর্ধেকের বেশি দরকার হবে খাদ্য, পানি, পয়ঃনিষ্কাশন ও আশ্রয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাহায্য ও সেবায়। তহবিল আবেদনে আরও রয়েছে- স্বাস্থ্য, এলাকা ব্যবস্থাপনা, শিশুসহ অন্যদের রক্ষা, যৌন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা রোধ, শিক্ষা ও পুষ্টি। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মহাপরিচালক অ্যান্তোনিও ভিটোরিনো বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের একাত্মতা ও মানবিক সাহায্যকারীদের অঙ্গীকার ২০১৮ সালে প্রথম জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান সফলভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব করেছে। এ ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে আমরা এসব জনগোষ্ঠীর ভীষণ প্রয়োজনগুলো পূরণে আমাদের প্রতিশ্রুতির পুনরাবৃত্তি করছি এবং এ প্রচেষ্টায় সমর্থন দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাই।’ জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, আন্তর্জাতিক ও জাতীয় এনজিও এবং সরকারি বিভিন্ন সংস্থাসহ মোট ১৩২ অংশীদারকে সাথে নিয়ে এ যৌথ পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। যার লক্ষ্য হলো উদ্বাস্তু নারী, পুরুষ ও শিশুদের নিরাপত্তা ও জীবন রক্ষাকারী সহায়তা দেয়া এবং সামাজিক সংযোগ বৃদ্ধি করা। ২০১৮ সালের জেআরপি তহবিলে চাহিদা ছিল ৯৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিপরীতে পাওয়া যায় ৬৯ শতাংশ বা ৬৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। এছাড়া আগে থেকে দুই লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অবস্থান করছিল। তথ্যসূত্র: পার্সটুডে এমএইচ/

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি এখন কক্সবাজারে

মিয়ানমার থেকে নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের দেখতে দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে পৌঁছেছেন হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একটি বেসরকারি বিমানে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। এরপর সরাসরি কক্সবাজারের ইনানীতে অবস্থানরত একটি তারকামানের হোটেলে অবস্থান করছেন। পরে দুপুর ২টার দিকে টেকনাফের চাকমারকুল রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করার কথা রয়েছে। সেখানে নির্যাতিত ও ধর্ষণের শিকার রোহিঙ্গা নারীদের সঙ্গে কথা বলবে এবং ভয়াবহ নির্যাতনের কাহিনী শুনবেন। অ্যাঞ্জেলিনা জোলি জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ‘ইউএনএইচসিআর’র বিশেষ দূত হিসেবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এসেছেন। এই সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার দেখা করার কথা রয়েছে। এর আগে ২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হাতে রোহিঙ্গা নারীদের নির্যাতনের শিকার হওয়ার বর্ণনা শুনে ঢাকায় আসার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন এ হলিউড অভিনেত্রী। সে সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, জোলি যৌন নিপীড়নের শিকার রোহিঙ্গা নারীদের দেখতে বাংলাদেশে আসার পরিকল্পনা করছেন। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী। এতে প্রাণ ভয়ে সীমান্ত পেরিয়ে ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার শিবিরগুলোতে এখন দিন কাটছে তাদের। নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন কারণে এর আগে অন্তত চারবার অ্যাঞ্জেলিনা জোলির বাংলাদেশ সফর বাতিল করা হয়। গত বছরের ২১ মে জাতিসংঘের শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) শুভেচ্ছাদূত হিসেবে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন বলিউড অভিনেত্রী, সাবেক বিশ্বসুন্দরী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। তিনি টেকনাফের বাহারছড়ার শামলাপুর মনখালী ব্রিজের পাশে অস্থায়ী রোহিঙ্গা শিবিরের শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান। অ্যাঞ্জেলিনা জোলি আগামীকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং এক্সেটেনশন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৪ পরিদর্শন করার কথা রয়েছে। সেখানে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের সাথে কথা বলার পাশাপাশি ‘ইউএনসিআর’ ব্রাক, রিলিফ ইন্টারন্যাশনালসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও আলোচনা করার কথা রয়েছে। এছাড়াও ক্যাম্পে অবস্থানরত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন দাতা সংস্থা ও এনজিও পরিচালিত স্বাস্থ্য সেবামূলক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করার কথা রয়েছে। একে//

‘রোহিঙ্গারা শিগগিরই ফিরবে না’

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা শিগগিরই ফিরবে না বলে জানিয়েছেন মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতি বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত (স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ার) ইয়াংহি লি। শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে রোহিঙ্গা উপস্থিতির প্রভাব মোকাবেলায় বাংলাদেশকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। এক সপ্তাহের সফরে বাংলাদেশে এসে ইয়াংহি লি রোহিঙ্গা পরিস্থিতি সম্পর্কে নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। বলেছেন, রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার মতো পরিবেশ সৃষ্টির জন্য মিয়ানমার কোনও উদ্যোগই নেয়নি। বরং সহিংসতাকে উসকে দিয়েছে। রাখাইন রাজ্যে অবশিষ্ট রোহিঙ্গাদের বিতাড়িত করতেও মিয়ানমার নীরবে প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। ইয়াংহি লি বলেন, নৃগোষ্ঠী অধ্যুষিত এলাকাগুলোতেই সংঘাত-সহিংসতা বাড়ছে। অনেক স্থানে নতুন করে সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। মিয়ানমারকে কোনোভাবেই এখন আর গণতান্ত্রিক দেশ বলা যায় না। বেসামরিক সরকার সেখানে সামরিক সরকারের নীতিই সুসংহত করছে। জাতিসংঘ, বিশেষ করে নিরাপত্তা পরিষদকে ব্যর্থ বলে অভিহিত করেছেন ইয়াংহি লি। বলেন, গণহত্যার মতো অপরাধ ‘আর কখনো না’- এ কথা অনেকবার বলা হলেও বাস্তবায়ন করা হয়নি। রোহিঙ্গাদের ওপর সংঘটিত গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনেরও তাগিদ দেন তিনি। এ ছাড়া, রোহিঙ্গাদের নোয়াখালীর ভাসানচরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা তড়িঘড়ি করে বাস্তবায়ন না করতেও তিনি পরামর্শ দেন।

একতরফাভাবে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ নয়: উ.কোরিয়া

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পরমাণু হুমকি দূর না হলে পিয়ংইয়ং কখনো একতরফাভাবে নিজের পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি বাতিল করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে উ.কোরিয়া। দু দেশের মধ্যে যখন পরমাণু আলোচনা এবং উত্তর কোরিয়ার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অচলাবস্থা চলছে তখন পিয়ংইয়ং একথা বলল। উত্তর কোরিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা কেসিএনএ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘উত্তর কোরিয়ার পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের অর্থ হচ্ছে পিয়ংইয়ংসহ প্রতিবেশী সব দেশের জন্য আমেরিকার পরমাণু হুমকি সম্পূর্ণভাবে দূর হতে হবে।’ বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ‘যখন আমরা কোরীয় উপদ্বীপ বলি তখন গণপ্রজাতন্ত্রী উত্তর কোরিয়াসহ দক্ষিণ কোরিয়াকে বুঝিয়ে থাকি যেখানে মার্কিন পরমাণু অস্ত্র এবং নানা আকারে আগ্রাসী সেনা মোতায়েন রয়েছে।’ কেসিএনএ প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘যখন আমরা কোরীয় উপদ্বীপের পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের কথা বলি তখন যথাযথভাবে বুঝতে হবে যে, শুধু উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে নয় বরং আশপাশের সব এলাকা থেকে সে হুমকি দূর করার কথা বলি।’ তথ্যসূত্র:পার্সটুডে এমএইচ/

পাঁচ শতাধিক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করল ফেসবুক

রোহিঙ্গাবিরোধী বিদ্বেষ ছড়ানো এবং বার্মিজ সেনাবাহিনীর গোপন যোগজাসশ থাকার দায়ে ফেসবুক মিয়ানমারের শতাধিক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে। বুধবার ফেইসবুক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মোট ৪২৫ টি পেজ, ১৭ টি গ্রুপ, ১৩৫টি অ্যাকাউন্ট এবং ১৫টি ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে করে দেওয়া হয়েছে। এই পেইজগুলো সাধারণত খবর, বিনোদন, রূপচর্চা ও লাইফস্টাইলভিত্তিক ছিল। কিন্তু এগুলোর বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো এবং দেশটির সেনাবাহিনীর সাথে গোপন যোগসাজশ রাখার অভিযোগ রয়েছে।   এর আগে গত আগস্ট ও অক্টোবরেও রোহিঙ্গাবিরোধী বিদ্বেষ ছড়ানোর দায়ে অনেক অ্যাকাউন্ট ও পেজ ডিলিট করে দেওয়া হয়। তথ্যসূত্র: রয়টার্স এমএইচ/

সু চির আরও এক পুরস্কার প্রত্যাহার

একের পর এক আন্তর্জাতিক পুরস্কার হারাচ্ছেন মিয়ানামারের নেত্রী অং সান ‍সুচি। এবার দক্ষিণ কোরিয়ার মানবাধিকার সংগঠন গাওয়াংঝু হিউম্যান রাইটস-এর পুরস্কার হরালেন তিনি। মঙ্গলবার প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে এ পুরস্কার প্রত্যাহার করা হয়েছে।  সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অমানবিক নির্যাতনের ব্যাপারে তার উদাসীনতার কারণে এটি তুলে নিচ্ছে গাওয়াংঝু হিউম্যান রাইটস। ২০০৪ সালে সু চিকে এ পুরস্কার দিয়েছিল সংস্থাটি। সামরিক জান্তার হাতে গৃহবন্দি থাকায় সু চিকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র চো জিন-তায়ে বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নৃশংসতার ব্যাপারে তার উদাসীনতা এ পুরস্কারের মূল্যবোধ পরিপন্থী। তাই আমরা এই পুরস্কার প্রত্যাহারের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এর আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের এলি উইজেল অ্যাওয়ার্ড, যুক্তরাজ্যের ফ্রিডম অব অক্সফোর্ড, ফ্রিডম অব গ্লাসগো অ্যাওয়ার্ড, ইউনিসন অ্যাওয়ার্ড, এডিনবার্গ অ্যাওয়ার্ডসহ আরো বেশ কয়েকটি পুরস্কার হারিয়েছেন সু চি। তথ্যসূত্র: এএফপি এমএইচ/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি