ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৩ এপ্রিল ২০২৫

Ekushey Television Ltd.

কাপড়ের মাস্ক পরলে কী কী সতর্কতা জানাল হু

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১১:০৬, ২৪ এপ্রিল ২০২১

Ekushey Television Ltd.

মহামারির প্রকোপে প্রয়োজনীয় পণ্যে পরিণত হয়েছে মাস্ক। সারাবিশ্বে যে হারে সংক্রমণ এবং মৃত্যু বেড়ে চলছে তাতে আগামী কয়েক বছর তো বটেই, সারা জীবনের জন্যও মাস্ক অপরিহার্য হতে পারে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু কাপড়ের মাস্ক না সার্জিক্যাল মাস্ক কোনটা বেশি ভাল, তা নিয়ে অনেকেই আছেন দোটানায়। শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যায় বহু মানুষ বেছে নিচ্ছেন কাপড়ের মাস্ক। তাই কাপড়ের মাস্ক পরার ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু সতর্কতা মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)।

সংক্রমণের প্রকোপ থেকে বাঁচতে শুরু থেকেই মাস্ক এবং স্যানিটাইজারের উপর জোর দিয়ে আসছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কাপড়ের মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও হাত পরিষ্কার রাখার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে সংস্থাটি। বলা হয়েছে-

* মাস্ক পরা হোক বা খোলা, যে কোনও সময় মাস্ক ছোঁয়ার আগে হাত ভাল করে ধুয়ে নিতে হবে। 

* মাস্কের কোথাও কোনও ছিদ্র বা ছেঁড়া রয়েছে কি না, দেখে নিতে হবে ভাল করে। 

* মাস্ক পরার পর মুখের দু’পাশে ফাঁক থাকে। তা কোনভাবেই হতে দেওয়া যাবে না। মাস্ক পরার পর মুখ, নাক এবং থুতনি সম্পূর্ণভাবে ঢাকা থাকতেই হবে।

* ঘন ঘন মাস্ক না ছোঁয়াই ভাল। 

* মাস্ক খোলার আগেও ভাল করে হাত ধুয়ে নিতে হবে।

* যদি মাস্ক খুলতে হয় বা ঠিক করতে হয়, তাহলে কানের পাশে অথবা মাথার পিছন দিক থে‌কে মাস্কের বন্ধনী ধরেই খুলতে বা পরতে হবে। 

* মাস্ক খোলার পর মুখের কাছ থেকে সরিয়ে নিতে হবে।

* মাস্ক খোলার পরেও ভাল করে হাত ধুয়ে নিতে হবে।

* সার্জিক্যাল মাস্কের ক্ষেত্রে একবার পরার পরই তা ফেলে দিতে হয়। তবে কাপড়ের মাস্ক পুনর্ব্যবহারযোগ্য বলে জানিয়েছে হু।

* মাস্ক ভিজে না গেলে, নোংরা না হলে খোলার পর পরিষ্কার থলিতে রেখে দেওয়া যাবে। 

* ফের ব্যবহার করতে চাইলে সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে নেয়া যাবে। দিনে একবার গরম পানিতে সাবান মিশিয়ে মাস্ক ধুয়ে নিলে ভাল।

* কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ত্রিস্তরীয় মাস্কের উপর গুরত্ব দিয়ে আসছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাটি। বলা হয়, তিনটি স্তরে আলাদা রকমের কাপড় দিতে হবে। মাস্কের যে অংশটি ভেতরের দিকে থাকবে, তাতে সুতির কাপড় ব্যবহার করলে ভাল। কারণ তা মুখ থেকে নির্গত ড্রপলেটস দ্রুত শুষে নিতে পারে।

* মাঝের স্তরে থাকবে পলিপ্রোলাইনের মতো এমন উপকরণ, যা ফিল্টারের কাজ করবে। বাইরের স্তরটি তৈরি হবে পলিয়েস্টারের মতো উপকরণ দিয়ে, যা মুখের ভেতর থেকে সংক্রমণ বাইরে ছড়াতে দেবে না। আবার বাইরে থেকেও সংক্রমণ মুখে প্রবেশ করা আটকাবে।

এএইচ/


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৫ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি