৩৫ এর পর মা হওয়া কী ঝুঁকিপূর্ণ : ডা. কাজী ফয়েজা (ভিডিও)
প্রকাশিত : ১৮:২৯, ৯ অক্টোবর ২০১৮ | আপডেট: ১৪:৩১, ১৩ অক্টোবর ২০১৮

আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে এখন আমরা মেয়েদের বেলায় ২০- এর পরে ও ছেলেদের বেলায় ২২- এর পরে বিয়ে করতে বলি।
বিয়ের পর মেয়েদের বেলায় যদি প্রথম সন্তানটা ৩০ বা ৩২ বছরের মধ্যে হয় তাহলে সেটা নিরাপদ গর্ভধারণ হয়।
পুরুষরা কখন বাবা হবেন তা নিয়ে বয়সের কোন বাধ্যবাধকতা নাই। একজন পুরুষ বৃদ্ধ বয়সেও সন্তান জন্মদানে সক্ষমতা রাখে।
তবে মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রথম সন্তানটা ৩০-এর মধ্যে নেওয়া ভাল। মনে রাখা উচিত, ৩৫ বছরের পরে মা হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ।
আমার কাছে কিছু রোগী আসেন, যাদের বিয়ে হয়েছে মাত্র এক মাস। তাদেরকে শ্বশুর শ্বাশুড়ী নিয়ে আসেন। তাদের অভিযোগ, পুত্রবধু সন্তানের মা হতে পারছেন না।
আমি তখন বলি, বিয়ে হয়েছে মাত্র একমাস। এখনই সন্তানের জন্য এত অস্থির হচ্ছেন কেন? তখন তারা আমাকে উত্তর দেয়, প্রেগনেন্সির জন্য একমাসও লাগে না। একদিনই যথেষ্ট। আসলে এই ধারণা ভুল।
আমরা যেটা পরামর্শ দিই সেটি হচ্ছে, আপনারা স্বামী- স্ত্রী পুরো একবছর একসঙ্গে থাকবেন। কিন্তু দেখা যায় স্বামী থাকে চট্টগ্রাম, স্ত্রী থাকে ঢাকায়। সপ্তাহে একদিন স্বামী আসেন। এক্ষেত্রে সন্তান হবে কি করে?
আমার পরামর্শ হচ্ছে সন্তান নিতে চাইলে পুরো এক বছর স্বামী-স্ত্রীর একসঙ্গে থাকতে হবে। সপ্তাহে অন্তত তিন থেকে চারবার মেলামেশা করবেন।
এরপরও যদি গর্ভে সন্তান না আসে তাহলে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। কিন্তু যদি এমনটি হয়, স্বামী বিয়ের এক মাসের মাথায় বিদেশ চলে গেছেন। একবছরের মাথায় যদি মেয়েটি এসে বলে আমি মা হচ্ছিনা কেন, তাহলেও হবে না।
আমার শর্তগুলো পূরণ না হলে বলা যাবে না যে, সে সন্তান ধারণে অক্ষম।
(লেখক: ডা. কাজী ফয়েজা আক্তার, এমবিবিএস, এফসিপিএস, এমসিপিএস। কনসালটেন্ট, ইমপালস হাসপাতাল। ও সহকারী অধ্যাপক, গাইনী, প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন।)
শ্রুতি লেখক: অালী অাদনান।
অা অা// এআর
এ সংক্রান্ত আরো খবর
ছেলেদের স্পার্ম ক্ষতিগ্রস্থ ৬ কারণে: ডা. কাজী ফয়েজা (ভিডিও)
পুরুষের যে সমস্যায় সন্তান হয় না: ডা. কাজী ফয়েজা আক্তার (ভিডিও)
ভিডিও