ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৩ এপ্রিল ২০২৫

Ekushey Television Ltd.

বারবার কেন চট্টগ্রামে আসছে পাকিস্তানি জাহাজ ‘এমভি ইউয়ান’

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৮:০২, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪

Ekushey Television Ltd.

বারবার কেন চট্টগ্রামে আসছে পাকিস্তানি জাহাজ ‘এমভি ইউয়ান’


পাকিস্তানের করাচি বন্দর থেকে কনটেইনার পণ্য নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে জাহাজ ‘এমভি ইউয়ান জিয়াং ফা ঝং’। আগামী শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) এটি চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় পৌঁছাবে বলে জানিয়েছে এর স্থানীয় প্রতিনিধি।

এবার জাহাজটিতে সম্ভাব্য ৮২৫ একক কনটেইনার রয়েছে, যা প্রথমবারের চেয়ে দ্বিগুণ। প্রথমবার ৩৭০ একক কনটেইনার নিয়ে জাহাজটি করাচি থেকে চট্টগ্রামে এসেছিল। এর মধ্যে পাকিস্তান থেকে আনা হয়েছিল ২৯৭ একক কনটেইনার, বাকিগুলো ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে।

জাহাজটিতে পোশাকশিল্পের কাঁচামাল, রাসায়নিক পদার্থ, খনিজ এবং ভোগ্যপণ্য থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আমদানি পণ্যের বিস্তারিত তালিকা শিপিং কোম্পানি অনলাইনে জমা দিলে তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

২০২৩ সালের নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে পাকিস্তানের করাচি বন্দর এবং চট্টগ্রাম বন্দরের মধ্যে সরাসরি কনটেইনার জাহাজ সেবা চালু হয়। এটি পরিচালনা করছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠান ‘ফিডার লাইনস ডিএমসিসি’, আর বাংলাদেশে তাদের স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছে রিজেন্সি লাইনস লিমিটেড।

গ্রুপটির নির্বাহী পরিচালক আনিস উদ দৌলা জানিয়েছেন, প্রথমবারের চেয়ে এবার পাকিস্তান থেকে কনটেইনার আনার হার বেড়েছে। এখন একটি জাহাজ ৩৮ থেকে ৪২ দিনে একবার আরব আমিরাত থেকে পাকিস্তান হয়ে চট্টগ্রামে আসছে। কনটেইনারের সংখ্যা বাড়লে নতুন এই পথে জাহাজের সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে। 

নতুন এই সেবার মাধ্যমে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ভারত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে পণ্য আনা-নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে দ্বিতীয়বারের মতো সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে পাকিস্তান হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে এই জাহাজ।

মেরিন ভ্যাসেল ট্রাফিক ওয়েবসাইটের তথ্যমতে, জাহাজটি বর্তমানে শ্রীলঙ্কার কাছাকাছি অবস্থান করছে। গত ১১ ডিসেম্বর করাচি বন্দর থেকে সর্বশেষ কনটেইনার বোঝাই করে এটি চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে

এসএস//


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৫ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি