ঢাকা, ২০১৯-০৪-২৬ ৮:৪৩:৫৪, শুক্রবার

ভারতের টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের জাহানারা

ভারতের টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের জাহানারা

ভারতের উইমেন্স টি-টোয়েন্টি চ্যালেঞ্জে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন বাংলাদেশের পেসার জাহানারা আলম। মেয়েদের ক্রিকেটে দেশের বাইরের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে ডাক পাওয়া বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার তিনিই। উইমেন্স টি-টোয়েন্টি চ্যালেঞ্জ গত বছর থেকে শুরু করেছে ভারত। সেবার ছিল দুটি দল নিয়ে স্রেফ একটি প্রদর্শনী ম্যাচের মতো। এবার তিন দল নিয়ে পূর্নাঙ্গ টুর্নামেন্টই হতে যাচ্ছে। জাহানারা খেলবেন ভেলোসিটি দলে। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) এখন ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা। মেয়েদের নিয়েও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) ইচ্ছা আছে আইপিএল আয়োজনের। সেই লক্ষ্যেই গত বছর থেকে ‘উইমেন্স টি-টোয়েন্টি চ্যালেঞ্জ’ নামে ‘রিহার্সাল’ টুর্নামেন্ট শুরু করেছে। আইপিএলের আদলে চালু হওয়া এই প্রতিযোগিতায় আগের দুই দল- ট্রেইলব্লেজারস ও সুপারনোভাসের সঙ্গে এবার যোগ করা হয়েছে ভোলোসিটিকে। নতুন এই দলটিতেই সুযোগ পেয়েছেন জাহানারা। ২ মে ভোলোসিটির ক্যাম্পে যোগ দিতে দেশ ছাড়বেন বাংলাদেশি পেসার। জাহানারার দলের ম্যাচ ৮ ও ৯ মে। তবে ভেলোসিটি ফাইনালে উঠলে তিনি আরও এক ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবেন। আইপিএলের আদলে হওয়া এই প্রতিযোগিতায় সুযোগ পেয়ে দারুণ রোমাঞ্চিত জাহানারা। তিনি বলেন, এমন একটি আসরে সুযোগ পাওয়া আমার জন্য দারুণ ব্যাপার। আমি কেবল অংশগ্রহণের জন্যই ওখানে যাচ্ছি না, আশা করি খেলার সুযোগও পাবো। এই ধরনের টুর্নামেন্টে অভিজ্ঞতা বিনিময় করা যায়। ধন্যবাদ বিসিবিকে (বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড),ধন্যবাদ আয়োজকদের, আমাকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। ৬ মে থেকে শুরু হবে এই টুর্নামেন্ট। গত বছর দুই দল নিয়ে একটি ম্যাচ আয়োজন করা হলেও এবার এক দল বাড়ায় খেলা হবে চারটি। প্রত্যেক দল একবার মুখোমুখি হবে একে অন্যের। এরপর পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে থাকা দুই দল খেলবে ফাইনাল। ৬ মে জয়পুরের সাওয়াই মানসি স্টেডিয়ামে সুপারনোভাস ও ট্রেইলব্লেজারসের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে উইমেন্স টি-টোয়েন্টি চ্যালেঞ্জ। ৮ মে একই ভেন্যুতে জাহানারার ভেলোসিটি লড়বে ট্রেইলব্লেজারসের বিপক্ষে। পরের দিন সুপারনোভাস-ভেলোসিটি ম্যাচ দিয়ে শেষ হবে লিগ পর্ব। তিন ম্যাচে পয়েন্ট টেবিলে এগিয়ে থাকা দুই দল ১১ মে ফাইনালে মুখোমুখি হবে জয়পুরে। এবারের আসরে তিন দলের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কর, স্মৃতি মন্দনা ও মিতালি রাজের মতো ক্রিকেটারদের সঙ্গে অংশ নিচ্ছেন বেশ কয়েকজন বিদেশি তারকা। আইপিএলের মতো এই প্রতিযোগিতাতেও দলগুলো একাদশে রাখতে পারবে চার বিদেশি ক্রিকেটার। আরকে//
অবশেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা

আগামী ৩০ মে মাঠে গড়াচ্ছে বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর। আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম মাঠে নামবে ৩১ মে। তাদের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। এর আগে বাংলাদেশ, ভারত, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করেছে। অবশেষে এবার দল ঘোষণা করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে রয়েছেন- জেসন হোল্ডার (অধিনায়ক), ক্রিস গেইল, আন্দ্রে রাসেল, এভিন লুইস, ড্যারেন ব্রাভো, কার্লোস ব্রাথওয়েট, শিমরন হেটমায়ার, শাই হোপ (উইকেটরক্ষক), নিকোলাস পুরান (উইকেটরক্ষক), অ্যাশলে নার্স, কেমার রোচ, ওশানে থমাস, শেল্ডন কট্রেল, ফ্যাবিয়ান অ্যালেন ও শ্যানন গ্যাব্রিয়েল। দল ঘোষণা প্রসঙ্গে কিংবদন্তি ক্রিকেটার ব্রায়ান লারা মনে করেন, আসন্ন বিশ্বকাপে তাদের দলটির ভালো করার সম্ভাবনা প্রবল। ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবারের বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলতে পারে বলে মনে করেন তিনি। লারা বলেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ধারাবাহিক ক্রিকেট খেলতে হবে। আমরা ইংল্যান্ড ও ভারতকে হারাতে পারি, সেটা ইতিমধ্যে দেখিয়ে দিয়েছি। নিজেদের দিনে যেকোনো দলকে হারাতে পারি আমরা। তবে আমরা যখন বাংলাদেশ অথবা আফগানিস্তানের কাছে হারি, তখন আমাদের সবকিছু শেষ হয়ে যায়। যে কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে এটা এড়াতে হবে। ক্যারিবীয় দলটিকে সেমিফাইনালে দেখতে চাই।’ এসএ/  

টাইগারদের নজর আয়ারল্যান্ডে

বিশ্বকাপের ঠিক আগে শুরু হতে যাওয়া আয়ারল্যান্ড সিরিজে গুরুত্ব বেশি দিচ্ছেন তামিম ইকবাল। কারণ তামিম মনে করেন, বিশ্বকাপে বাংলাদেশ কেমন করবে, তার নিয়ামক হয়ে উঠবে আসন্ন এই সিরিজ। আসন্ন বিশ্বকাপে ভালো কিছু করার জন্য তামিমের ওপর ভরসা করার কোনও বিকল্প বাংলাদেশের নেই। বিশেষ করে ইংল্যান্ডে রেকর্ডের কারণেই তার ওপর নজর থাকবে অনেক বেশি। আয়ারল্যান্ডের কন্ডিশনের কারণেই বাংলাদেশের জন্য ওখানে খেলাটা কঠিন হবে। বিশ্বকাপের আগে এখানকার কয়েকটা দিন খুব গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে বলে তামিমের বিশ্বাস। তামিম বলেন, আয়ারল্যান্ডে প্রথম ম্যাচটা আমরা কীভাবে শুরু করি সেটা খুব ইম্পর্ট্যান্ট হবে। কারণ সেখানে আরও একটা প্রতিপক্ষ থাকবে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, যারা এখন খুব ভালো ফর্মে আছে। তবে অনেকে ভাবছেন, বিশ্বকাপের ঠিক আগে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ আশীর্বাদ হবে নাকি অভিশাপ? আগামী ৫ মে থেকে শুরু হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ খেলবে স্বাগতিক আয়ারল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে। আয়ারল্যান্ড সিরিজটা খেলার ফলে বাংলাদেশকে খুব অল্প সময়ের মধ্যে অনেকগুলো ম্যাচ খেলতে হবে। বিশ্বকাপের আগে এই টুর্নামেন্টে ভালো করলে আত্মবিশ্বাস যেমন চূড়ায় উঠতে পারে, তেমনি খারাপ পারফরম্যান্সে মনোবল যেতে পারে তলানিতে। তবে তামিম ইকবাল ইতিবাচক দিকই দেখছেন বেশি। তিনি জানেন, এই আয়ারল্যান্ড সিরিজ বা বিশ্বকাপে তার ওপর ভরসা করবে দল। কিন্তু এগুলো নিয়ে ভাবতে চান না তিনি। এমনকি ইংল্যান্ডে নিজের আগের সাফল্য নিয়েও ভাবতে চান না। যাইহোক, বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে বড় রান তাড়া করা। বাংলাদেশ এই ব্যাপারটায় খুব অভ্যস্ত নয়। তামিম বলছিলেন, ওখানে অনেক বড় বড় স্কোর হতে পারে। আর এই একটা জিনিসে আমরা খুব একটা অভ্যস্ত নই। বিশ্বকাপে হয়তো বেশিরভাগ ম্যাচেই আমাদের ২৮০-৩০০-৩২০ চেজ করতে হবে। ফলে এটা নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। এ কারণেই এই ট্রেনিং সেশনগুলো বা যে পাঁচটা ম্যাচ আমরা খেলবো আয়ারল্যান্ডে, সেগুলো এত ইম্পর্ট্যান্ট। একে//

‘ক্রিকেট ঈশ্বর’ শচীন টেন্ডুলকারের জন্মদিন আজ

ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা পুজনীয় খেলোয়াড় তাকে অনায়াসে বলা যায়। তার উচ্চতায় আধুনিক যুগের ক্রিকেটে আর কোনো খেলোয়াড় উঠতে পারেন নি। সেই কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের জন্মদিন আজ। ১৯৭৩ সালের ২৪ এপ্রিল মুম্বাইয়ে জন্ম টেন্ডুলকারের। ছেলেবেলা থেকেই টেন্ডুলকারের ধ্যান জ্ঞান হলো ক্রিকেট। ৫ ফুট ৫ ইঞ্চি উচ্চতার খর্বকায় মানুষটি এমন সব ক্রিকেট কীর্তি রেখে গেছেন যে, তার উচ্চতায় ভবিষ্যতেও কেউ হয়তো পৌঁছাতে পারবে না। ক্রিকেট খেলা ছাড়ালেও আইপিএল এ মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে দেখা গেছে তাকে। ক্রিকেট ছাড়া তার জীবন কল্পনাই করা যায় না।  ক্রিকেটের লিটল মাস্টার, মাস্টার ব্লাস্টার হিসেবে আখ্যা দেয়া হয় তাকে। ভক্ত-অনুসারী শচীনকে ভালোবেসে ডাকেন ‘ক্রিকেট ঈশ্বর’। ২০১১ সালে বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলে ছিলেন শচীন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি মোট ৬টি বিশ্বকাপে খেলেছেন। শেষ ম্যাচটি খেলেছেন ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর। শচীন টেন্ডুলকারের ক্যারিয়ারের খাতা প্রাপ্তি-অর্জনে ভরা। শেষ ম্যাচ খেলার পরই প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে ভারত রত্ন পাওয়ার ঘোষণা শুনেছিলেন। এছাড়াও পেয়েছেন ভারতে ক্রীড়াঙ্গনে সর্বোচ্চ পুরস্কার রাজীব গান্ধী খেল রত্ন অ্যাওয়ার্ড (১৯৯৭), পদ্মশ্রী ও পদ্মবিভূষণ অ্যাওয়ার্ড। সূত্র : হিন্দুস্থান টাইমস এসএ/

বিশ্বকাপের ৯ হ্যাট্টিক

ক্রিকেটে একজন বোলারের জন্য সবচেয়ে কঠিন অর্জন সম্ভবত হ্যাট্টিক করা। অনেকেই বলে থাকেন একজন বোলারের পাঁচ উইকেট সমান একজন ব্যাটসম্যানের সেঞ্চুরি। তবে একজন বোলারের হ্যাট্টিকের সমান কিছুই হতে পারে না। পর পর তিন বলে তিন উইকেট পেতে হলে একজন বোলারের একিউরিসি, ধারাবাহিকতা, দক্ষতা এবং ভাগ্যেরও সহায়তা পেতে হবে। যেহেতু হ্যাট্টিক পাওয়া একটি বড় অর্জন এবং সেটা যদি হয় বিশ্ব আসরে তবে একজন বোলার গর্বের সহিত সেটা তার পরবর্তী প্রজন্মকে বলতে পারে। আগামী ৩০মে ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলসে শুরু হতে যাচ্ছে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের দ্বাদশ আসর। ১৯৭৫-২০১৫ আসর পর্যন্ত ১১টি বিশ্বকাপে ৯টি হ্যাট্টিক দেখেছে ক্রিকেট ভক্তরা। দেখে নিন বিশ্বকাপের ৯ হ্যাট্টিক- চেতন শর্মা ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড (নাগপুর ১৯৮৭)সারা জীবন কপিল দেবের ছায়া হয়ে থাকা ভারতীয় পেসার চেতন শর্মা বিশ্বকাপে প্রথম হ্যাট্টিকের কৃতিত্ব অর্জন করেন। গ্রুপ পর্বে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে পর পর তিন বলে তিন ব্যাটসম্যান কেন রাদারফোর্ড, ইয়ান স্মিথ এবং এউয়েন চ্যাটফিল্ডকে বোল্ড আউট করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম হ্যাট্টিকের কৃতিত্ব অর্জন করেন। ক্রিকেটের সব ফর্মেটেই ভারতের প্রথম হ্যাট্টিক ম্যান চেতন শর্মা। সাকলাইন মুশতাক পাকিস্তান বনাম জিম্বাবুয়ে (লন্ডন ১৯৯৯)এটা হতে পারে কঠিন। তবে টেল এন্ড বিধ্বস্ত করা মূলত একটা শিল্প। সাকলাইন মুশতাক সেটা বলতে পারেন। কেননা হ্যাট্টিকের মাধ্যমে প্রতিপক্ষের টেল এন্ড ধ্বসিয়ে দিয়েছেন তিনি। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে হেনরি ওলোঙ্গা, এ্যাডাম হাকল এবং পমি এমবাঙ্গোয়াকে পরপর তিন বলে আউট করে পাকিস্তানের জয় নিশ্চিত করেন। প্রথম দুই ব্যাটসম্যাকে উইকেটরক্ষক মঈন খানের দক্ষতায় স্টাম্পড করলেও তৃতীয় জনকে এলবিডব্লু’র ফাঁদে ফেলেন সাকলাইন। আউট হওয়া তিন জনের ব্যাটিং সক্ষমতা বিবেচনা করলে এ হ্যাট্টিক এখনো তার কাছে বিশেষ অনুভূতি। চামিন্দা ভাস শ্রীলংকা বনাম বাংলাদেশ (পিটারমারিজবার্গ ২০০৩)২০০৩ বিশ্বকাপের দশম ম্যাচ। টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় শ্রীলংকা। বল হাতে আক্রমণে এসে প্রথম তিন বলেই তিন ব্যাটসম্যান হান্নান সরকার, মোহাম্মদ আশরাফুল এবং এহসানুল হক সিজানকে আউট করে ইতিহাসের খাতায় নাম লেখান চামিন্দা ভাস। ইনিংসের প্রথম তিন বলেই হ্যাট্টিক করা প্রথম খেলোয়াড় ভাস। শেষ পর্যন্ত সহজেই ১০ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় শ্রীলংকা। ব্রেট লী অস্ট্রেলিয়া বনাম কেনিয়া (ডারবান ২০০৩) কেনেডি ওটিয়েনো স্টাম্পড, ব্রিজাল প্যাটেল সেকেন্ড স্লিপে পন্টিংয়ের হাতে ক্যাচ এবং এরপর ডেভিড ওবুয়াকে ইয়র্কারে ঘায়েল করেন ব্রেট লী। সুপার সিক্স পর্বের ম্যাচটিতে টস জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বকাপের এ আসরে দ্বিতীয় হ্যাট্টিক করেন লী। কেনিয়ার ১৭৪ রানের জবাবে ৫ উইকেট হারিয়ে সহজ জয় তুলে নেয় অস্ট্রেলিয়া। লাসিথ মালিঙ্গা শ্রীলংকা বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা (প্রোভিডেন্স ২০০৭)সুপার এইট পর্বের ম্যাচে শ্রীলংকার করা ২১০ রানের জবাবে ৫ উইকেটে দক্ষিণ আফ্রিকা ২০৬ রান তুলে সহজ জয়ের পথে ছিল। এমন অবস্থায় বল হাতে লাসিথ মালিঙ্গা রিভার্স স্যুয়িং কাজে লাগিয়ে চার বলে পর পর চার উইকেট শিকার করেন। মালিঙ্গার ইয়র্কার ও স্লো বলে একে একে ঘায়েল হন শন পোলক, এন্ড্রু হল, জক ক্যালিস এবং মাখায়া এনটিনি। হঠাৎ করেই প্রোটিয়ারা আরেকটি চোকিং মুহূর্তে চলে আসে। কিন্তু রবিন পিটারসন সে অবস্থা থেকে টেনে তুলে দলের জয় নিশ্চিত করেন। তবে মালিঙ্গার দুর্দান্ত স্পেলটি বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বকালের সেরাদের একটি হিসেবে থেকে যাবে। কেমার রোচ ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম নেদারল্যান্ডস (দিল্লি ২০১১) বি’ গ্রুপের ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাটিং করে নেদারল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৩০ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাবে এক পর্যায়ে ১১৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে নেদারল্যান্ড। এমন অবস্থায় পুনরায় আক্রমনে এসে মুল সর্বনাশটা করে দেন কেমার রোচ। আক্রমনে এসে পর পর তিন বলে পিটার সিলার, বার্নার্ড লুটস এবং বেরেন্ড ওয়েস্টডিককে আউট করেন। ম্যাচে তার বোলিং ফিগার ছিল ৮.৩-০-২৭-৬। প্রথম দুই ব্যাটসম্যান এলবিডব্লুর শিকার হন। শেষ বলটি ইয়র্কার মারলে বুঝতেই পারেননি ব্যাটসম্যান। লাসিথ মালিঙ্গা শ্রীলংকা বনাম কেনিয়া (কলম্বো- ২০১১) বিশ্বকাপ ইতিহাসে দু’টি হ্যাট্টিক করা একমাত্র বোলার শ্রীলংকার লাসিথ মালিঙ্গা। ২০১১ বিশ্বকাপে এ’ গ্রুপে কেনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে পিটার অনগোন্ডো, শেন এনগোচে এবং এলিনা ওটেইনোকে আউট করে হ্যাট্টিক পূর্ণ করেন মালিঙ্গা। মূলত মালিঙ্গার ইয়র্কার বুঝতেই পারেননি কেনিয়ান ব্যাটসম্যানরা। অনগোন্ডো এলবিডব্লু এবং এনগোচে ও ওটেয়েনো সরাসরি বোল্ড আউট হওয়া ম্যাচে লংকানরা ১৪২ রানে জয় পায়। ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হওয়া মালিঙ্গার বোলিং ফিগার ছিল ৭.৪-০-৩৮-৬। স্টিভেন ফিন ইংল্যান্ড বনাম অস্ট্রেলিয়া (মেলবোর্ন, ২০১৫) ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের প্রথম ম্যাচে স্টিভেন ফিনের বোলিং পারফরমেন্স হয়তোবা খুব আহামরি ছিলনা। তবে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের প্রথম এবং একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে হ্যাট্টিক করেছেন। টস জিতে ইংল্যান্ড আগে বোলিং বেছে নিলে অস্ট্রেলিয়া নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩৪২ রানের বিশাল স্কোর দাঁড় করায়। খুব সাদামাটা বোলিং করে প্রথমে ৭১ রানে ২ উইকেট শিকার ফিনের। অসি ব্যাটিংয়ের সামনে হ্যাট্টিক করবেন এটা হয়তোবা স্বপ্নেও ভাবেননি ফিন। কিন্তু নিজের শেষ ওভারে ব্র্যাড হাডিন, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল এবং মিচেল জনসনকে আউট করে হ্যাট্টিক পুর্ন করেন। জেপি ডুমিনি দ:আফ্রিকা বনাম শ্রীলংকা (সিডনি- ২০১৫) বিশ্বকাপে নক আউট পর্বে হ্যাট্টিক করা একমাত্র বোলার দক্ষিণ আফ্রিকার জেপি ডুমিনি। ২০১৫ বিশ্বকাপ কোয়ার্টারফাইনালে শ্রীলংকার বিপক্ষে হ্যাট্টিক করেন দক্ষিণ আফ্রিকার এ অলাউন্ডার। ১১৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বেশ ভাল অবস্থানে ছিল শ্রীলংকা। এ সময় এ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ ও কুমার সাঙ্গাকারা বেশ ধৈর্য্যশীলভাবে ব্যাটিং করছিলেন। এমন অবস্থায় তিন বলে একে একে ম্যাথুজ, নুয়ান কুলাসেকারা এবং থারিন্ডু কৌশলকে হারিয়ে হ্যাট্টিক পূর্ণ করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে প্রথমবারের মত নক আউট পর্বে জয় এনে দেন ডুমিনি। এসএ/  

চতুর্থ বিশ্বকাপের অপেক্ষায় বাংলাদেশের চার ক্রিকেটার

৩০ মে ইংল্যান্ডে শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৯। আসন্ন বিশ্বকাপের আগে প্রত্যেক দলগুলো নিয়ে চলছে নানা চুলচেরা বিশ্লেষণ। বড় বড় দলের পাশাপাশি বাংলাদেশকে নিয়ে কিংবদন্তি ক্রিকেটাররা আলোচনা করছেন। ভারত-অস্ট্রেলিয়ার মতো বড় দলগুলোও এখন বাংলাদেশকে ব্যাপক সমীহ করে। বিশেষ করে বিগত বছরগুলোতে সাকিব-তামিম-মুশফিক-মোস্তাফিজদের নৈপুণ্য দেখেছে ক্রিকেট বিশ্ব। ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি বিশ্বকাপের দ্বাদশ আসরে বাংলাদেশের স্কোয়াডে আছেন অধিনায়ক হিসেবেব মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল। নিজেদের চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলার অপেক্ষায় বাংলাদেশের এই চার ক্রিকেটার। ঘরের মাঠে ২০১১ সালে বিশ্বকাপ খেলা হয়নি মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার। নয়তো পাঁচটি বিশ্বকাপ খেলা হয়ে যেত নড়াইল এক্সপ্রেসের। ২০০৩ সালের পর ২০০৭, ২০১৫ বিশ্বকাপ খেলেছেন মাশরাফী। ২০১৫ বিশ্বকাপে ছিলেন দলের অধিনায়ক। এবার ইংল্যান্ড বিশ্বকাপেও বাংলাদেশের অধিনায়ক তিনি। ২০০৭ সালে বিশ্বকাপে প্রথম যাত্র শুরু মুশফিক, সাকিব ও তামিমের । ওই বিশ্বকাপ থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ বিশ্বকাপে মোট ২১টি ম্যাচ খেলেছে। প্রতিটিতেই ছিলেন মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল। এবারের বিশ্বকাপেও দেখা যাবে তাদেরকে। পঞ্চপাণ্ডবের চারজনই এবার চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলার অপেক্ষায়। অন্য জন মাহমুদউল্লাহ নিজের তৃতীয় বিশ্বকাপের অপেক্ষায়। ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে তাদের সাফল্য-ব্যর্থতার ওপর নির্ভর করবে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ভাগ্য। বাংলাদেশের হয়ে এর আগে তিনটি বিশ্বকাপ খেলেছেন দুজন- মোহাম্মদ রফিক ও মোহাম্মদ আশরাফুল। ১৯৯৯ সালের পর ২০০৩ ও ২০০৭ বিশ্বকাপ খেলেছিলেন রফিক। আশরাফুল ২০০৩ সালের পর ২০০৭ ও ২০১১ বিশ্বকাপ খেলেছিলেন। ফিক্সিংয়ে না জড়ালে এখনো খেলা চালিয়ে যাওয়া আশরাফুল হয়তো খেলতে পারবেন ২০১৫ এবং ২০১৯ বিশ্বকাপ। রফিক ও আশরাফুলের পাশে নাম লেখানোর অপেক্ষায় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও রুবেল হোসেন। ২০১১ বিশ্বকাপ ছিল দুজনের প্রথম। ২০১৫ বিশ্বকাপে মাহমুদউল্লাহ ছিলেন বাংলাদেশের সেরা পারফরমার। দুটি সেঞ্চুরি করে গড়েছিলেন ইতিহাস। রুবেলও পিছিয়ে ছিলেন না। ইংল্যান্ড-বধের আনসাং হিরো তো রুবেলই। এবারের বিশ্বকাপ দুজনেরই তৃতীয়। বিশ্বকাপে চারজনের পারফরমেন্স :বিশ্বকাপে ২১টি করে ম্যাচ খেলা মুশফিক, সাকিব ও তামিমের পারফরম্যান্স বেশ কাছাকাছি। মুশফিক ব্যাটিংয়ে ৫১০ রান করেছেন। সাকিব ২৩ উইকেটের সঙ্গে রান করেছেন সর্বোচ্চ ৫৪০। তামিমের রান ৪৮৩। মাশরাফি ১৬ ম্যাচে রান ১৬৫, উইকেট ১৮টি। নির্দিষ্ট দিনে তাদের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স বেশ নজরকাড়া। ২০০৭ সালে ভারতের বিপক্ষে তামিমের ৫১ রানের ইনিংস এখনো বাংলাদেশের সেরা ইনিংসের একটি। ওই ম্যাচেই মুশফিকের অপরাজিত ৫৬ রান তো মহামূল্যবান। ম্যাচসেরা নির্বাচিত হওয়া মাশরাfI বোলিং ছিল এরকম ৯.৩-২-৩৮-৪। সাকিব বোলিংয়ে উইকেট না পেলেও ব্যাটিংয়ে করেছিলন ৫৩ রান। ২০১৫ বিশ্বকাপে নেলসনে তামিমের ৯৫ রানে ভর করেই তো বাংলাদেশ স্কটল্যান্ডের দেয়া ৩১৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জিতেছিল। ২০১৫ বিশ্বকাপে মুশফিক ছিলেন সবচেয়ে ধারাবাহিক। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৭১ রানের পর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৬, স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৬০, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৮৯ রান করেছিলেন। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে সাকিব সব সময়ই মূল্যবান। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি রান ও উইকেট বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডারের দখলে। টিআর/

আজ জিতলেই রূপগঞ্জ চ্যাম্পিয়ন

পয়েন্ট তালিকায় ১৪ ম্যাচে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে আছে রূপগঞ্জ, ২২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আবাহনী। শীর্ষ দুই দলের এই লড়াইয়ের সুবাদে লীগ শিরোপার নিষ্পত্তি হয়ে যেতে পারে আজই। আবাহনীকে আজ হারিয়ে দিতে পারলেই এক ম্যাচ হাতে রেখে শিরোপা নিশ্চিত করে ফেলবে রূপগঞ্জ। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনীর সামনেও অবশ্য শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা টিকে আছে বেশ ভালোভাবেই। তবে তার জন্য আজকের ম্যাচটা জিততেই হবে তাদের। আবাহনী জিতলে দু’দলের পয়েন্টই হবে ২৪। সেক্ষেত্রে নিজেদের শেষ ম্যাচে যদি দু’দলই জেতে তবে বিবেচনায় আসবে নেট রানরেটের হিসাব, যেখানে আবাহনী অনেকটাই এগিয়ে। সমীকরণ যখন এমন, তখন দু’দলের কাছেই লড়াইটা ‘মাস্ট উইন’। তবে মুখোমুখি লড়াইয়ের প্রথম ম্যাচ বড় ব্যবধানে জেতায় এই ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাসে এগিয়ে আছে রূপগঞ্জই। গত ৭ এপ্রিল মিরপুর শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আবাহনীকে মাত্র ১২২ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৬ উইকেট ও ১৩৯ বল হাতে রেখে ম্যাচ জিতে নিয়েছিল রূপগঞ্জ। দলের কোচ আফতাব আহমেদ জানালেন, সেই ম্যাচকে মাথায় রেখেই শিরোপা লড়াইয়ে নামার আগে নতুন কোনো চাপ নিচ্ছে না তার দল, ‘আবাহনীর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচটা আমরা বেশ ভালোভাবেই জিতেছিলাম। আমরা কোনো ম্যাচকেই ম্যাচ হিসেবে নিচ্ছি না, বা প্রতিপক্ষের ব্যাপারেও খুব বেশি ভাবছি না। আমাদের লক্ষ্য একটাই, আমরা দুই পয়েন্ট নিয়ে এগোবো। টেবিলে যে দুই পয়েন্ট আছে, সেটাকেই আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। আশা করছি আমাদের জন্য ভালো কিছুই অপেক্ষা করছে।’ মাশরাফি বিন মুর্তজা, সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান, মোসাদ্দেক হোসেন, মোহাম্মদ মিঠুনসহ জাতীয় দলের বেশ কয়েকজন তারকা ক্রিকেটার খেলছেন আবাহনীতে। সেক্ষেত্রে প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তাকে ছোট করে দেখতে একদমই নারাজ আফতাব। এদিকে আবাহনীর মিঠুন জানালেন, সামর্থ্যের পুরোটা দিতে পারলে আজকের লড়াইয়ে জয় পাবেন তারাই, ‘কাগজে-কলমে আমরা অনেকটাই এগিয়ে। তবে দিনশেষে পারফরম্যান্সটাই আসল কথা। আমাদের দলের সবাই এখন ফর্মে আছে। এতদিন আমরা যেভাবে খেলেছি, তার চেয়েও ভালো খেলার সামর্থ্য আছে আমাদের।’ এসএ/

ওয়ার্নারকে পাল্টে দিয়েছে নির্বাসন: ক্যান্ডিস

বল বিকৃতি কাণ্ডে বারো মাসের নির্বাসনের সঙ্গে তার চলতি আইপিএলে ব্যাটের শাসনকে মেলানো কঠিন হয়ে পড়ছে। সোজাসাপ্টা হিসাব বলছে, এবার সানরাইজার্স হায়দারাবাদের জার্সিতে ডেভিড ওয়ার্নারের এখনও পর্যন্ত আট ম্যাচে মোট রান ৪৫০। রয়েছে একটি অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংস। গড় ৭৫। স্ট্রাইক রেট ১৪৫ দশমিক ১৬। কীভাবে আবার নিজের স্বাভাবিক পৃথিবীতে ফিরে এলেন তিনি? সেই রহস্য ফাঁস করেছেন অস্ট্রেলীয় ওপেনারের স্ত্রী ক্যান্ডিস ওয়ার্নার। যিনি জানিয়েছেন, গত এক বছর প্রতি মুহূর্তে যে তীব্র যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে তারা জীবন কাটিয়েছেন, তা ব্যাখ্যা করার ভাষা তার অন্তত জানা নেই। ক্যান্ডিস বলেছেন, একটা দমবন্ধ করা পরিবেশের মধ্যে দিয়ে আমাদের চলতে হয়েছে। সবার কথাবার্তার মধ্যে একটা মেকি ভাব দেখতে পেতাম। তবে এ-ও জানতাম, এই পরিস্থিতিা সাময়িক। আমাদের জীবনে আবার সুন্দর দিন ফিরবে। সঙ্গে যোগ করেছেন, ওই সময়ে আমি এবং দুই কন্যা আইভি এবং ইন্ডির একটাই লক্ষ্য ছিল, ডেভিড যেন কোনও সময়ে ভেঙে না পড়ে। ওকে আমরা প্রতিনিয়ত সাহস জুগিয়ে গেছি। বোঝানোর চেষ্টা করেছি, এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসবই। আজ ডেভিডকে আবার স্বাভাবিক মেজাজে দেখে আনন্দে বুক ভরে যাচ্ছে। ওই বারো মাসের নির্বাসন ডেভিডকে আমূল পাল্টে দিয়েছে। এখন যে কোনও প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে ও বুক চিতিয়ে লড়াই করতে পারে। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচে দেখা গিয়েছিল অপূর্ব এক দৃশ্য। বড় মেয়ে আইভি গ্যালারিতে এক পোসটার হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। যাতে লেখা, ‘গো ড্যাডি।’ যা নিয়ে ম্যাচের পরে ওয়ার্নার বলেছিলেন, আমার প্রধান শক্তি দুই মেয়ে। ওদের মুখে হাসি দেখতে চাই। তাই আবার নতুনভাবে জীবন শুরু করেছি। এভাবেই এগোতে হবে। তার আরও মন্তব্য ছিল, গত বারো মাস অদ্ভুত এক পরিস্থিতি আমাদের ঘিরে ছিল। তবে আমিও ঠিক করে রেখেছিলাম, আবার মাঠে ফিরে পুরনো বিধ্বংসী মেজাজকে ফিরিয়ে আনতেই হবে। সেই চেষ্টাই করছি। ক্যান্ডিসের গলাতেও শোনা গেছে সেই সুর। তিনি বলেছেন, এখনও সময় পেলে আমি ডেভিডক এটা বোঝানোর চেষ্টা করি, গত বারো মাসে কী হয়েছে সেটা আর মনে রাখার প্রয়োজন নেই। তুমি নিজের চেনা জগতে আবার ফিরে এসেছ। যেভাবে ক্রিকেটবিশ্ব তোমাকে চিনত, সেভাবেই নিজেকে আবার মেলে ধরতে হবে। যোগ করেছেন, আমাদের জীবনে ডেভিডকে বাদ দিয়ে আর কিছুই নেই। যে কোনও প্রতিকূলতার মুখে আমরা ওর সঙ্গেই থাকব। আশা রাখি, বিশ্বকাপেও অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ডেভিড এভাবেই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলে দেশকে ট্রফি উপহার দেবে। আমরা প্রতিনিয়ত এখন এই প্রার্থনাই করে চলেছি। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

২০ লখা  টাকা জরিমানা হার্দিক-রাহুলের

নারীদের নিয়ে অসম্মানজনক মন্তব্যের জেরে ভারতের ক্রিকেটার হার্দিক পাণ্ড্য ও লোকেশ রাহুলকে ২০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা করে বিসিসিআই ওম্বাডসম্যান ডিকে জৈন। চার সপ্তাহের মধ্যে হার্দিক ও রাহুলকে জরিমানার টাকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিওয়া হয়েছে। রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাগুলোর বিভিন্ন সমস্যা খতিয়ে দেখতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ডিকে জৈনকে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের ওম্বাডসম্যান নিযুক্ত করে সুপ্রিম কোর্ট। একটি বেসরকারি চ্যানেলের টক শোয়ে হার্দিক ও রাহুলের মন্তব্য ঘিরে মাথাচাড়া দেওয়া বিতর্ক নিষ্পত্তির দায়ও বর্তায় তাঁরই কাঁধে। বিষয়টি নিয়ে তদন্তের পর ১৯ এপ্রিল দুই ক্রিকেট তারকাকে জরিমানা করেন তিনি। নির্দেশে বলা হয়েছে, দুই ক্রিকেটারকে ২০ লক্ষ টাকা করে জমা দিতে হবে। যার মধ্যে ১০ লক্ষ টাকা যাবে দৃষ্টিহীনদের জন্য গড়া ক্রিকেট সংগঠনের খাতে। বাকি ১০ লক্ষ টাকা দিতে হবে ‘ভারত কে বীর’ অ্যাপ-এর মাধ্যমে, যা পৌঁছে যাবে কর্তব্যরত অবস্থায় প্রাণ হারিয়েছেন, আধা সামরিক বাহিনীর এমন ১০ কনস্টেবলের পরিবারের কাছে। চলতি বছরের শুরুতে, জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে একটি টক শোয়ে গিয়ে বিতর্কে জড়ান হার্দিক পাণ্ড্য ও লোকেশ রাহুল। সেখানে মহিলাদের সম্পর্কে অসম্মানজনক মন্তব্য করেন তাঁরা। তা নিয়ে দেশ জুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠলে অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়ে দু’জনকে। বেশ কিছুদিনের জন্য নির্বাসনেও পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে অবশ্য ক্ষমা চেয়ে নেন তাঁরা। বিতর্ক পিছনে ফেলে সম্প্রতি বিশ্বকাপ দলেও জায়গা পান তাঁরা। তার মধ্যেই এই জরিমানা। তবে আগেই যেহেতু নির্বাসন কাটিয়ে ফেলেছেন, তাই জরিমানার পর তাঁদের বিরুদ্ধে আর কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন ডিকে জৈন। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার এমএইচ/

বিশ্বকাপের আগেই অবসর নিচ্ছেন মালিঙ্গা!

তাকে অধিনায়ক করা হল না। যাকে করা হল তিনি প্রায় তিন বছরের বেশি সময় ওয়ান-ডে খেলেননি। বিশ্বকাপের দল নির্বাচনে এ রকম কিছু একটা যে হতে পারে তা আঁচ করতে পারেননি লাসিথ মালিঙ্গা। তাই তার অভিমান হওয়াটা স্বাভাবিক। গত সিরিজেও শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক ছিলেন তিনি। তাই ভাবতেই পারেননি যে তার জায়গায় বিশ্বকাপে অধিনায়ক হয়ে যাবেন দিমুথ করুণারত্নে। গত বুধবারই বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করেছে শ্রীলঙ্কা। তার পর থেকেই একটি হোয়াটস অ্যাপ মেসেজের স্ক্রিনশট ঘুরে বেড়াচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তাতে দেখা যাচ্ছে, শ্রীলঙ্কার স্পিডস্টার লাসিথ মালিঙ্গা সতীর্থদের উদ্দেশে কিছু একটা লিখেছেন। সিংহলী ভাষায় হোয়াটস অ্যাপ মেসেজ করেছেন তিনি। আর সেটা করেছেন কোনও একটা নির্দিষ্ট গ্রুপে। মালিঙ্গা লিখেছেন, ‘আপি বিমা নাভাতা গায়েনিয়াতা সামাত ভে তানাপাতিভারায়েত। দেবিয়া ভানসে মাতা পিতুপাসিন মা সাহায়া কালা সিয়ালু দেনাতামা আশীর্বাদা।’ মালিঙ্গার বলা কথাগুলোর বাংলা অর্থ করলে দাঁড়ায়- মাঠে হয়তো আমাদের আর কখনও দেখা হবে না। এতদিন ধরে আমার পাশে যারা ছিলেন তাদের অনেক ধন্যবাদ। সবার জন্য শুভকামনা রইল। মালিঙ্গার এমন মেসেজ-এর স্ক্রিনশট ভাইরাল হওয়ার পর থেকে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটে শোরগোল পড়েছে। তাহলে কি অবসর নিচ্ছেন মালিঙ্গা? বিশ্বকাপের আগেই কি সেটা ঘোষণা করে দেবেন তিনি? এমনই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজে মালিঙ্গার নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কা একটা ওয়ান-ডেও জিততে পারেনি। দলের অভ্যন্তরেও মালিঙ্গার নেতৃত্ব নিয়ে অনেকে বিরোধিতা করতে শুরু করেছিলেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। তবে লঙ্কান বোর্ডের এক কর্তা স্পষ্ট জানিয়ে রাখলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের কথা ঘোষণা না করলে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে মালিঙ্গাকে রাখা হবে। শেষ মুহূর্তে মালিঙ্গা অবসর ঘোষণা করলে তার পরিবর্ত খুঁজবে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড। সূত্র: জি নিউজ একে//

এ রকম মারতে কাউকে দেখিনি: বিরাট

টানা ম্যাচ হারার হতাশা সঙ্গী ছিল এবারের আইপিএলের শুরুর দিকে। কিন্তু প্রতিযোগিতার মাঝপথে এসে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিরাট কোহলির দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। শুক্রবার ইডেনে কেকেআরকে হারিয়ে আনন্দের আবহ আরসিবি শিবিরে। দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি ঝড় তুলেছিলেন ব্যাটে। ৫৮ বলে ১০০ রান করতে গিয়ে তিনি মারেন ৯টি চার ও চারটি ছক্কা। কলকাতা নাইট রাইডার্স ব্যাটিংয়ের সময় আবার শেষ পাঁচ ওভারে আবার পাল্টা ঝড় তুলেছিলেন আন্দ্রে রাসেলও। আইপিএলে দ্বিতীয় দ্রুততম অর্ধশতরান করার পাশাপাশি তিনি করেন ২৫ বলে ৬৫ রান। মারেন দু’টি চার ও নয়টি ছক্কা। বিপক্ষ ব্যাটসম্যানের যে অতিমানবিক ইনিংস দেখে কুর্নিশ করছেন জয়ী দলের অধিনায়ক বিরাটও। বলছেন, শেষের দিকের ওভারগুলো কঠিন ছিল। বিশেষ করে ইডেনের মতো মাঠে। যেখানে পিচ শক্ত। আর আউটফিল্ডে পড়ে বল দ্রুত যায়। সেখানে এ রকম একটা দুরন্ত ইনিংস উপহার দেওয়ার জন্য রাসেলের কৃতিত্বকে কুর্নিশ জানাতেই হচ্ছে। রাসেল এত জোরে  বলগুলোকে মাঠের বাইরে ফেলছিল যা অন্য কাউকে মারতে দেখিনি। কেকেআরকে ১০ রানে হারিয়ে বিরাট বলছেন, ইডেনে জয় পেয়ে দারুণ লাগছে। এখানে এসে জিতে ফেরাটা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ ছিল আমাদের কাছে। সঙ্গে ম্যাচ জেতার কারণ হিসেবে বোলারদের কৃতিত্ব দিয়ে যোগ করেন, ‘শেষের দিকে যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, সে ক্ষেত্রে বোলারদের উপর আস্থা রাখতেই হত। তাই অযথা আতঙ্কিত না হয়ে, বিষয়টা বোলারদের উপরেই ছেড়ে দিয়েছিলাম। শেষের দুই ওভারে স্টোয়নিস ও মইনের কিছু সিদ্ধান্ত আমাদের সাহায্য করেছে জয় পেতে। বিশেষ করে স্টোয়নিস ১৯তম ওভারে যেভাবে বোলিং করল তা দারুণ। যে তিনটি ও বল মারতে দেয়নি সেটাই শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে আমাদের জয় পেতে। আর শেষ ওভারে মইনের ওভারটাও গুরুত্বপূর্ণ। সতীর্থদের কাছ থেকে এর বেশি আর কী চাইতে পারি।’ পাশাপাশি এ দিন শেষ পাঁচ ওভারে ঝড় তুলে আরসিবি-র রান ২১৩-তে পৌঁছে যাওয়া সম্পর্কে বিরাট মইন আলির প্রশংসা করে বলেন, ‘ভাবিনি আমাদের রান দু’শোর উপরে যাবে। ধারণা ছিল ইডেনের পিচে ১৭০-১৭৫ রান উঠবে। কিন্তু মইন খেলাটা ঘুরিয়ে দেয়।’ যে যুক্তি মেনে নিয়েছেন কেকেআর অধিনায়কও। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

আইপিএল ২০১৯: পয়েন্ট টেবিলে কোন দল কোথায়

ভারতের রাজধানী দিল্লির ফিরোজ শাহ কোটলায় দিল্লি ক্যাপিটালস বনাম মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচের পর আইপিএলের পয়েন্ট টেবিল একনজরে- চেন্নাই সুপার কিংস লিগে সবচেয়ে ধারাবাহিক দল৷ ৯ ম্যাচে জয় ৭টিতে৷ ১৪ পয়েন্ট নিয়ে আইপিএল ২০১৯ এর পয়েন্ট তালিকার মগডালে ধোনির চেন্নাই৷ মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স কোটলায় দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে লিগের সেকেন্ড বয় এখন রোহিতের মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স৷ ৯ ম্যাচে জয় ৬টি তে, সংগ্রহ ১২ পয়েন্ট৷ ২০১৯ আইপিএলে শুরুটা ভালোভাবে না করলেও ক্রমেই নকআউটের দাবিদার মুম্বাই ফ্র্যাঞ্চাইজি৷ দিল্লি ক্যাপিটালস টানা তিন ম্যাচ জয়ের পর বৃহস্পতিবার ঘরের মাঠে মুম্বাইয়ের কাছে হার, দ্বিতীয় স্থান হাতছাড়া করে ক্যাপিটালস দল এখন পয়েন্ট টেবিলের তিন নম্বরে৷ ৯ ম্যাচে দিল্লির জয় এসেছে ৫টিতে৷ পয়েন্ট ১০। কিংস ইলেভেন পঞ্জাব ৯ ম্যাচে সংগ্রহ ১০ পয়েন্ট৷ ধারাবাহিকতার একটু অভাব রয়েছে৷ নকআউটে যাওয়ার আশা দেখাচ্ছে প্রীতির ফ্র্যাঞ্চাইজি৷ সানরাইজার্স হায়দারাবাদ টানা তিন ম্যাচ হারের পর অধিনায়ক উইলিয়ামসনের নেতৃত্বে ফের জয়ের ছন্দে ফিরেছে নিজামের শহরের এই ফ্র্যাঞ্চাইজি৷ দলের প্রধান শক্তি ব্যাটিং ও বোলিংয়ের গভীরতা৷ ওয়ার্নার-বেয়ারস্টো দারুণ ছন্দে রয়েছেন৷ বোলিংয়ে রশিদ, কউল, সন্দীপরা দুর্দান্ত৷ ৮ ম্যাচে পয়েন্ট ৮৷ যে কোনও মুহূর্তে হিসাবে উল্টে দিয়ে ফের পয়েন্ট টেবিলের উপরের সারিতে ফিরে আসতে পারে এই দল৷ কেকেআর উনিশের আইপিএলে শুরুটা দারুণ হলেও এখন ছন্দপতন৷ রাসেল-নারিনের চোট রয়েছে৷ দলের হাল ধরতে হবে দীনেশকেই৷ ৮ ম্যাচে পয়েন্ট ৮৷ শেষ চারে থাকতে হলে শেষ ৬ ম্যাচে ধারাবাহিকতা দেখাতে হবে নাইটদের৷ রাজস্থান রয়্যালস ৮ ম্যাচে ৪তে জয়৷ বাটলার, স্টোকসরা পারফর্ম্যান্স করলেও জয় ছিনিয়ে নিতে ব্যর্থ৷ জয় এসেছে মাত্র ২ ম্যাচে৷ সেই সঙ্গে অধিনায়ক রাহানের ব্যাটিং ব্যর্থতা তো রয়েছেই৷ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর লিগের সবচেয়ে ব্যর্থ দল৷ ৮ ম্যাচে মাত্র ১ ম্যাচ জিতে পকেটে মাত্র ২ পয়েন্ট৷ হার ৭ ম্যাচে৷ ১২ মৌসুম ধরলে এটাই ব্যাঙ্গালোরের সবচেয়ে খারাপ পারফর্ম্যান্স৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেলেন না চাঁদিমাল-থরাঙ্গা

চার বছর পর আবার বিশ্বকাপ দলে তাও আবার অধিনায়ক হিসেবেই এবার বিলেতে যাচ্ছেন দিমুথ করুনারত্নে। বুধবারই শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড জানিয়ে দেয় ইংল্যান্ডে বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কাকে নেতৃত্ব দেবেন করুনারত্নে। আর বৃহস্পতিবারই ১৫ সদস্যের দল বেছে নিলেন লঙ্কান নির্বাচকরা। উল্লেখযোগ্যভাবে শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেলেন না প্রাক্তন অধিনায়ক দীনেশ চাঁদিমাল, ওপেনার উপল থরাঙ্গা, দানুষ্কা গুনতিলকে, উইকেটকিপার- ব্যাটসম্যান নিরোশান ডিকওয়েলা, অফ স্পিনার আকিলা ধনঞ্জয়া। তবে দলে সুযোগ পেয়েছেন লাসিথ মালিঙ্গা এবং অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস। বিশ্বকাপের দলে সুযোগ পেয়েছেন লাহিরু থিরিমানে এবং লেগ-স্পিনার জেফ্রে ভ্যান্ডারসে। দলে ফিরেছেন নুয়ান প্রদীপ, অভিষ্কা ফার্নান্দো। শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ দল: দিমুথ করুনারত্নে (অধিনায়ক), লাসিথ মালিঙ্গা, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, থিসারা পেরার, কুশল পেরেরা, ধনঞ্জয় ডি-সিলভা, কুশল মেন্ডিস, ইসরু উদানা, মিলিন্দা সিরিওয়ার্ধনা, নুয়ান প্রদীপ, অভিষ্কা ফার্নান্দো, জীবন মেন্ডিস, লাহিরু থিরিমানে, জেফ্রে ভ্যান্ডারসে, সুরঙ্গা লাকমল।  সূত্র: জি নিউজ একে//

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি