এপ্রিলে কালবৈশাখী ও ঘূর্ণিঝড়েরও শঙ্কা
প্রকাশিত : ১৪:১৯, ১ এপ্রিল ২০২৫ | আপডেট: ১৪:২৩, ১ এপ্রিল ২০২৫

এপ্রিল মাসের শুরুতেই তীব্র গরমের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শুধু মৃদু নয়, মাঝারি ও তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ অথবা ঘূর্ণিঝড় তৈরির শঙ্কা এবং কালবৈশাখী ঝড়ের আশঙ্কাও করা হচ্ছে।
এপ্রিল মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এমন আভাস দিয়েছে অধিদপ্তর; এছাড়া চলতি সপ্তাহের শেষ দিন পর্যন্ত গরমের তেজ থাকবে। এরপর আগামী সপ্তাহে বৃষ্টি ঝরার পর চলমান তাপপ্রবাহ কমে আসবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক।
তিনি বলেন, বর্তমানে রাজশাহী, পাবনা, নঁওগা, নীলফামারী, যশোর, ঢাকা, ফরিদপুর ও রাঙামাটি জেলাগুলোতে মৃদু তাপপ্রবাহ চলছে, যা আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। এদিন ভোর ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তাপমাত্রার এই ঊর্ধ্বগতি ৪ এপ্রিল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। তবে ৫ এপ্রিল থেকে কিছু এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে এবং ৬ এপ্রিল দেশজুড়ে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে, যা তাপপ্রবাহ কমাতে সাহায্য করবে।
চলতি মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দিয়ে আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, বঙ্গোপসাগরে একটি থেকে দুইটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ/ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
চলতি মাসে পাঁচ থেকে ছয় দিন বজ্র ও শিলাবৃষ্টিসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের এবং এক তিনদিন তীব্র কালবৈশাখী ঝড় হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
তিনি বলেন, “এ মাসে দেশে ২-৪টি মৃদু মাঝারি এবং ১-২টি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।"
বাতাসে তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠলে তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ ধরা হয়। ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে বলা হয় মাঝারি এবং ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয়। এরপর ৪২ ডিগ্রির উপরে উঠলে তাকে বলা হয় অতি তীব্র তাপপ্রবাহ।
তীব্র গরম ও ঝড়-বৃষ্টির এই সময়টিতে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। প্রচণ্ড গরমে পানিশূন্যতা রোধে বেশি পরিমাণে পানি পান করা, রোদে সরাসরি ঘোরাফেরা এড়িয়ে চলা এবং আবহাওয়া পরিস্থিতি সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ করা জরুরি। একইসঙ্গে, সম্ভাব্য ঝড় ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এমবি//
আরও পড়ুন